করোনা আতঙ্কে ১০ লাখ উইঘুর মুসলিম, গুরুত্ব দিচ্ছে না চীন সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:০১ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে চীনে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। চীনের হুবেই প্রদেশে মৃত্যুর মিছিলে বৃহস্পতিবার যোগ হয়েছে আরও ১১৬ জন। এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৮৩ জনে। নতুন করে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আরও চার হাজার ৮২৩ জন। সবমিলিয়ে এ প্রদেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৯৮৬ জনে।

তবে চীন সরকার করোনা বিষয়ে হুবেইসহ অন্যান্য প্রদেশকে গুরুত্ব দিলেও গুরুত্বই দিচ্ছে না জিনজিয়াং প্রদেশের সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায় উইঘুরদের বিষয়ে। সেখানে বন্দি থাকা ১০ লক্ষাধিক মুসলিম করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ পর্যন্ত চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনুষ্ঠানিকভাবে যে সংখ্যা প্রকাশ করেছে, তাতে দেখানো হয়েছে প্রদেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার তেমন কোনো ঝুঁকি নেই। চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জিনজিয়াং প্রদেশে তুর্কিভাষী মুসলিম উইঘুর সম্প্রদায়ের বসবাস।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য বলছে, হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করার পর জিনজিয়াং প্রদেশে ৫৫ জনের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে সেখানে মারা যাওয়ার কোনো তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। সেখানে প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।

গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশের উহানে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। এরপর থেকে চীনে মহামারি আকার ধারণ করে এই ভাইরাস। ভাইরাসটি চীনের ৩১ প্রাদেশিক পর্যায়ের অঞ্চল ছাড়াও বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে। এ ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা এবং প্রাণহানি বাড়তে থাকায় বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। গতকাল বৃহস্পতিবার উহানে মারা গেছে ১১৬ জন। এতে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৮০-তে।

China

তবে উইঘুর প্রতিনিধিরা বলছেন, তারা বিতর্কিত এ বন্দিশালায় দ্রুত করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন। আর প্রদেশটিতে এ রোগ ছড়িয়ে যথেষ্ট কারণও রয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, করোনাভাইরাস ছোঁয়াচে। হাঁচি, কাশি এমনকি করমর্দনের মাধ্যমেও ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পড়ে এ রোগ।

জিনজিয়াং প্রদেশের বিতর্কিত বন্দিশালায় যথেষ্ট নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত ১০ লাখের বেশি উইঘুর মুসলিম। সেখানে জীবাণু বিনাশকারী সাবান ও বিশুদ্ধ পানির পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় এখানে মহামারি আকার ধারণ করতে পারে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, জিনজিয়াং প্রদেশের সংখ্যালঘু ১০ লাখ উইঘুর মুসলিমদের আটকে রেখেছে চীন সরকার। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, গণকারাগারে বন্দিদের আটকে রেখে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।

বিভিন্ন এনজিও ও বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ‘আসলে সেখানে কী হচ্ছে সে সম্পর্কে পৃথিবীর মানুষ খুব কমই জানতে পারছে।’ তবে বেইজিং দাবি করেছে, ক্যাম্পগুলো আসলে প্রশিক্ষণাগার। আর সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় এ ধরনের প্রশিক্ষণাগার থাকা জরুরি।

উইঘুর সম্প্রদায়ভুক্ত ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী দিলনুর রেইহান বলেছেন, ‘উইঘুর সম্প্রদায়ের লোকরা কঠিন বিপদের সম্মুখিন। করোনাভাইরাস প্রাদুভার্বের মধ্যেই আমাদের পরিবারের সদস্যরা সেখানে বসবাস করছে। আমরা জানি না তারা পর্যাপ্ত খাদ্য-পানি পাচ্ছে কি না বা তাদের যথেষ্ট মাস্ক আছে কি না।’

করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবা যাতে উইঘুর সম্প্রদায়ের ওপরে বিস্তার না করে সেখানে বন্দিশালাগুলো খুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ৩ হাজারের অধিক ব্যক্তি। চেঞ্জ.অর্গ নামের একটি পিটিশন ওয়েবসাইটে তারা এ দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ভাইরাসথ্রেথইনদ্যক্যাম্প, ডব্লিউএইচও২ইউরুমকি হ্যাশট্যাগ দিয়ে ক্যাম্পেইন করে জিনজিয়াংয়ে প্রতিনিধি পাঠানোর জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বন্দিশালাগুলোতে শতশত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার সংবাদ পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানো পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করতে পারব না। উহানে করোনাভাইরাস যেভাবে ছোবল হেনেছে তাতে আমরা সহজেই অনুমান করতে পারছি যে, আমরা যদি এখনই সোচ্চার না হই তাহলে ক্যাম্পগুলোতে কয়েক লাখ লোক আক্রান্ত হয়ে যাবে।

এসব বন্দিশালায় আটকদের সুরক্ষায় কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কি না তা সেখানকার আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের কাছে জানার চেষ্টা করে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি। কিন্তু কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

চীনের বাইরে বিশ্বে উইঘুর সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করা দ্য ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেস (ডব্লিউইউনিসি) বলেছে, এটা খুব আতঙ্কের যে, জিনজিয়াং প্রদেশে করোনাভাইরাসের আক্রমণ ঠেকাতে যদি পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেয়া হয়, তাহলে এখানে বিরাট এক গোষ্ঠী আক্রমণের শিকার হবে।

