করোনাভাইরাসে এবার হংকংয়ে একজনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:০৮ এএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

করোনাভাইরাসে এবার হংকংয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ৩৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ওই ব্যক্তি গত জানুয়ারিতে চীনের উহান শহরে গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তিনি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

এ নিয়ে চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে দু'জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন। এর আগে ফিলিপাইনে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ৪৪ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি চীনের নাগরিক। তিনি উহান শহর থেকে ফিলিপাইনে গিয়েছিলেন। এরপর সেখানেই মারা গেছেন।

এদিকে, সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চীনে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত সেখানে ৪২৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া আরও প্রায় ২০ হাজার ৪৩৮ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। অপরদিকে আরও ২৩টি দেশে কমপক্ষে আরও ১৫১ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

হংকংয়ে এখন পর্যন্ত ১৫ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশের উহানে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। মহামারির আশঙ্কায় বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যেই চীন থেকে নিজ দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে। মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণের এ ভাইরাস ঠেকাতে চীন-ভ্রমণে কড়াকড়ি আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান।

ফিলিপাইনসহ অনেক দেশই এই ভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে চীন থেকে আগতদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে। অনেক দেশের এয়ারলাইন্স চীনগামী ফ্লাইটও বন্ধ করে দিয়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ব থেকে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে চীন।

করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ কী?

এ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে শুরুতে জ্বর ও শুষ্ক কাশি হতে পারে। এর সপ্তাহখানেক পর শ্বাসকষ্টও দেখা দেয়। অনেক সময় নিউমোনিয়াও হতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা লাগে। তবে এসব লক্ষণ মূলত রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরই জানা গেছে।

সেক্ষেত্রে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার একদম প্রাথমিক লক্ষণ কী বা আদৌ তা বোঝা যায় কি-না তা এখনও অজানা। তবে নতুন এই করোনাভাইরাস যথেষ্ট বিপজ্জনক। সাধারণ ঠান্ডা-জ্বরের লক্ষণ থেকে এটি মৃত্যুর দুয়ার পর্যন্তও নিয়ে যেতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ভাইরাসের নাম দিয়েছে ২০১৯ নভেল করোনাভাইরাস।

