বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, বাড়তে পারে বৃষ্টি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:১৮ পিএম, ০১ অক্টোবর ২০২২
ফাইল ছবি

উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর প্রভাবে দেশের দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টি বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে শনিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ছাড়া সারাদেশ ছিল প্রায় বৃষ্টিহীন। এ সময় সবচেয়ে বেশি ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে ফেনীতে। চট্টগ্রাম বিভাগ ছাড়া ভোলায় ৪ ও শ্রীমঙ্গলে ২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল সৈয়দপুরে।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে তিনি বলেন, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

এ সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী দুই-তিনদিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর বৃষ্টি কমতে পারে।

শনিবার রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে— পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আরএমএম/এমএএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।