সূত্র : আল জাজিরা

এসআর/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১,৯৫,৬২,২৩৮
আক্রান্ত

৭,২৪,৩৯৪
মৃত

১,২৫,৫৮,৪১২
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ২,৫৫,১১৩ ৩,৩৬৫ ১,৪৬,৬০৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫০,৯৫,৭৪৮ ১,৬৪,১০৪ ২৬,১৭,৪৫৮
ব্রাজিল ২৯,৬৭,০৬৪ ৯৯,৭০২ ২০,৬৮,৩৯৪
ভারত ২০,৯১,৪১৬ ৪২,৬১৭ ১৪,২৯,১০০
রাশিয়া ৮,৮২,৩৪৭ ১৪,৮৫৪ ৬,৯০,২০৭
দক্ষিণ আফ্রিকা ৫,৪৫,৪৭৬ ৯,৯০৯ ৩,৯৪,৭৫৯
মেক্সিকো ৪,৬৯,৪০৭ ৫১,৩১১ ৩,১৩,৩৮৬
পেরু ৪,৬৩,৮৭৫ ২০,৬৪৯ ৩,১৪,৩৩২
চিলি ৩,৬৮,৮২৫ ৯,৯৫৮ ৩,৪২,১৬৮
১০ কলম্বিয়া ৩,৬৭,১৯৬ ১২,২৫০ ১,৯৮,৪৯৫
১১ স্পেন ৩,৬১,৪৪২ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১২ ইরান ৩,২২,৫৬৭ ১৮,১৩২ ২,৭৯,৭২৪
১৩ যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৬,৫১১ ৩৪৪
১৪ সৌদি আরব ২,৮৫,৭৯৩ ৩,০৯৩ ২,৪৮,৯৪৮
১৫ পাকিস্তান ২,৮৩,৪৮৭ ৬,০৬৮ ২,৫৯,৬০৪
১৬ ইতালি ২,৪৯,৭৫৬ ৩৫,১৯০ ২,০১,৬৪২
১৭ তুরস্ক ২,৩৮,৪৫০ ৫,৮১৩ ২,২১,৫৭৪
১৮ আর্জেন্টিনা ২,৩৫,৬৭৭ ৪,৪১১ ১,০৩,২৯৭
১৯ জার্মানি ২,১৬,৩১৫ ৯,২৫৪ ১,৯৭,৪০০
২০ ফ্রান্স ১,৯৭,৯২১ ৩১,০১৭ ৮২,৮৩৬
২১ ইরাক ১,৪৪,০৬৪ ৫,২৩৬ ১,০৩,১৯৭
২২ ফিলিপাইন ১,২৬,৮৮৫ ২,২০৯ ৬৭,১১৭
২৩ ইন্দোনেশিয়া ১,২১,২২৬ ৫,৫৯৩ ৭৭,৫৫৭
২৪ কানাডা ১,১৮,৯৮৫ ৮,৯৭০ ১,০৩,৪৩৫
২৫ কাতার ১,১২,৩৮৩ ১৮০ ১,০৯,১৪২
২৬ কাজাখস্তান ৯৭,৮২৯ ১,০৫৮ ৭১,৬০৯
২৭ মিসর ৯৫,১৪৭ ৪,৯৭১ ৫০,৫৫৩
২৮ ইকুয়েডর ৯১,৯৬৯ ৫,৮৯৭ ৭১,৪৬৩
২৯ বলিভিয়া ৮৭,৮৯১ ৩,৫২৪ ২৮,১৩৯
৩০ চীন ৮৪,৫৯৬ ৪,৬৩৪ ৭৯,১২৩
৩১ সুইডেন ৮২,৩২৩ ৫,৭৬৬ ৪,৯৭১
৩২ ওমান ৮১,০৬৭ ৫০২ ৭২,২৬৩
৩৩ ইসরায়েল ৮০,৯৯১ ৫৮১ ৫৫,৩১৩
৩৪ ইউক্রেন ৭৯,৭৫০ ১,৮৭৯ ৪৩,৬৫৫
৩৫ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৭৭,৭০৯ ১,২৫৯ ৪১,৩৯৩
৩৬ বেলজিয়াম ৭২,৭৮৪ ৯,৮৬৬ ১৭,৭২৮
৩৭ পানামা ৭২,৫৬০ ১,৫৯১ ৪৬,৬৭৫
৩৮ কুয়েত ৭০,৭২৭ ৪৭১ ৬২,৩৩০
৩৯ বেলারুশ ৬৮,৬১৪ ৫৮৩ ৬৪,২০০
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬২,০৬১ ৩৫৬ ৫৬,০১৫
৪১ রোমানিয়া ৫৯,২৭৩ ২,৬১৬ ২৯,২৮৯
৪২ নেদারল্যান্ডস ৫৭,৫০১ ৬,১৫৪ ২৫০
৪৩ গুয়াতেমালা ৫৫,২৭০ ২,১৬৮ ৪৩,১৩৫
৪৪ সিঙ্গাপুর ৫৪,৯২৯ ২৭ ৪৮,৩১২
৪৫ পর্তুগাল ৫২,৩৫১ ১,৭৪৬ ৩৮,০৮৭
