‘দেশের প্রতিটি জেলায় ওয়াকফ অফিস স্থাপন আবশ্যক’

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৪:০১ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, ওয়াকফ এস্টেট ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত ও যুগোপযোগী করতে জনবলবৃদ্ধিসহ দেশের প্রতিটি জেলায় ওয়াকফ অফিস স্থাপন আবশ্যক।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওয়াকফ এস্টেটসমূহের সার্বিক ব্যবস্থানা পর্যালোচনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে কাজের গতি বাড়াতে জরুরি ভিত্তিতে শূন্যপদ পূরণের ব্যবস্থা নিতে হবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, সারাদেশে তালিকাভুক্ত ওয়াকফ এস্টেটের সংখ্যা ১৬ হাজার ৪২৮টি। ওয়াকফ এস্টেটের আয়ের পাঁচ শতাংশ ওয়াকফ চাঁদা হিসেবে সরকার আদায় করে থাকে। ২০২০- ২১ অর্থ বছরে চাঁদা আদায়ের পরিমাণ ছিল নয় কোটি ৬৪ লাখ ৩৫ হাজার ২৩৪ টাকা, যার পরিমাণ আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় তিন কোটি টাকার বেশি।

ওয়াকফ চাঁদা আদায়ে এ সফলতার জন্য প্রতিমন্ত্রী ওয়াকফ প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিনন্দন জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তালিকার বাইরে থাকা ওয়াকফ এস্টেটের সংখ্যা এক লাখ ৩৮ হাজার ২৫৬টি। সকল ওয়াকফ এস্টেটকে তালিকাভুক্ত করা গেলে ওয়াকফ চাঁদা হিসেবে সরকারের কোষাগারে আরও অনেক বেশি পরিমাণ অর্থ জমা হবে।

এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে আরও সক্রিয় হয়ে কাজ করতে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দেন তিনি।

ওয়াকফ প্রশাসক আব্দুল্লাহ সাজ্জাদের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম পিএচডি।

অনুষ্ঠানে ওয়াকফ চাঁদা আদায় ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়ের ও দেশের বিভিন্ন জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পাঁচজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

এমইউ/এমকেআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]