প্রতি মাসে ৩০ থেকে ৪০ লাখ স্মার্টকার্ড প্রস্তুত হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৪৩ পিএম, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

এখন প্রতি মাসে ৩০ থেকে ৪০ লাখ স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) পার্সোনালাইজেশন বা প্রস্তুত করা হচ্ছে। উৎপাদনের পাশাপাশি আগামী দুই থেকে তিন মাসে সবার মাঝে স্মার্টকার্ড বিতরণ শেষে এর বহুমুখী ব্যবহার শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জাতীয় পরিচয় (এনআইডি) নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।

রোববার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।

সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘এখন আমরা বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীল না। এখন আমাদের কাজের গতি অনেক বেশি। বিদেশি কোম্পানি স্মার্টকার্ড পারসোনালাইজেশন করত প্রতি মাসে ৪৫ লাখ, এখন প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ লাখ কার্ডের কাজ হচ্ছে। আপনারা খুব তাড়াতাড়ি দেখতে পাবেন যে, স্মার্টকার্ড কীভাবে আমরা উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের পৌঁছে দিচ্ছি এবং কীভাবে এর ব্যবহার শুরু হচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে এই কাজ শুরু হবে।’

সাইদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে আপনারা দেখতে পাবেন, হাউ উই আর অ্যাডভান্সড (আমরা কতটা এগিয়ে)। ঢাকায় আমরা খুব তাড়াতাড়ি দিয়ে দেব। যারা স্মার্টকার্ড যারা পায়নি অথবা নেয়নি আগামী তিন মাসের মধ্যে তাদের কাছে কার্ড পৌঁছে দেব। ঢাকার পর চট্টগ্রামে দেয়া হবে। এর মধ্যেও স্মার্টকার্ড বিতরণ করেছি। যারা নিতে পারেননি, তাদের কার্ডগুলো আবার বিতরণ করব।’

এরপর এই স্মার্টকার্ডের নানামুখী ব্যবহার শুরু করা হবে বলেও জানান এনআইডির এই ডিজি। তিনি বলেন, ‘এই কার্ডে সব সেবা দেয়া হবে। স্মার্টকার্ডের যে চিপস, এর কিছু অংশ আমরা এনআইডিতে ব্যবহার করব। বাকি অংশে ব্যাংকিং খাত, নন-ব্যাংকিং খাত, ড্রাইভিং খাতসহ সব জায়গায় ব্যবহার করা হবে। যাতে একটি কার্ড দিয়ে সব ধরনের কাজ করা যায়।’

পিডি/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]