৪৬ পোল্যান্ড ৫১,১৬৭ ১,৮০০ ৩৬,৪০৩
৪৭ হন্ডুরাস ৪৬,৩৬৫ ১,৪৬৫ ৬,৩৫৫
৪৮ নাইজেরিয়া ৪৫,৬৮৭ ৯৩৬ ৩২,৬৩৭
৪৯ জাপান ৪৩,৮১৫ ১,০৩৩ ৩০,১৫৩
৫০ বাহরাইন ৪৩,৩০৭ ১৫৯ ৪০,২৭৬
৫১ আর্মেনিয়া ৪০,১৮৫ ৭৮৫ ৩২,৩৯৫
৫২ ঘানা ৪০,০৯৭ ২০৬ ৩৬,৬৩৮
৫৩ কিরগিজস্তান ৩৯,৫৭১ ১,৪৫৯ ৩১,০৬২
৫৪ আফগানিস্তান ৩৭,০১৫ ১,৩০৭ ২৫,৯০৩
৫৫ সুইজারল্যান্ড ৩৬,২৬৯ ১,৯৮৬ ৩১,৯০০
৫৬ আলজেরিয়া ৩৪,১৫৫ ১,২৮২ ২৩,৬৬৭
৫৭ আজারবাইজান ৩৩,৩৭৬ ৪৮৩ ২৯,৬৯৬
৫৮ মরক্কো ৩০,৬৬২ ৪৬১ ২১,৫৪৮
৫৯ উজবেকিস্তান ২৯,৪৫৯ ১৮৫ ২০,৩৮০
৬০ সার্বিয়া ২৭,৬০৮ ৬২৬ ১৪,০৪৭
৬১ মলদোভা ২৬,৯৯০ ৮৩৫ ১৮,৯১৮
৬২ আয়ারল্যান্ড ২৬,৪৭০ ১,৭৭২ ২৩,৩৬৪
৬৩ কেনিয়া ২৫,১৩৮ ৪১৩ ১১,১১৮
৬৪ ভেনেজুয়েলা ২৪,১৬৬ ২০৮ ১২,৪৭০
৬৫ নেপাল ২২,২১৪ ৭০ ১৫,৮১৪
৬৬ কোস্টারিকা ২২,০৮১ ২১৮ ৭,২৬৬
৬৭ অস্ট্রিয়া ২১,৯১৯ ৭২১ ১৯,৮১২
৬৮ ইথিওপিয়া ২১,৪৫২ ৩৮০ ৯,৪১৫
৬৯ অস্ট্রেলিয়া ২০,৬৯৭ ২৭৮ ১১,৩২০
৭০ এল সালভাদর ১৯,৫৪৪ ৫৩৬ ৯,৩৯২
৭১ চেক প্রজাতন্ত্র ১৮,০৬০ ৩৯০ ১২,৭৪৯
৭২ ক্যামেরুন ১৭,৭১৮ ৩৯১ ১৫,৩২০
৭৩ আইভরি কোস্ট ১৬,৫২৪ ১০৪ ১২,৮০২
৭৪ দক্ষিণ কোরিয়া ১৪,৫৬২ ৩০৪ ১৩,৬২৯
৭৫ ডেনমার্ক ১৪,৪৪২ ৬১৭ ১২,৮৪০
৭৬ ফিলিস্তিন ১৩,৭২২ ৯৪ ৭,২১০
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১৩,৬৮৭ ৩৯৪ ৭,৩৭৩
৭৮ বুলগেরিয়া ১৩,২০৯ ৪৪২ ৭,৬২২
৭৯ মাদাগাস্কার ১২,৭০৮ ১৩৫ ১০,৪১২
৮০ সুদান ১১,৮৯৪ ৭৭৩ ৬,২৪৩
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১১,৫৫৪ ৫১৯ ৭,৬০৭
৮২ সেনেগাল ১০,৮৮৭ ২২৫ ৭,১৮৬
৮৩ নরওয়ে ৯,৫৫১ ২৫৬ ৮,৮৫৭
৮৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৯,৩৫৫ ২১৮ ৮,১৭৪
৮৫ মালয়েশিয়া ৯,০৬৩ ১২৫ ৮,৭২৮
৮৬ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৮,২০৪ ৪৭ ৭,৩২০
৮৭ গ্যাবন ৭,৯২৩ ৫১ ৫,৭০৪
৮৮ গিনি ৭,৭৭৭ ৫০ ৬,৮০০
৮৯ তাজিকিস্তান ৭,৭০৬ ৬২ ৭,২৩৫
৯০ হাইতি ৭,৫৯৯ ১৭৭ ৪,৮৯৩
৯১ ফিনল্যাণ্ড ৭,৫৫৪ ৩৩১ ৬,৯৮০
৯২ জাম্বিয়া ৭,৪৮৬ ২০০ ৬,২৬৪
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৭,১১৩ ১১৯ ৫,৮৪৮
৯৪ প্যারাগুয়ে ৬,৫০৮ ৬৯ ৫,১২৩
৯৫ মৌরিতানিয়া ৬,৪৯৮ ১৫৭ ৫,৪৪৩
৯৬ আলবেনিয়া ৬,১৫১ ১৮৯ ৩,২২৭
৯৭ লেবানন ৫,৯৫১ ৭০ ২,০৪২
৯৮ ক্রোয়েশিয়া ৫,৪৬৬ ১৫৫ ৪,৭৫৮
৯৯ জিবুতি ৫,৩৩৮ ৫৯ ৫,০৮৩
