চীনকে আগাম সতর্কবার্তা দেয়া সেই চিকিৎসকও করোনায় আক্রান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:২৬ এএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

চীনে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। এখন পর্যন্ত ৪২৬ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। মঙ্গলবার দেশটির হুবেই প্রদেশের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন করে সেখানে আরও ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে সেখানে আরও দুই হাজার ৩৪৫ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। ফলে এখন পর্যন্ত মোট ১৯ হাজার ৫৫০ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে ২০টির বেশি দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।

তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাণঘাতী এই ভাইরাস সম্পর্কে আগেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন উহান শহরের এক চিকিৎসক। লি ওয়েনলিয়াং নামের ওই চিকিৎসক সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, সার্সের মতো মহামারি আকার ধারণ করতে পারে এই নতুন ভাইরাস। তবে তখন তার সে কথায় পাত্তা দেয়নি দেশটির কর্তৃপক্ষ। পাল্টা তাকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে হুমকি দেয়া হয়।

লি একজন চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ। কর্মরত উহান সেন্ট্রাল হাসপাতালে। ডিসেম্বরে সাত ব্যক্তির শরীরে তিনি নতুন এই ভাইরাসটি শনাক্ত করেন এবং ভেবেছিলেন এটা সার্সের মতো মহামারি আকার ধারণ করতে পারে, যেটা ২০০৩ সালে দেখা গিয়েছিল।

তখন ধারণা করা হয়েছিল, এ ভাইরাসটির উৎপত্তি উহানের হুনান শহরের একটি সামুদ্রিক বাজার থেকে। এবং এই ভাইরাসে আক্রান্ত ওই সাত রোগীকে তার হাসপাতালের বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল।

বিষয়টি জানতে পেরে ৩০ ডিসেম্বর একটি চ্যাট গ্রুপে সহকর্মীদের এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন লি এবং বলেন, এ রোগ সার্সের মতো মহামারি আকার ধারণ করতে পারে। এ রোগের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে তাদের নিরাপত্তামূলক পোশাক পরিধান করার পরামর্শ দেন তিনি।

তবে ডাক্তার লি যে ভাইরাস আবিষ্কার করেছিলেন, তখন তিনি জানতেন না যে এই নতুন ভাইরাসটির নাম নোভেল করোনাভাইরাস।

চারদিন পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকজন সদস্য তার সঙ্গে দেখা করেন এবং একটি চিঠিতে তাকে সই করতে বলেন। চিঠিতে তার বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয় এবং বলা হয়, এতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে। বিবিসি বলছে, চিকিৎসক লি বাদেও আরও সাতজনকে একই অভিযোগে নজরদারিতে রাখা হয়।

‘আমরা আপনাকে কড়াভাবে সতর্ক করছি, আপনি যদি এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখেন তাহলে আপনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। আপনি বুঝেছেন’-বলা হয় চিঠিতে। চিঠিটি পড়ে নিচে এতে সম্মতি আছেন বলে সাক্ষর করেন চিকিৎসক লি।

জানুয়ারির শেষের দিকে চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইবোতে ওই চিঠির কপি প্রকাশ করেন লি এবং তার সঙ্গে কী কী ঘটেছে তার ব্যাখ্যা দেন। এখন নিজেদের ভুল বুঝতে পেরেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং তার সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে এজন্য ক্ষমা চেয়েছে। তবে এই ক্ষমা চাওয়া ও নিজেদের ভুল বুঝতে পারাটা অনেক দেরিতে হলো। ততক্ষণে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন চার শতাধিক। মৃত্যুর প্রহর গুনছে শতশত ব্যক্তি।

জানুয়ারির কয়েক সপ্তাহ অতিবাহিত হলে সরকারি কর্মকর্তারা বলতে থাকেন, যারা আক্রান্ত জীবজন্তুর সংস্পর্শে এসেছেন শুধু তারাই এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে চিকিৎসকরা যাতে এ রোগে আক্রান্ত না হতে পারেন সেজন্য কোনো নির্দেশনা ইস্যু করা হয়নি।

