করোনাভাইরাস ঠেকাতে বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত?

মীর আব্দুল আলীম
মীর আব্দুল আলীম মীর আব্দুল আলীম , সাংবাদিক
প্রকাশিত: ০৯:২৫ এএম, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও ঘনীভূত করোনাভাইরাস আতঙ্ক। যত দিন গড়াচ্ছে, করোনাভাইরাসের হানায় সন্ত্রস্ত হচ্ছে গোটা দুনিয়া। এরই মধ্যে চীন থেকে ‘করোনা ভাইরাস’ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। সবখানে আতঙ্ক। বাংলাদেশে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বেশি; সতর্কতা কম। রোগব্যাধি নিয়ে আতঙ্ক নয়, দরকার হলো সতর্কতা ও সচেতনতা। এখনও বাংলাদেশে চীনা নাগরিক এবং প্রবাসীরা প্রবেশ করছে। করছে বহু চীনা নাগরিক দেশে বসবাস। তাদের ব্যাপারে সতর্কতা কম, বিধি নিষেধ কম। আমাদের বিমানবন্দর, স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর গুলো এখনও সুরক্ষিত বলা যাবে না। কারা আসছে? কোথা থেকে আসছে? ট্রানজিট হয়ে করোনাভাইরাস আক্রান্ত দেশ থেকে কেউ আসছে কি-না তা নিয়ে সতর্কতা নেই, কোন হিসাব নেই। এ অবস্থায় বাংলাদেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

চলতি সপ্তাহে ভারতের হুগলীতে সাহিত্যসভায় যোগ দিয়ে দেশে ফিরছিলাম। কলকাতা বিমানবন্দরে আমরা বেশ সতর্কতা লক্ষ করলেও, ঢাকা হজরত শাহজালাল (রা) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরে সতর্কতা তেমন একটা চোখে পড়েনি আমাদের। কলকাতা থেকে ট্রানজিট হয়ে চীন থেকে আসা প্রবাসী সহজেই বিনা বাধায়, বিনা স্ক্যানিংয়ে দেশের ভেতরে ঢুকে পড়লেন। এমনটা হচ্ছে বিভিন্ন বন্দরে। বিষয়টা গাছাড়াই মনে হলো। এমনটা হলে বাংলাদেশের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। করোনাভাইরাস এ দেশে ঢুকে পড়লে দ্রুত মহামারি আকার ধারণ করতে পারে। কারণ আমরা সচেতন নই। এখনও আমাদের দেশের ১৬ কোটি মানুষের বেশিরভাগই এ ভাইরাস সম্পর্কে ধারণা রাখে না। অধিকাংশই শুনছে এ ভাইরাসে মানুষ মারা যায়। সতর্কতার বিষয়ে জানে কম। এদেশে এ ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক আছে বেশ, সতর্কতা নেই। এটা ভয়ানক বিষয়।

আমাদের বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরসমূহে এ ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শনাক্তের বিশেষ মেডিকেল চেকআপের ব্যবস্থা যাতে সার্বক্ষণিকভাবে চালু থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, আমাদের মতো জনবহুল দেশে এই ভাইরাস মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এ ভাইরাস যেহেতু আক্রান্তের হাঁচি-কাশি-সর্দির মাধ্যমে ছড়ানোর ক্ষমতা রাখে, সে কারণে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি। যেমন, সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধোয়া, সর্দি-কাশি হলে মাস্ক পরিধান করা, হাঁচি-কাশি হলে মুখ ঢেকে হাঁচি বা কাশি দেয়া এবং সে হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে। অন্যদিকে পোল্ট্রিসহ, পশুপাখি হতে দূরে থাকতে হবে। কাঁচা বা অর্ধসিদ্ধ ডিম বা মাংস না খাওয়া এবং এর পাশাপাশি অতিরিক্ত ভিড় এড়িয়ে চলাচল করতে হবে। এমন সতর্কতা কমই অবলম্বন করছি আমরা। এ ভাইরাস এদেশে প্রবেশ করতে পারলে কেবল মানুষই মরবে না, দেশের অর্থনীতির চাকা একেবারে অচল হয়ে পড়বে।

গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের আবির্ভাব ঘটে। চীন ছাড়াও থাইল্যান্ড, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়াসহ ১৮ দেশে ৯৮ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। প্রতিনিয়ত এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। অনেক দেশ যোগাযোগ ছিন্ন করেছে দেশটির সাথে। চীনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ায়, করোনাভাইরাস নিয়ে চীন যুদ্ধকালীন তৎপরতা চালাচ্ছে। সর্বশেষ কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘আল জাজিরা’ ৪২৬ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। এ ভাইরাসে আরও অনেক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। শুধু মানুষের জীবন নয়, এখন চীনের অর্থনীতির জন্যও হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে করোনাভাইরাস।

চীনের অভিযোগ, করোনাভাইরাস নিয়ে বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক ছড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ঐ দেশসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চীনে ব্যবসা পরিচালনা সাময়িক বন্ধ করে দিয়েছে। এ সংকটে চীনের আর্থিক ক্ষতি ৬ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। ক্ষয়ক্ষতি কমাতে দেশের অর্থনীতিতে আরো ২ হাজার ২শ’ কোটি ডলার যোগ করতে যাচ্ছে চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়বে বৈকি!

সারা দুনিয়ায় করোনাভাইরাস নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে চীনে। আতংক বিশ্ব জুড়ে। চীনে রেড এলার্ট জারি হয়েছে। করোনাভাইরাস আতঙ্কে উহানসহ বিভিন্ন প্রদেশে বাংলাদেশের অনেক নাগরিক অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন। অনেকের বাসায় খাবার পর্যন্ত শেষ হয়ে গেছে। কোন কোন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি স্বজনদের অবহিত করেছেন। বাংলাদেশেও এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কারণ বাংলাদেশের অনেক উন্নয়ন প্রকল্পে হাজার হাজার চীনা নাগরিক কাজ করছেন। আবার বাংলাদেশের হাজার শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষা নিতে চীনে অবস্থান করছেন। এই দুই দেশের বাসিন্দাদের আশা-যাওয়ার মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে তা পর্যাপ্ত মনে হচ্ছে না।

করোনাভাইরাস আক্রান্ত চীনা নাগরিক কিংবা প্রবাসীরা বাংলাদেশে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে। এ ছাড়াও চীনে থাকা বাংলাদেশি নাগরিক যারা এই মুহূর্তে বাংলাদেশে আসছেন তাদের মাধ্যমেও এই ভাইরাস বাংলাদেশে বিস্তার ঘটাতে পারে। আমাদের আরও অনেক বেশি সতর্ক হতে হবে। সতর্ক আর সচেতন হলে আমারা এ ভাইরাসের আক্রমণ থেকে দূরে থাকতে পারবো। এছাড়া এ ভাইরাস প্রতিরোধে আমাদের উদ্যোগ নিতেই হবে। আমদের বিমানবন্দর, স্থলবন্দর, নৌবন্দরে সতর্কতা জারি করতে হবে। যাতে করোনাভাইরাস আক্রান্ত একজন নাগরিকও বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে।

ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকার যাতে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে সে ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে। বিমানবন্দর, নৌবন্দরে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এর সঙ্গে দেশি প্রল্পে নিয়োজিত বিদেশি নাগরিকদের ওপরও নজর রাখা হচ্ছে। বাংলাদেশের যেসব প্রতিষ্ঠানে চীনা নাগরিকরা কর্মরত আছেন, তাদের দেশ ত্যাগ না করা এবং যারা ইতিমধ্যে চীন থেকে বাংলাদেশে এসেছেন, তাদের পর্যবেক্ষণে রাখছেন প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। পদ্মাসেতু প্রকল্প, দক্ষিণাঞ্চলের কলাপাড়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রর চীনা প্রকৌশলী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে বিশেষ সচেতনতা সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলাপাড়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পদ্মসেতু প্রকল্পে নিয়োজিত চীনা প্রকৌশলী ও শ্রমিকদের বাংলাদেশ ত্যাগ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যারা এই মুহূর্তে চীনে অবস্থানকারী চীনা নাগরিক ও বাংলাদেশি নাগরিকদেরও দেশে না আসার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করলেই ভালো। তা না হলে আমাদের কপালে দুর্গতি আছে এটা ভাবতে হবে সকলকে।

