ক্ষমতায়ন নিশ্চিতে প্রতিবন্ধীদের উন্নয়ন স্রোতে সম্পৃক্ত করা জরুরি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩৪ এএম, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১
ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘সব ধরনের শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা মানব বৈচিত্র্যেরই অংশ। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে তাদের উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করা খুবই জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘সমাজের অবিচ্ছেদ্য এ অংশকে সব নাগরিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে যথাযথ প্রশিক্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।’

রাষ্ট্রপতি শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) ‘৩০তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস’ ও ‘২৩তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘৩০তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস’ ও ‘২৩তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। দিবসটি উপলক্ষে আমি দেশের সব প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, তাদের পরিবার এবং তাদের কল্যাণে নিবেদিত সংস্থা সংগঠনসমূহকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

এবারের আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবসের প্রতিপাদ্য ‘কোভিড-১৯ পরবর্তী অন্তর্ভূক্তিমূলক বিশ্ব গড়তে প্রয়োজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ’অত্যন্ত যথার্থ হয়েছে বলেও মনে করেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, আমাদের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব দেশের সব জনগণের অধিকার সুরক্ষা, সুষম উন্নয়ন ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণে সরকার প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র, অটিজম রিসোর্স সেন্টার, অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল, প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সহজ শর্তে ঋণ প্রদান ও সুযোগসুবিধা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘আমি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সার্বিক জীবনমান উন্নয়নে সমাজের সর্বস্তরের জনগণ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিবন্ধীদের সুন্দর ও স্বাভাবিক পরিবেশ বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে সবার সম্মিলিত প্রয়াস অব্যাহত থাকবে, এমনটি প্রত্যাশা করি।’

এইচএস/এএএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]