পুলিশ সতর্ক করে দিয়ে চলে যাওয়ার এক সপ্তাহ পর এক গ্লুকোমা রোগীকে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন চিকিৎসক লি। তবে তিনি জানতেন না যে, তিনি যে রোগীকে চিকিৎসা দিচ্ছেন তিনি ইতোমধ্যে নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

উইবো পোস্টে লি জানান, কীভাবে ১০ জানুয়ারি তার কাশি শুরু হয়। পরদিন তার শরীরে জ্বর দেখা দেয়। তার দুইদিন পর হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। তিনি জানান, তার পিতামাতাও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং তাদেরকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

লি-র পোস্টের ১০ দিন পর ২০ জানুয়ারি করোনাভাইরাসের বিষয়ে জরুরি অবস্থা জারি করে চীন কর্তৃপক্ষ। লি জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কি না, তা জানতে তিনি একাধিকবার পরীক্ষা করিয়েছেন। তবে সব পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে।

৩০ জানুয়ারি আরেকটি পোস্ট দেন এই চিকিৎসক। জানান, আজ নিউক্লিক অ্যাসিড টেস্টের ফলাফল এসেছে এবং তা পজিটিভ। তার মানে হলো অবশেষে ধরা দিল এই রোগ (করোনাভাইরাস)। পোস্টে একটি কুকুরের ইমোজি যোগ করে দিয়েছেন তিনি। যার চোখ দুটো ধূসর এবং জিহ্বা বেরিয়ে এসেছে।

নেটিজেনদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে তার এ পোস্ট। অনেকে তাকে সাহস জোগাচ্ছেন। একজন লিখেছেন, ‘ডা. লি ওয়েনলিয়াং একজন হিরো।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘ডা. লির সঙ্গে যা করা হয়েছে, তাতে ভবিষ্যতে চিকিৎসকরা এরকম প্রাণঘাতী রোগ সম্পর্কে পূর্বে সতর্ক করার সাহস হারিয়ে ফেলবেন।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘সব নাগরিকের জন্য একটি অপেক্ষাকৃত নিরাপদ পরিবেশের জন্য লাখ লাখ লি ওয়েনলিয়াং দরকার।’