যেভাবেই ছড়াক করোনাভাইরাস এখন আমাদের সতর্ক হওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই। মনে রাখতে হবে রোগগব্যাধি নিয়ে আতঙ্ক নয়, দরকার হলো সতর্কতা ও সচেতনতা। চীন থেকে ‘করোনাভাইরাস’ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে অধিক সতর্কতা জরুরি এখন। কারণ বাংলাদেশ এখন বিশ্ব আগ্রীহর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশ্বের প্রায় সব দেশ থেকেই বাংলাদেশে পর্যটক বা ব্যবসায়ীদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে। ফলে এই ভাইরাসটি বাংলাদেশে প্রবেশ করার শঙ্কা প্রবল। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সব মহল করোনাভাইরাস সম্পর্কে সতর্ক রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিচ্ছে এটি আমাদের আশা এবং স্বস্তির বিষয়।

শুধু সরকারের পদক্ষেপের ওপর ভরসা করে থাকলেই চলবে না, জনগণকেও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে। ইতোমধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন, যেমন- ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহার করা, বেশি লোক সমাগম হয় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যতটা সতর্ক রয়েছে তার থেকেও অধিক সতর্কতা প্রয়োজন। ভৌগোলিক অবস্থান এবং চীন থেকে আসা যাত্রীদের কারণে করোনাভাইরাস বাংলাদেশে আসার ঝুঁকি রয়েছে। করোনাভাইরাস যেভাবে দ্রুত গতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে তা বিবেচনায় রেখে আরও সতর্কতা অবলম্বনের কোনো বিকল্প নেই। একই সঙ্গে চীনে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সুরক্ষায় সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাস যাতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করে তা সংশ্লিষ্টদের নিশ্চিত করতে হবে।

লেখক : সাংবাদিক।

এইচআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যতটা সতর্ক রয়েছে তার থেকেও অধিক সতর্কতা প্রয়োজন। ভৌগোলিক অবস্থান এবং চীন থেকে আসা যাত্রীদের কারণে করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে আসার ঝুঁকি রয়েছে। করোনা ভাইরাস যেভাবে দ্রুত গতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে তা বিবেচনায় রেখে আরও সতর্কতা অবলম্বনের কোনো বিকল্প নেই। একই সঙ্গে চীনে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সুরক্ষায় সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাস যাতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করে তা সংশ্লিষ্টদের নিশ্চিত করতে হবে