১০০ গ্রীস ৫,২৭০ ২১০ ১,৩৭৪
১০১ লিবিয়া ৫,০৭৯ ১০৮ ৬৬০
১০২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৪,৮২১ ৮৩ ২,১৮২
১০৩ মালদ্বীপ ৪,৭৬৯ ১৯ ২,৭৫৪
১০৪ হাঙ্গেরি ৪,৬৫৩ ৬০২ ৩,৪৯১
১০৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৬৪১ ৫৯ ১,৭১৬
১০৬ মালাউই ৪,৫৭৫ ১৩৭ ২,১৮৪
১০৭ জিম্বাবুয়ে ৪,৪৫১ ১০২ ১,৩৪৫
১০৮ হংকং ৩,৯৩৯ ৪৭ ২,৬২০
১০৯ নিকারাগুয়া ৩,৯০২ ১২৩ ২,৯১৩
১১০ কঙ্গো ৩,৬৩৭ ৫৮ ১,৫৮৯
১১১ মন্টিনিগ্রো ৩,৫৪৯ ৬১ ২,২৯৬
১১২ থাইল্যান্ড ৩,৩৪৮ ৫৮ ৩,১৫০
১১৩ সোমালিয়া ৩,২২৭ ৯৩ ১,৭২৮
১১৪ মায়োত্তে ৩,০৬৮ ৩৯ ২,৮৩৫
১১৫ ইসওয়াতিনি ৩,০৩৬ ৫৬ ১,৪৭৬
১১৬ শ্রীলংকা ২,৮৩৯ ১১ ২,৫৭৬
১১৭ কিউবা ২,৮২৯ ৮৮ ২,৪২৯
১১৮ নামিবিয়া ২,৮০২ ১৬ ৫৭৫
১১৯ কেপ ভার্দে ২,৭৮০ ২৯ ২,০৪২
১২০ স্লোভাকিয়া ২,৫৬৬ ৩১ ১,৮৬১
১২১ মালি ২,৫৬১ ১২৫ ১,৯৫৬
১২২ দক্ষিণ সুদান ২,৪৫০ ৪৭ ১,১৭৫
১২৩ স্লোভেনিয়া ২,২৩৩ ১২৫ ১,৯২৭
১২৪ লিথুনিয়া ২,২৩১ ৮১ ১,৬৬৮
১২৫ মোজাম্বিক ২,২১৩ ১৫ ৮২৭
১২৬ সুরিনাম ২,২০৩ ২৯ ১,৫০৫
১২৭ এস্তোনিয়া ২,১৪৭ ৬৯ ১,৯৬১
১২৮ রুয়ান্ডা ২,১২৮ ১,২৯৭
১২৯ গিনি বিসাউ ২,০৩২ ২৭ ৯৪৪
১৩০ আইসল্যান্ড ১,৯৫২ ১০ ১,৯০৭
১৩১ বেনিন ১,৯৩৬ ৩৮ ১,৬০০
১৩২ সিয়েরা লিওন ১,৮৮৭ ৬৮ ১,৪৩৫
১৩৩ ইয়েমেন ১,৭৯৬ ৫১২ ৯০৭
১৩৪ তিউনিশিয়া ১,৬৫৬ ৫১ ১,২৫১
১৩৫ নিউজিল্যান্ড ১,৫৬৯ ২২ ১,৫২৪
১৩৬ অ্যাঙ্গোলা ১,৫৩৮ ৬৭ ৫৪৪
১৩৭ উরুগুয়ে ১,৩২৫ ৩৭ ১,০৯৫
১৩৮ লাটভিয়া ১,২৮৮ ৩২ ১,০৭০
১৩৯ উগান্ডা ১,২৫৪ ১,১১৩
১৪০ জর্ডান ১,২৩৭ ১১ ১,১৭৮
১৪১ লাইবেরিয়া ১,২৩০ ৭৮ ৭০৫
১৪২ সাইপ্রাস ১,২২২ ১৯ ৮৫৬
১৪৩ জর্জিয়া ১,২১৬ ১৭ ৯৯৬
১৪৪ বুর্কিনা ফাঁসো ১,১৫৮ ৫৪ ৯৬১
১৪৫ নাইজার ১,১৫৩ ৬৯ ১,০৫৭
১৪৬ গাম্বিয়া ১,০৯০ ১৯ ১৪৬
১৪৭ সিরিয়া ১,০৬০ ৪৮ ৩১১
১৪৮ টোগো ১,০২৮ ২২ ৭১০
১৪৯ মালটা ৯৯৫ ৬৭৫
১৫০ জ্যামাইকা ৯৮৭ ১৩ ৭৪৫
১৫১ এনডোরা ৯৫৫ ৫২ ৮৩৯
১৫২ চাদ ৯৪২ ৭৬ ৮৩৮
১৫৩ বাহামা ৮৩০ ১৪ ৯৫
১৫৪ বতসোয়ানা ৮০৪ ৬৩
১৫৫ ভিয়েতনাম ৭৮৯ ১০ ৩৯৫
১৫৬ লেসোথো ৭৪২ ২৩ ১৭৫
১৫৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৫৮ সান ম্যারিনো ৬৯৯ ৪৫ ৬৫৭
১৫৯ রিইউনিয়ন ৬৭৫ ৬৩১
১৬০ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৯৭ ৪৮ ৫৫৫
১৬১ গায়ানা ৫৩৮ ২৩ ১৮৯