টিটিএন/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,৭৭,৬৪৮
আক্রান্ত

৩১,৭৩৭
মৃত

১,৪৬,২৯৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৮ ১৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,২৩,৭৮১ ২,২২৯ ৩,২৩৮
ইতালি ৯২,৪৭২ ১০,০২৩ ১২,৩৮৪
চীন ৮১,৪৩৯ ৩,৩০০ ৭৫,৪৪৮
স্পেন ৭৮,৭৯৭ ৬,৫২৮ ১৪,৭০৯
জার্মানি ৫৮,২৪৭ ৪৫৫ ৮,৪৮১
ইরান ৩৮,৩০৯ ২,৬৪০ ১২,৩৯১
ফ্রান্স ৩৭,৫৭৫ ২,৩১৪ ৫,৭০০
যুক্তরাজ্য ১৭,০৮৯ ১,০১৯ ১৩৫
১০ সুইজারল্যান্ড ১৪,৩৫২ ২৮২ ১,৫৯৫
১১ বেলজিয়াম ১০,৮৩৬ ৪৩১ ১,৩৫৯
১২ নেদারল্যান্ডস ৯,৭৬২ ৬৩৯
১৩ দক্ষিণ কোরিয়া ৯,৫৮৩ ১৫২ ৫,০৩৩
১৪ অস্ট্রিয়া ৮,৪১১ ৮৬ ৪৭৯
১৫ তুরস্ক ৭,৪০২ ১০৮ ৭০
১৬ কানাডা ৫,৬৫৫ ৬০ ৫০৮
১৭ পর্তুগাল ৫,১৭০ ১০০ ৪৩
১৮ নরওয়ে ৪,০৫৪ ২৩
১৯ অস্ট্রেলিয়া ৩,৯৬৯ ১৬ ২২৬
২০ ব্রাজিল ৩,৯০৪ ১১৪
২১ ইসরায়েল ৩,৮৬৫ ১৩ ৮৯
২২ সুইডেন ৩,৪৪৭ ১০৫ ১৬
২৩ মালয়েশিয়া ২,৪৭০ ৩৪ ৩৮৮
২৪ আয়ারল্যান্ড ২,৪১৫ ৩৬
২৫ ডেনমার্ক ২,২০১ ৬৫
২৬ চিলি ১,৯০৯ ৬১
২৭ লুক্সেমবার্গ ১,৮৩১ ১৮ ৪০
২৮ ইকুয়েডর ১,৮২৩ ৪৮
২৯ রোমানিয়া ১,৭৬০ ৩৮ ১৬৯
৩০ পোল্যান্ড ১,৭১৭ ১৯
৩১ জাপান ১,৬৯৩ ৫২ ৪০৪
৩২ রাশিয়া ১,৫৩৪ ৬৪
৩৩ পাকিস্তান ১,৫২৬ ১৩ ২৯
৩৪ ফিলিপাইন ১,৪১৮ ৭১ ৪২
৩৫ থাইল্যান্ড ১,৩৮৮ ৯৭
৩৬ ইন্দোনেশিয়া ১,২৮৫ ১১৪ ৬৪
৩৭ ফিনল্যাণ্ড ১,২২১ ১০
৩৮ সৌদি আরব ১,২০৩ ৩৭
৩৯ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,১৮৭ ৩১
৪০ গ্রীস ১,০৬১ ৩২ ৫২
৪১ ভারত ৯৮৭ ২৫ ৮৭
৪২ আইসল্যান্ড ৯৬৩ ১১৪
৪৩ পানামা ৯০১ ১৭
৪৪ মেক্সিকো ৮৪৮ ১৬
৪৫ সিঙ্গাপুর ৮০২ ১৯৮
৪৬ আর্জেন্টিনা ৭৪৫ ১৯ ৭২
৪৭ স্লোভেনিয়া ৭৩০ ১১ ১০
৪৮ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৭১৯ ২৮
৪৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদতরী) ৭১২ ১০ ৫৯৭
৫০ এস্তোনিয়া ৬৭৯ ২০
৫১ পেরু ৬৭১ ১৬ ১৬
৫২ সার্বিয়া ৬৫৯ ১১ ৪২
৫৩ ক্রোয়েশিয়া ৬৫৭ ৪৫
৫৪ কলম্বিয়া ৬০৮ ১০
৫৫ কলম্বিয়া ৬০৮ ১০
৫৬ কাতার ৫৯০ ৪৫
৫৭ হংকং ৫৮২ ১১২
৫৮ মিসর ৫৭৬ ৩৬ ১২১
৫৯ ইরাক ৫৪৭ ৪২ ১৪৩
৬০ নিউজিল্যান্ড ৫১৪ ৫৬
৬১ বাহরাইন ৪৭৬ ২৬৫
৬২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪৬৮ ৫৫
৬৩ চেক রিপাবলিক ৪৬৪
৬৪ আলজেরিয়া ৪৫৪ ২৯ ৩১
৬৫ লেবানন ৪৩৮ ১০ ৩০
৬৬ মরক্কো ৪৩৭ ২৬ ১২
৬৭ লিথুনিয়া ৪৩৭
৬৮ আর্মেনিয়া ৪২৪ ৩০
৬৯ ইউক্রেন ৪১৮
৭০ হাঙ্গেরি ৪০৮ ১৩ ৩৪
৭১ লাটভিয়া ৩৪৭
৭২ বুলগেরিয়া ৩৩৮ ১১
৭৩ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩২৩
৭৪ স্লোভাকিয়া ৩১৪
৭৫ এনডোরা ৩০৮
৭৬ উরুগুয়ে ৩০৪
৭৭ তাইওয়ান ২৯৮ ৩০