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৬,০৩,৩৪,১২৫
আক্রান্ত

৩৩,৩১,৪০০
মৃত

১৩,৯০,৭৫,১৩০
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৭,৭৬,২৫৭ ১২,০০৫ ৭,১৫,৩২১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৩৫,৫০,১১৫ ৫,৯৬,৯৪৬ ২,৬৫,৫৮,১৩৯
ভারত ২,৩৩,৪০,৯৩৮ ২,৫৪,২২৫ ১,৯৩,৮২,৬৪২
ব্রাজিল ১,৫২,৮৫,০৪৮ ৪,২৫,৭১১ ১,৩৮,৪৭,১৯১
ফ্রান্স ৫৮,০০,১৭০ ১,০৬,৯৩৫ ৪৯,৫১,৯৮৫
তুরস্ক ৫০,৫৯,৪৩৩ ৪৩,৫৮৯ ৪৭,৬৬,১২৪
রাশিয়া ৪৮,৯৬,৮৪২ ১,১৩,৯৭৬ ৪৫,০৯,৯১৫
যুক্তরাজ্য ৪৪,৩৯,৬৯১ ১,২৭,৬২৯ ৪২,৫৩,৩৬৭
ইতালি ৪১,২৩,২৩০ ১,২৩,২৮২ ৩৬,৩৬,০৮৯
১০ স্পেন ৩৫,৮৬,৩৩৩ ৭৯,১০০ ৩২,৮৩,৯১৫
১১ জার্মানি ৩৫,৪৪,৩১৫ ৮৫,৭৫৭ ৩২,২০,৩০০
১২ আর্জেন্টিনা ৩১,৯১,০৯৭ ৬৮,৩১১ ২৮,৫৪,৩৬৪
১৩ কলম্বিয়া ৩০,৩১,৭২৬ ৭৮,৭৭১ ২৮,৪৮,১৫৩
১৪ পোল্যান্ড ২৮,৩৮,১৮০ ৭০,৩৩৬ ২৫,৮০,২৪৫
১৫ ইরান ২৬,৯১,৩৫২ ৭৫,৫৬৮ ২১,৪৪,১৯৭
১৬ মেক্সিকো ২৩,৬৮,৩৯৩ ২,১৯,৩২৩ ১৮,৯১,০৫২
১৭ ইউক্রেন ২১,২৪,৫৩৫ ৪৬,৬৩১ ১৭,৭৭,৩৭০
১৮ পেরু ১৮,৫৮,২৩৯ ৬৪,৬৯১ ১৭,২০,৬৬৫
১৯ ইন্দোনেশিয়া ১৭,২৩,৫৯৬ ৪৭,৪৬৫ ১৫,৮০,২০৭
২০ চেক প্রজাতন্ত্র ১৬,৪৬,৯৮১ ২৯,৭৪৯ ১৫,৮৩,৫৯০
২১ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫,৯৯,২৭২ ৫৪,৮৯৬ ১৫,১৯,২৫৮
২২ নেদারল্যান্ডস ১৫,৭১,৩৯৮ ১৭,৩৮৩ ১৩,৩৩,৩২৬
২৩ কানাডা ১২,৯৯,৫৭২ ২৪,৭১৪ ১১,৯৬,৮১৯
২৪ চিলি ১২,৫৬,৫৪৬ ২৭,৩৫৬ ১১,৯৩,৯২৭
২৫ ইরাক ১১,২২,৯১৪ ১৫,৮৩৪ ১০,১৮,১৬৭
২৬ ফিলিপাইন ১১,১৩,৫৪৭ ১৮,৬২০ ১০,৩৮,১৭৫
২৭ রোমানিয়া ১০,৬৭,৮৮৭ ২৯,১৩৫ ১০,১৭,০৪৭
২৮ সুইডেন ১০,২১,৬০৪ ১৪,২১৭ ৮,৫৮,৮২৯
২৯ বেলজিয়াম ১০,২০,৩৩২ ২৪,৬০৯ ৮,৮৮,৫৪৬
৩০ পাকিস্তান ৮,৬৭,৪৩৮ ১৯,২১০ ৭,৭১,৬৯২
৩১ পর্তুগাল ৮,৪০,০০৮ ১৬,৯৯৪ ৮,০১,৩০৬
৩২ ইসরায়েল ৮,৩৯,০০০ ৬,৩৭৮ ৮,৩১,৭৩৮
৩৩ হাঙ্গেরি ৭,৯২,৮৭৯ ২৮,৭৯২ ৫,৮৩,৮০২
৩৪ জর্ডান ৭,২১,৮৫৩ ৯,১৫১ ৭,০৭,৩০২
৩৫ সার্বিয়া ৭,০২,৪৫১ ৬,৫৯৪ ৬,৬৬,৯৪৪
৩৬ সুইজারল্যান্ড ৬,৭৫,৬৭১ ১০,৭২১ ৬,০৬,৯১০
৩৭ জাপান ৬,৪৫,৮১৭ ১০,৯৪১ ৫,৬৪,১২৮