সূত্র : বিবিসি

এসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,০০,৮৩৫
আক্রান্ত

২৭,৪১৭
মৃত

১,৩৩,৪২৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৮ ১১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,০৪,২৫৬ ১,৭০৪ ২,৫২৫
ইতালি ৮৬,৪৯৮ ৯,১৩৪ ১০,৯৫০
চীন ৮১,৩৯৪ ৩,২৯৫ ৭৪,৯৭১
স্পেন ৬৫,৭১৯ ৫,১৩৮ ৯,৩৫৭
জার্মানি ৫০,৮৭১ ৩৫১ ৬,৬৫৮
ফ্রান্স ৩২,৯৬৪ ১,৯৯৫ ৫,৭০০
ইরান ৩২,৩৩২ ২,৩৭৮ ১১,১৩৩
যুক্তরাজ্য ১৪,৫৪৩ ৭৫৯ ১৩৫
১০ সুইজারল্যান্ড ১২,৯২৮ ২৩১ ১,৫৩০
১১ দক্ষিণ কোরিয়া ৯,৪৭৮ ১৪৪ ৪,৮১১
১২ নেদারল্যান্ডস ৮,৬০৩ ৫৪৬
১৩ অস্ট্রিয়া ৭,৬৯৭ ৫৮ ২২৫
১৪ বেলজিয়াম ৭,২৮৪ ২৮৯ ৮৫৮
১৫ তুরস্ক ৫,৬৯৮ ৯২ ৪২
১৬ কানাডা ৪,৭৫৭ ৫৫ ৩৫৪
১৭ পর্তুগাল ৪,২৬৮ ৭৬ ৪৩
১৮ নরওয়ে ৩,৭৭১ ১৯
১৯ অস্ট্রেলিয়া ৩,৫৭৩ ১৪ ১৭০
২০ ব্রাজিল ৩,৪৭৭ ৯৩
২১ সুইডেন ৩,০৬৯ ১০৫ ১৬
২২ ইসরায়েল ৩,০৩৫ ১২ ৭৯
২৩ মালয়েশিয়া ২,১৬১ ২৬ ২৫৯
২৪ আয়ারল্যান্ড ২,১২১ ২২
২৫ ডেনমার্ক ২,০৪৬ ৫২
২৬ ইকুয়েডর ১,৬২৭ ৪১
২৭ চিলি ১,৬১০ ৪৩
২৮ লুক্সেমবার্গ ১,৬০৫ ১৫ ৪০
২৯ জাপান ১,৪৯৯ ৪৯ ৩৭২
৩০ পোল্যান্ড ১,৩৮৯ ১৬
৩১ পাকিস্তান ১,৩৭৩ ১১ ২৩
৩২ রোমানিয়া ১,২৯২ ২৬ ১১৫
৩৩ থাইল্যান্ড ১,২৪৫ ৯৭
৩৪ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,১৭০ ৩১
৩৫ সৌদি আরব ১,১০৪ ৩৫
৩৬ ইন্দোনেশিয়া ১,০৪৬ ৮৭ ৪৬
৩৭ ফিনল্যাণ্ড ১,০৪১ ১০
৩৮ রাশিয়া ১,০৩৬ ৪৫
৩৯ গ্রীস ৯৬৬ ২৮ ৫২
৪০ ভারত ৯০২ ২০ ৮৩
৪১ আইসল্যান্ড ৮৯০ ৯৭
৪২ ফিলিপাইন ৮০৩ ৫৪ ৩১
৪৩ পানামা ৭৮৬ ১৪
৪৪ সিঙ্গাপুর ৭৩২ ১৮৩
৪৫ মেক্সিকো ৭১৭ ১২
৪৬ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদতরী) ৭১২ ১০ ৫৯৭
৪৭ আর্জেন্টিনা ৬৯০ ১৭ ৭২
৪৮ পেরু ৬৩৫ ১১ ১৬
৪৯ স্লোভেনিয়া ৬৩২ ১০
৫০ ক্রোয়েশিয়া ৫৮৬ ৩৭
৫১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৫৮১ ২০
৫২ এস্তোনিয়া ৫৭৫ ১১
৫৩ কাতার ৫৬২ ৪৩
৫৪ কলম্বিয়া ৫৩৯ ১০
৫৫ কলম্বিয়া ৫৩৯ ১০
৫৬ মিসর ৫৩৬ ৩০ ১১৬
৫৭ সার্বিয়া ৫২৮ ৪২
৫৮ হংকং ৫১৯ ১১১
৫৯ বাহরাইন ৪৬৬ ২২৭
৬০ চেক রিপাবলিক ৪৬৪
৬১ ইরাক ৪৫৮ ৪০ ১২২
৬২ নিউজিল্যান্ড ৪৫১ ৫০
৬৩ আলজেরিয়া ৪০৯ ২৬ ২৯
৬৪ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪০৫ ৫২
৬৫ লেবানন ৩৯১ ২৭
৬৬ লিথুনিয়া ৩৫৮
৬৭ মরক্কো ৩৪৫ ২৩ ১১
৬৮ আর্মেনিয়া ৩২৯ ২৮
৬৯ ইউক্রেন ৩১০
৭০ হাঙ্গেরি ৩০০ ১০ ৩৪
৭১ চেক রিপাবলিক ২৯৩
৭২ বুলগেরিয়া ২৯৩
৭৩ লাটভিয়া ২৮০
৭৪ উরুগুয়ে ২৭৪
৭৫ স্লোভাকিয়া ২৬৯
৭৬ তাইওয়ান ২৬৭ ৩০
৭৭ এনডোরা ২৬৭
৭৮ কোস্টারিকা ২৬৩
