পরিকল্পনামন্ত্রী
ফেসবুক চালানো বাদ দিয়েছি, এক জায়গায় টিপ দিলে আরেক জায়গায় চলে যায়
দেশের তরুণ সমাজকে মেধাবী উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমি তো ফেসবুক চালানো বাদ দিয়েছি, এক জায়গায় টিপ দিলে আরেক জায়গায় চলে যায়। অথচ আমাদের তরুণরা আজ ভার্চুয়ালি কাজ করে ডলার আয় করছেন। এতে দেশের উন্নয়ন হচ্ছে।
তিনি বলেন, ফ্রিল্যান্সাররা মুক্ত বিহঙ্গের মতো। তারা যা খুশি তাই করেন। আমাদের তরুণরা অনেক সাহসী, তরুণকালে এতো সাহস আমার ছিল না।
বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বিএফডিএস) আয়োজিত সিটিব্যাংক বিএফডিএস কনফারেন্স- ২০২৩ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
দেশে বর্তমানে সাড়ে ১০ লাখ ফ্রিল্যান্সার আছেন এবং তাদের মাধ্যমে ১০০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স আসছে জানিয়ে এম এ মান্নান বলেন, বর্তমান বিশ্ব বাজারে দেশের উন্নয়নে ফ্রিল্যান্সাররা অনেক অবদান রাখছেন। স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে এসব তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। এর ধারাবাহিকতায় ফ্রিল্যান্সাররা বেশি বেশি আয় করছেন। ফ্রিল্যান্সারদের উপার্জিত অর্থে আমাদের রেমিট্যান্স দিন দিন সমৃদ্ধ হচ্ছে।
দেশের উন্নয়নে ফ্রিল্যান্সারদের অবদান তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ফ্রিল্যান্সারদের অবদান সরাসরি দেশের অর্থনীতিতে পড়ছে। ফ্রিল্যান্সাররা তাদের অর্জিত বিদেশি আয় নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর মাধ্যমে দেশে আনলে এর বিপরীতে ৪ শতাংশ নগদ সহায়তা পাবেন। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। দেশের প্রতিটি ব্যাংককে এই ৪ শতাংশ নগদ সহায়তা প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি এ ব্যাপরে বিএফডিএসকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে সরকার নানা ধরনের প্রকল্প গ্রহণ করেছে বলেই বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা স্বাধীনভাবে কাজ করছে। এটা বড় অর্জন। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট এখন ইউনিয়ন পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। এখন গ্রামে বসেই তরুণদের কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে।
এমওএস/কেএসআর/জেআইএম