৩৮ অস্ট্রিয়া ৬,৩২,৭৬৬ ১০,৪১৩ ৬,০৭,৭১২
৩৯ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫,৩৯,১৩৮ ১,৬১৭ ৫,১৯,৪০৫
৪০ লেবানন ৫,৩৩,৬৮৫ ৭,৫২৭ ৪,৮৯,৩১৯
৪১ মরক্কো ৫,১৪,১৬৪ ৯,০৮৩ ৫,০১,৪০৪
৪২ মালয়েশিয়া ৪,৪৮,৪৫৭ ১,৭২২ ৪,০৮,২৩৬
৪৩ সৌদি আরব ৪,২৮,৩৬৯ ৭,০৯৮ ৪,১২,১০২
৪৪ নেপাল ৪,১৩,১১১ ৪,০৮৪ ৩,১২,০১৯
৪৫ বুলগেরিয়া ৪,১২,১৫৭ ১৭,১০৪ ৩,৫৩,৬১৯
৪৬ ইকুয়েডর ৪,০২,৫৯৫ ১৯,২৮৬ ৩,৪২,৮৭৮
৪৭ স্লোভাকিয়া ৩,৮৬,১৩৬ ১২,০৭৭ ৩,৬৮,৪৪৭
৪৮ বেলারুশ ৩,৭০,৫০৯ ২,৬৫২ ৩,৬০,৯১৬
৪৯ পানামা ৩,৬৮,৩৬৮ ৬,২৮২ ৩,৫৭,৭১৪
৫০ গ্রীস ৩,৬৭,০৭৬ ১১,১৪১ ৩,৩১,৮১৯
৫১ কাজাখস্তান ৩,৪৮,৩০৮ ৩,৯৬৪ ৩,০৪,৬৭৩
৫২ ক্রোয়েশিয়া ৩,৪৫,৬২৩ ৭,৫৪৯ ৩,৩০,৩২৯
৫৩ আজারবাইজান ৩,২৭,৬০১ ৪,৭১৩ ৩,০৮,৩১৭
৫৪ জর্জিয়া ৩,২৪,২৫৬ ৪,৩৩৬ ৩,০৩,৬৭৯
৫৫ তিউনিশিয়া ৩,২২,৯৯৮ ১১,৫৫৬ ২,৮১,৫৫৪
৫৬ বলিভিয়া ৩,২০,২০৯ ১৩,২৫৮ ২,৬২,৯৭০
৫৭ ফিলিস্তিন ৩,০২,৭৭৭ ৩,৩৯৩ ২,৮৭,৯৩২
৫৮ প্যারাগুয়ে ৩,০২,০৬১ ৭,২৮৪ ২,৫০,৫০২
৫৯ কুয়েত ২,৮৭,১৯৯ ১,৬৬০ ২,৭২,১২৩
৬০ কোস্টারিকা ২,৭৩,৭১৪ ৩,৪৫৬ ২,১৬,১৯১
৬১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,৭২,৮০৯ ৩,৫৫০ ২,৩২,৩২৫
৬২ ইথিওপিয়া ২,৬৩,৬৭২ ৩,৯১১ ২,১২,৫৬৭
৬৩ ডেনমার্ক ২,৬০,৯১৩ ২,৪৯৯ ২,৪৬,৯০৩
৬৪ লিথুনিয়া ২,৫৯,৮৬২ ৪,০৫৩ ২,৩৪,২২৩
৬৫ আয়ারল্যান্ড ২,৫৩,৫৬৭ ৪,৯২৯ ২,৩৬,০২৪
৬৬ মলদোভা ২,৫২,৯৪৯ ৫,৯৭০ ২,৪৩,৮৭৭
৬৭ স্লোভেনিয়া ২,৪৬,৭২৫ ৪,৩০২ ২,৩৩,৭৮৮
৬৮ মিসর ২,৩৯,৭৪০ ১৪,০৩৩ ১,৭৮,২৪১
৬৯ গুয়াতেমালা ২,৩৬,২৬৬ ৭,৭৭৬ ২,১৫,৮০৩
৭০ উরুগুয়ে ২,২৫,৮৪৭ ৩,২০৮ ১,৯৭,০৮৫
৭১ হন্ডুরাস ২,২২,১১৮ ৫,৭৮৯ ৮১,৯৭৩
৭২ আর্মেনিয়া ২,১৯,৫৯৬ ৪,২৫৬ ২,০৫,৬৭৫
৭৩ কাতার ২,১১,৭৩২ ৫১৬ ২,০৩,৫৪৬
৭৪ ভেনেজুয়েলা ২,১০,১১৬ ২,৩২০ ১,৯৩,০৮৯
৭৫ ওমান ২,০২,৭১৩ ২,১৪৮ ১,৮৬,৩৯১
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,০১,৫১২ ৮,৯১২ ১,৬৬,৮৮৭
৭৭ বাহরাইন ১,৯২,৭৫০ ৬৯৭ ১,৭৭,২১২
৭৮ লিবিয়া ১,৮০,৬৯২ ৩,০৭৭ ১,৬৭,০৪৩
৭৯ নাইজেরিয়া ১,৬৫,৫১৫ ২,০৬৫ ১,৫৬,৩৫৮