৭৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২৩৭
৮০ জর্ডান ২৩৫ ১৮
৮১ তিউনিশিয়া ২২৭
৮২ কুয়েত ২২৫ ৫৭
৮৩ সান ম্যারিনো ২২৩ ২১
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২১৯
৮৫ মলদোভা ১৯৯
৮৬ আলবেনিয়া ১৮৬ ৩১
৮৭ বুর্কিনা ফাঁসো ১৮০ ১২
৮৮ ভিয়েতনাম ১৬৯ ২০
৮৯ আজারবাইজান ১৬৫ ১৫
৯০ সাইপ্রাস ১৬২ ১৫
৯১ কাজাখস্তান ১৫০
৯২ রিইউনিয়ন ১৪৫
৯৩ ফারে আইল্যান্ড ১৪৪ ৫৪
৯৪ মালটা ১৩৯
৯৫ ঘানা ১৩৭
৯৬ ওমান ১৩১ ২৩
৯৭ সেনেগাল ১১৯ ১১
৯৮ ব্রুনাই ১১৫ ১১
৯৯ ভেনেজুয়েলা ১১৩ ৩১
১০০ আফগানিস্তান ১১০
১০১ শ্রীলংকা ১০৬
১০২ উজবেকিস্তান ১০৪
১০৩ আইভরি কোস্ট ১০১
১০৪ কম্বোডিয়া ৯৯ ১৩
১০৫ হন্ডুরাস ৯৫
১০৬ বেলারুশ ৯৪ ৩২
১০৭ মার্টিনিক ৯৩
১০৮ ফিলিস্তিন ৯১ ১৭
১০৯ ক্যামেরুন ৯১
১১০ জর্জিয়া ৮৩ ১৪
১১১ মন্টিনিগ্রো ৮২
১১২ কিউবা ৮০
১১৩ বলিভিয়া ৭৪
১১৪ গুয়াদেলৌপ ৭৩
১১৫ নাইজেরিয়া ৭০
১১৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৬৬
১১৭ কিরগিজস্তান ৫৮
১১৮ লিচেনস্টেইন ৫৬
১১৯ প্যারাগুয়ে ৫৬
১২০ জিব্রাল্টার ৫৫ ১৪
১২১ রুয়ান্ডা ৫৪
১২২ মায়োত্তে ৫০
১২৩ মোনাকো ৪২
১২৪ পুয়ের্তো রিকো ৩৯
১২৫ ম্যাকাও ৩৪ ১০
১২৬ আরুবা ৩৩
১২৭ গুয়াতেমালা ৩২
১২৮ গুয়াম ৩২
১২৯ কেনিয়া ৩১
১৩০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩০
১৩১ জ্যামাইকা ৩০
১৩২ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৮
১৩৩ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৮
১৩৪ বার্বাডোস ২৬
১৩৫ টোগো ২৫
১৩৬ মালদ্বীপ ১৬
১৩৭ ইথিওপিয়া ১৬
১৩৮ তানজানিয়া ১৩
১৩৯ মঙ্গোলিয়া ১২
১৪০ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১২
১৪১ ডোমিনিকা ১১
১৪২ নাইজার ১০
১৪৩ বাহামা ১০
১৪৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১০
১৪৫ সুরিনাম
১৪৬ গিনি
১৪৭ নামিবিয়া
১৪৮ কেম্যান আইল্যান্ড
১৪৯ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫০ গ্যাবন
১৫১ সিসিলি
১৫২ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৩ বেনিন
১৫৪ মৌরিতানিয়া
১৫৫ সুদান
১৫৬ গায়ানা
১৫৭ মন্টসেরাট
১৫৮ নেপাল
১৫৯ ভ্যাটিকান সিটি
১৬০ কঙ্গো
১৬১ ভ্যাটিকান সিটি
১৬২ ভুটান
১৬৩ তাজিকিস্তান
১৬৪ সেন্ট পিয়ের ও মিকুয়েলন
১৬৫ লাইবেরিয়া
১৬৬ সেন্ট লুসিয়া
১৬৭ গাম্বিয়া
১৬৮ সোমালিয়া
১৬৯ মার্কিন ভার্জিন আইল্যান্ড
১৭০ ক্রিস্টমাস আইল্যান্ড
১৭১ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
১৭২ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।

টাইমলাইন