১৬২ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৬৩ তাইওয়ান ৪৭৯ ৪৪৩
১৬৪ বুরুন্ডি ৪০০ ৩০৪
১৬৫ আরুবা ৩৯৬ ১১৪
১৬৬ কমোরস ৩৯৬ ৩৫৩
১৬৭ মায়ানমার ৩৫৯ ৩০৯
১৬৮ মরিশাস ৩৪৪ ১০ ৩৩৪
১৬৯ মার্টিনিক ৩৩৬ ১৬ ৯৮
১৭০ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৭১ মঙ্গোলিয়া ২৯৩ ২৬০
১৭২ ফারে আইল্যান্ড ২৯১ ১৯৩
১৭৩ গুয়াদেলৌপ ২৯০ ১৪ ১৮৬
১৭৪ ইরিত্রিয়া ২৮৫ ২৪৫
১৭৫ কম্বোডিয়া ২৪৬ ২১৫
১৭৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ২২৫ ১৩৫
১৭৭ কেম্যান আইল্যান্ড ২০৩ ২০২
১৭৮ জিব্রাল্টার ১৯০ ১৮৪
১৭৯ পাপুয়া নিউ গিনি ১৮৮ ৫৩
১৮০ সিন্ট মার্টেন ১৭৬ ১৬ ৮৬
১৮১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১৭০ ৩৯
১৮২ বারমুডা ১৫৭ ১৪৪
১৮৩ ব্রুনাই ১৪২ ১৩৮
১৮৪ বার্বাডোস ১৩৮ ১০০
১৮৫ মোনাকো ১২৮ ১০৫
১৮৬ সিসিলি ১২৬ ১২৫
১৮৭ বেলিজ ১১৪ ৩২
১৮৮ ভুটান ১০৮ ৯৬
১৮৯ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯২ ৭৬
১৯০ লিচেনস্টেইন ৮৯ ৮৫
১৯১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬৯ ৬২
১৯২ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৫৬ ৪৯
১৯৩ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯৪ সেন্ট মার্টিন ৫৩ ৪১
১৯৫ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৬ কিউরাসাও ৩১ ৩০
১৯৭ ফিজি ২৭ ১৮
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২৫ ২৪
১৯৯ পূর্ব তিমুর ২৫ ২৪
২০০ গ্রেনাডা ২৪ ২৩
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২২ ২২
২০২ লাওস ২০ ১৯
২০৩ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৪ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৭ ১৬
২০৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৬ মন্টসেরাট ১৩ ১০
২০৭ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৩
২০৮ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৯ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১০ পশ্চিম সাহারা ১০
২১১ জান্ডাম (জাহাজ)
২১২ সেন্ট বারথেলিমি
২১৩ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।

টাইমলাইন  

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]