৮০ কেনিয়া ১,৬৩,৯৭৬ ২,৯২৮ ১,১৩,০৫৭
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৫৪,২২২ ৫,১৩৫ ১,৩৮,৭৭৯
৮২ মায়ানমার ১,৪২,৯৭৪ ৩,২১০ ১,৩২,০৫০
৮৩ আলবেনিয়া ১,৩১,৮০৩ ২,৪২০ ১,১৯,০৬১
৮৪ শ্রীলংকা ১,৩১,০৯৮ ৮৫০ ১,০৬,৬৪১
৮৫ দক্ষিণ কোরিয়া ১,২৮,৯১৮ ১,৮৮৪ ১,১৯,৩৭৩
৮৬ এস্তোনিয়া ১,২৫,৬৯৬ ১,২০৬ ১,১৬,৬৪৮
৮৭ লাটভিয়া ১,২৪,৯৬০ ২,২১৭ ১,১৩,৪৩০
৮৮ আলজেরিয়া ১,২৪,৪৮৩ ৩,৩৪৩ ৮৬,৭০৩
৮৯ কিউবা ১,১৮,১৬৮ ৭৫৫ ১,১১,৩২৫
৯০ নরওয়ে ১,১৭,৪৯৫ ৭৬৭ ৮৮,৯৫২
৯১ কিরগিজস্তান ৯৯,০৩৩ ১,৬৬৭ ৯২,১২০
৯২ মন্টিনিগ্রো ৯৮,৪৪৯ ১,৫৪৫ ৯৫,২২০
৯৩ উজবেকিস্তান ৯৫,০৭২ ৬৬৪ ৯০,৬৬৪
৯৪ ঘানা ৯৩,০১১ ৭৮৩ ৯০,৬৯৭
৯৫ জাম্বিয়া ৯২,১৫২ ১,২৫৮ ৯০,৫৩৯
৯৬ চীন ৯০,৭৯৯ ৪,৬৩৬ ৮৫,৮৬১
৯৭ ফিনল্যাণ্ড ৮৮,৯৯০ ৯২৭ ৪৬,০০০
৯৮ থাইল্যান্ড ৮৮,৯০৭ ৪৮৬ ৫৯,০৪৩
৯৯ ক্যামেরুন ৭৪,৯৪৬ ১,১৫২ ৭০,৪৯৭
১০০ এল সালভাদর ৭০,৩৮০ ২,১৬৪ ৬৫,৯২১
১০১ মোজাম্বিক ৭০,২৮৩ ৮২৬ ৬৭,৮৮৪
১০২ সাইপ্রাস ৭০,০৯৮ ৩৩৯ ৩৯,০৬১
১০৩ লুক্সেমবার্গ ৬৮,৫৫২ ৮০৬ ৬৫,৫১৩
১০৪ আফগানিস্তান ৬২,৭১৮ ২,৭১৩ ৫৪,৫০৩
১০৫ সিঙ্গাপুর ৬১,৪০৩ ৩১ ৬০,৯৭৫
১০৬ নামিবিয়া ৫০,৩০১ ৬৯৬ ৪৭,৫১৮
১০৭ বতসোয়ানা ৪৯,০৪১ ৭৫১ ৪৬,২৯০
১০৮ জ্যামাইকা ৪৬,৮২১ ৮১৪ ২২,৫১৭
১০৯ আইভরি কোস্ট ৪৬,৪৮৪ ২৯২ ৪৫,৯১০
১১০ মঙ্গোলিয়া ৪৬,৪৪৮ ১৮৪ ৩৫,৭৩৩
১১১ উগান্ডা ৪২,৪২৭ ৩৪৬ ৪১,৯৭১
১১২ সেনেগাল ৪০,৭২৯ ১,১২০ ৩৯,৪২৮
১১৩ মাদাগাস্কার ৩৯,৩৫১ ৭৩২ ৩৬,৬৩৩
১১৪ মালদ্বীপ ৩৮,৫২০ ৮৭ ২৬,৭৯৫
১১৫ জিম্বাবুয়ে ৩৮,৪৪৮ ১,৫৭৯ ৩৬,২২১
১১৬ সুদান ৩৪,২৭২ ২,৪৪৬ ২৭,৯৪৯
১১৭ মালাউই ৩৪,১৮৩ ১,১৫৩ ৩২,১৭০
১১৮ মালটা ৩০,৪৬৪ ৪১৭ ২৯,৮৪৩
১১৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩০,৩৯২ ৭৭৫ ২৬,৪৩৪
১২০ অস্ট্রেলিয়া ২৯,৯৪৬ ৯১০ ২৮,৮১৫
১২১ অ্যাঙ্গোলা ২৯,১৪৬ ৬৩৯ ২৫,১৪৫
১২২ কেপ ভার্দে ২৬,৭০৯ ২৩৬ ২৩,৬৯২
১২৩ রুয়ান্ডা ২৫,৭৭৩ ৩৪০ ২৪,৩৩৩
১২৪ গ্যাবন ২৩,৫৬৫ ১৪৩ ২০,০৫১
১২৫ সিরিয়া ২৩,৪৯০ ১,৬৭০ ১৯,৩১৬
১২৬ গিনি ২২,৭১৯ ১৫১ ২০,৩৪১