৭৮ কোস্টারিকা ২৯৫
৭৯ চেক রিপাবলিক ২৯৩
৮০ তিউনিশিয়া ২৭৮
৮১ কুয়েত ২৫৫ ৬৭
৮২ কাজাখস্তান ২৫১ ১৮
৮৩ জর্ডান ২৪৬ ১৮
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৪১
৮৫ মলদোভা ২৩১
৮৬ সান ম্যারিনো ২২৪ ২২
৮৭ আলবেনিয়া ২১২ ১০ ৩৩
৮৮ বুর্কিনা ফাঁসো ২০৭ ১১ ২১
৮৯ রিইউনিয়ন ১৮৩
৯০ আজারবাইজান ১৮২ ১৫
৯১ ভিয়েতনাম ১৭৯ ২১
৯২ সাইপ্রাস ১৭৯ ১৫
৯৩ ওমান ১৬৭ ২৩
৯৪ ফারে আইল্যান্ড ১৫৯ ৭০
৯৫ মালটা ১৪৯
৯৬ ঘানা ১৪১
৯৭ আইভরি কোস্ট ১৪০
৯৮ উজবেকিস্তান ১৩৩
৯৯ সেনেগাল ১৩০ ১৮
১০০ ব্রুনাই ১২৬ ৩৪
১০১ ভেনেজুয়েলা ১১৯ ৩৯
১০২ কিউবা ১১৯
১০৩ শ্রীলংকা ১১৫ ১০
১০৪ আফগানিস্তান ১১০
১০৫ হন্ডুরাস ১১০
১০৬ ফিলিস্তিন ১০৬ ১৮
১০৭ কম্বোডিয়া ১০৩ ২১
১০৮ গুয়াদেলৌপ ১০২ ১৭
১০৯ নাইজেরিয়া ৯৭
১১০ বেলারুশ ৯৪ ৩২
১১১ মার্টিনিক ৯৩
১১২ ক্যামেরুন ৯১
১১৩ জর্জিয়া ৯০ ১৮
১১৪ কিরগিজস্তান ৮৪
১১৫ মন্টিনিগ্রো ৮৪
১১৬ বলিভিয়া ৮১
১১৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭৬
১১৮ মায়োত্তে ৬৩
১১৯ রুয়ান্ডা ৬০
১২০ লিচেনস্টেইন ৫৬
১২১ প্যারাগুয়ে ৫৬
১২২ জিব্রাল্টার ৫৬ ১৪
১২৩ আরুবা ৪৬
১২৪ মোনাকো ৪৩
১২৫ পুয়ের্তো রিকো ৩৯
১২৬ কেনিয়া ৩৮
১২৭ ম্যাকাও ৩৪ ১০
১২৮ গুয়াতেমালা ৩৪ ১০
১২৯ গুয়াম ৩২
১৩০ জ্যামাইকা ৩২
১৩১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩০
১৩২ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৮
১৩৩ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৮
১৩৪ বার্বাডোস ২৬
১৩৫ টোগো ২৫
১৩৬ ইথিওপিয়া ১৯
১৩৭ নাইজার ১৮
১৩৮ মালদ্বীপ ১৭ ১১
১৩৯ তানজানিয়া ১৪
১৪০ মঙ্গোলিয়া ১২
১৪১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১২
১৪২ নামিবিয়া ১১
১৪৩ ডোমিনিকা ১১
১৪৪ বাহামা ১০
১৪৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১০
১৪৬ সুরিনাম
১৪৭ গিনি
১৪৮ সিসিলি
১৪৯ কেম্যান আইল্যান্ড
১৫০ গায়ানা
১৫১ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫২ গ্যাবন
১৫৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৪ ভ্যাটিকান সিটি
১৫৫ বেনিন
১৫৬ ভ্যাটিকান সিটি
১৫৭ নেপাল
১৫৮ মৌরিতানিয়া
১৫৯ সুদান
১৬০ মন্টসেরাট
১৬১ ভুটান
১৬২ কঙ্গো
১৬৩ তাজিকিস্তান
১৬৪ সেন্ট পিয়ের ও মিকুয়েলন
১৬৫ লাইবেরিয়া
১৬৬ সেন্ট লুসিয়া
১৬৭ গাম্বিয়া
১৬৮ সোমালিয়া
১৬৯ মার্কিন ভার্জিন আইল্যান্ড
১৭০ ক্রিস্টমাস আইল্যান্ড
১৭১ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
১৭২ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।

টাইমলাইন