১২৭ রিইউনিয়ন ২২,৬৪৪ ১৬৯ ২১,৬০৩
১২৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২০,৮৭৭ ১০৬ ৯,৯৯৫
১২৯ কম্বোডিয়া ২০,২২৩ ১৩১ ৮,১৭০
১৩০ মায়োত্তে ২০,১৩৪ ১৭০ ২,৯৬৪
১৩১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৮,৭৯৭ ১৪১ ১৮,৬১৭
১৩২ মৌরিতানিয়া ১৮,৬৯১ ৪৫৬ ১৭,৯১৮
১৩৩ ইসওয়াতিনি ১৮,৪৮৭ ৬৭১ ১৭,৭৮৪
১৩৪ গুয়াদেলৌপ ১৬,০১৭ ২২১ ২,২৪২
১৩৫ গায়ানা ১৪,৫৩১ ৩৩১ ১২,৪৪৩
১৩৬ সোমালিয়া ১৪,৪৮৬ ৭৫৩ ৬,৩২৫
১৩৭ মালি ১৪,১৩৩ ৫০৬ ৯,০৭৩
১৩৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৩,৮০২ ২২৪ ৯,৫০০
১৩৯ এনডোরা ১৩,৪৪৭ ১২৭ ১৩,০৭০
১৪০ বুর্কিনা ফাঁসো ১৩,৩৮৪ ১৬৪ ১৩,১৮০
১৪১ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৪২ হাইতি ১৩,২২৭ ২৬৬ ১২,৩০৪
১৪৩ টোগো ১৩,১৬৭ ১২৫ ১১,৬৯৪
১৪৪ বেলিজ ১২,৭০৪ ৩২৩ ১২,৩০৭
১৪৫ পাপুয়া নিউ গিনি ১২,৪৯৩ ১৩০ ১০,৮৩৩
১৪৬ কিউরাসাও ১২,২৩৬ ১১৭ ১১,৯৯২
১৪৭ হংকং ১১,৮১৩ ২১০ ১১,৫০৩
১৪৮ মার্টিনিক ১১,৭৩৬ ৯০ ৯৮
১৪৯ জিবুতি ১১,৩৬৯ ১৫১ ১১,১৮২
১৫০ কঙ্গো ১১,৩৪৩ ১৪৮ ৮,২০৮
১৫১ সুরিনাম ১১,৩০৬ ২২০ ৯,৯০৭
১৫২ বাহামা ১০,৯০৮ ২১৪ ৯,৮৫৪
১৫৩ আরুবা ১০,৭৯৫ ১০৪ ১০,৫৯৬
১৫৪ লেসোথো ১০,৭৭৩ ৩১৯ ৬,৪২৭
১৫৫ দক্ষিণ সুদান ১০,৬৪১ ১১৫ ১০,৪৬২
১৫৬ সিসিলি ৮,১৭২ ২৮ ৫,৬৫৮
১৫৭ বেনিন ৭,৯৯৫ ১০১ ৭,৬৫২
১৫৮ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৭,৬৯৪ ১১২ ৭,২৭৯
১৫৯ নিকারাগুয়া ৭,০৮৬ ১৮৪ ৪,২২৫
১৬০ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৬,৬৭৪ ৯৩ ৫,১১২
১৬১ আইসল্যান্ড ৬,৫২২ ২৯ ৬,৪০৯
১৬২ ইয়েমেন ৬,৪৯২ ১,২৭৬ ৩,০০৩
১৬৩ গাম্বিয়া ৫,৯৩৪ ১৭৫ ৫,৬৪৮
১৬৪ নাইজার ৫,৩২৪ ১৯২ ৪,৯২৯
১৬৫ সান ম্যারিনো ৫,০৮৩ ৯০ ৪,৯৬৮
১৬৬ চাদ ৪,৮৮৮ ১৭২ ৪,৬৬১
১৬৭ সেন্ট লুসিয়া ৪,৭০০ ৭৫ ৪,৪৭৩
১৬৮ জিব্রাল্টার ৪,২৯১ ৯৪ ৪,১৮৯
১৬৯ বুরুন্ডি ৪,২০৮ ৭৭৩
১৭০ চ্যানেল আইল্যান্ড ৪,১১১ ৮৬ ৩,৯৬৫
১৭১ সিয়েরা লিওন ৪,০৮৯ ৭৯ ৩,০৯৩
১৭২ বার্বাডোস ৩,৯৫০ ৪৫ ৩,৮৭০
১৭৩ কমোরস ৩,৮৬০ ১৪৬ ৩,৬৮৮
১৭৪ ইরিত্রিয়া ৩,৮১৮ ১২ ৩,৬২৭
১৭৫ গিনি বিসাউ ৩,৭৪১ ৬৭ ৩,৪০০
১৭৬ ভিয়েতনাম ৩,৫৭১ ৩৫ ২,৬১৮
১৭৭ পূর্ব তিমুর ৩,৪৯৩ ১,৭৬৯
১৭৮ লিচেনস্টেইন ২,৯৭৫ ৫৮ ২,৮৮৭
১৭৯ নিউজিল্যান্ড ২,৬৪৪ ২৬ ২,৫৯১
১৮০ মোনাকো ২,৪৮৬ ৩২ ২,৪২৩
১৮১ বারমুডা ২,৪৫৫ ৩১ ২,১৮২
১৮২ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৪০৪ ১৭ ২,৩৬৫
১৮৩ সিন্ট মার্টেন ২,২৬৮ ২৭ ২,২০৮
১৮৪ লাইবেরিয়া ২,১১৪ ৮৫ ১,৯৬২
১৮৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১,৯২২ ১২ ১,৭৪১
১৮৬ সেন্ট মার্টিন ১,৭৭৩ ১২ ১,৩৯৯
১৮৭ আইল অফ ম্যান ১,৫৯০ ২৯ ১,৫৫০
১৮৮ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১,৫৮৩ ১৭ ৬,৪৪৫
১৮৯ লাওস ১,৩৬২ ২৯৭
১৯০ মরিশাস ১,২৫৭ ১৭ ১,১২৫
১৯১ ভুটান ১,২৪৭ ১,১০১
১৯২ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১,২৩৮ ৩২ ১,১৭৮
১৯৩ তাইওয়ান ১,২১০ ১২ ১,০৯৩
১৯৪ সেন্ট বারথেলিমি ৯৭৪ ৪৬২
১৯৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৯৬ ফারে আইল্যান্ড ৬৬৯ ৬৬২
১৯৭ কেম্যান আইল্যান্ড ৫৪৮ ৫৩৭
১৯৮ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯৯ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৪
২০০ ব্রুনাই ২৩০ ২১৮
২০১ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২১৯ ১৯৩
২০২ ডোমিনিকা ১৭৫ ১৭৫
২০৩ গ্রেনাডা ১৬০ ১৫৮
২০৪ ফিজি ১৫২ ১০১
২০৫ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২৪ ৫৮
২০৬ এ্যাঙ্গুইলা ১০৯ ৮৯
২০৭ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৩ ৬৩
২০৮ ম্যাকাও ৪৯ ৪৯
২০৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৪৫ ৪৪
২১০ গ্রীনল্যাণ্ড ৩১ ৩১
২১১ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৫ ২৫
২১৩ মন্টসেরাট ২০ ১৯
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
২২০ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।

টাইমলাইন  

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]