শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে সেই ‘গোপন ভাইরাস ল্যাব’র দায়িত্ব দিল চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৫৯ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে অবস্থিত ‘খুবই গোপনীয়’ ভাইরাসের ল্যাবরেটরির দায়িত্ব একজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে দিয়েছে চীন। চেং ওয়েই নামের একজন মেজর জেনারেল ও জৈবঅস্ত্র বিশেষজ্ঞ এই ল্যাবে নিয়োগ পেয়েছেন।

কথিত রয়েছে, গোপন ভাইরাসের এই গবেষণাগার থেকেই ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। আর এই ভাইরাস ফাঁস হওয়ার পেছনে দেশটির সেনাবাহিনীর হাত রয়েছে। শুক্রবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেয়ার আগে গত মাসের শেষের দিকে মেজর জেনারেল চেং ওয়েইকে উহানে নিয়ে আসে কেন্দ্রীয় সরকার।

চীনা সরকারি কর্মকর্তারদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কীভাবে অতি দ্রুততম সময়ে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা যায় তা নিয়ে কাজ করছেন ৫৪ বছরের চেং। ৩০ জানুয়ারি থেকে উহানেই একটি সুরক্ষিত জায়গা থেকে টিম নিয়ে এ কাজটি করছিলেন এই জৈবঅস্ত্র বিশেষজ্ঞ।

চীনের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ভ্যাকসিনের একজন শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ চেং। ২০০৩ সালে সার্স ভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করলে এক ধরনের মেডিকেল স্প্রে উদ্ভাবন করেন তিনি। তার এ উদ্ভাবনের ফলে চীনের প্রায় ১৪ হাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রাণঘাতী এই ভাইরাস থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন চীনা রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইবোলা ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের কারণে ‘টার্মিনেটর অব ইবোলা’ নামেও পরিচিত চীনের এই নারী শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা।

করোনাভাইরাস মোকাবিলা প্রসঙ্গে চেং বলেছেন, ‘এই মহামারি একটা সামরিক পরিস্থিতির মতো। এর উৎপত্তিস্থল যুদ্ধক্ষেত্রের সমান।’

তবে চেং ঠিক কবে থেকে উহানে রয়েছে সে বিষয়ে খুবই ধারণা রয়েছে চীনের গণমাধ্যমগুলোর। তবে প্যারিসভিত্তিক রেডিও ফ্রান্স ইন্টারন্যাশনালে গত শনিবার দাবি করে বলেছে, ইতোমধ্যে উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির দায়িত্ব নিয়েছেন চেং।

গোপন এই ল্যাবটি খোলা হয় ২০১৮ সালের নভেম্বরে। পি৪ শ্রেণিভুক্ত ল্যাবটি সর্বোচ্চ পর্যায়ের জৈব-সুরক্ষিত।

চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দৌবান ডটকমে প্রকাশিত একটি পোস্টের বরাত দিয়ে একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উহানে করোনাভাইরাসের পেছনে ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি ও চীনা সেনাবাহিনীর যোগসূত্র রয়েছে। আর সন্দেহের কারণ হলো, এই ল্যাবটিতে জৈবঅস্ত্র নিয়ে গবেষণা করছিলেন চীনা সেনারা। এটা এমনি এমনি বাতাসে আসেনি। প্রতিবেদনটির তথ্যমতে, জৈব অস্ত্র নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।

ভাইরাস লিক হওয়ার দাবিটি করা হয় মূলত দ্য ওয়াশিংটন টাইমসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে। ওই প্রতিবেদনে ড্যানি সোহাম নামের ইসরায়েলের সাবেক একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, জৈব অস্ত্র নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে দুর্ঘটনাক্রমে ল্যাব থেকে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। তবে চীনা কর্তৃপক্ষ প্রথম থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

তবে অপর একটি সূত্র মতে, চীনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ভাইরাস ছড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র।

চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের দেয়া হিসাব অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার নতুন করে ১২২ জনসহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা এখন ১৩৮১। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৬৪ হাজার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চীনের এই ভাইরাসকে গোটা বিশ্বের জন্য মারাত্মক হুমকি অভিহিত করে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনের বাইরে এখন পর্যন্ত তিনজন মানুষ মারা গেছে। এদিকের জাপানে নোঙ্গর করে রাখা একটি প্রমোদতরীতে নতুন করে আরও ৪৪ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে কোয়ারেন্টাইনে থাকা ওই প্রমোদতরীতে করোনাআক্রান্ত যাত্রীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১৮ জনে।

চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের সহকারী মন্ত্রী জেং ইশিন বলেন, ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে ১ হাজার ১০২ জন চিকিৎসাকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া হুবেই প্রদেশের অন্যান্য এলাকায় আরও ৪০০ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত। চিকিৎসা কর্মীদের ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বাড়ছেই।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট রোগের আনুষ্ঠানিক নাম দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। ১১ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় সংস্থাটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে হু’র প্রধান তেদরোস আদহানম জানান, নতুন এ রোগটি এখন থেকে COVID-19 নামে পরিচিত হবে। তিনি বলেন, ভাইরাসটির নামের CO দিয়ে করোনা, VI দিয়ে ভাইরাস, D দিয়ে ডিজিজ (রোগ) এবং 19 দিয়ে ২০১৯ সালকে নির্দেশ করা হয়েছে।

এসআর/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৬,০৩,৭৫১
আক্রান্ত

৯৫,৭৩১
মৃত

৩,৫৬,৬৫৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩৩০ ২১ ৩৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪,৬৮,৫৬৬ ১৬,৬৯৭ ২৫,৯২৮
স্পেন ১,৫৩,২২২ ১৫,৪৪৭ ৫২,১৬৫
ইতালি ১,৪৩,৬২৬ ১৮,২৭৯ ২৮,৪৭০
জার্মানি ১,১৮,২৩৫ ২,৬০৭ ৫২,৪০৭
১০ ফ্রান্স ১,১৭,৭৪৯ ১২,২১০ ২৩,২০৬
১১ চীন ৮১,৯০৭ ৩,৩৩৬ ৭৭,৪৫৫
১২ ইরান ৬৬,২২০ ৪,১১০ ৩২,৩০৯
১৩ যুক্তরাজ্য ৬৫,০৭৭ ৭,৯৭৮ ১৩৫
১৪ তুরস্ক ৪২,২৮২ ৯০৮ ২,১৪২
১৬ বেলজিয়াম ২৪,৯৮৩ ২,৫২৩ ৫,১৬৪
১৭ সুইজারল্যান্ড ২৪,০৫১ ৯৪৮ ১০,৬০০
১৮ নেদারল্যান্ডস ২১,৭৬২ ২,৩৯৬ ২৫০
১৯ কানাডা ২০,৭৬৫ ৫০৯ ৫,৩১১
২০ ব্রাজিল ১৮,১৭৬ ৯৫৭ ১৭৩
২১ পর্তুগাল ১৩,৯৫৬ ৪০৯ ২০৫
২২ অস্ট্রিয়া ১৩,২৪৪ ২৯৫ ৫,২৪০
২৪ দক্ষিণ কোরিয়া ১০,৪৫০ ২০৮ ৭,১১৭
২৫ রাশিয়া ১০,১৩১ ৭৬ ৬৯৮
২৬ ইসরায়েল ৯,৯৬৮ ৮৬ ১,০১১
২৭ সুইডেন ৯,১৪১ ৭৯৩ ২০৫
২৯ ভারত ৬,৭২৫ ২২৭ ৬৩৫
৩০ আয়ারল্যান্ড ৬,৫৭৪ ২৬৩ ২৫
৩১ নরওয়ে ৬,২১৯ ১০৮ ৩২
৩২ অস্ট্রেলিয়া ৬,১৫২ ৫২ ২,৯৮৭
৩৩ চিলি ৫,৯৭২ ৫৭ ১,২৭৪
৩৪ ডেনমার্ক ৫,৬৩৫ ২৩৭ ১,৭৩৬
৩৫ পোল্যান্ড ৫,৫৭৫ ১৭৪ ২৮৪
৩৬ চেক প্রজাতন্ত্র ৫,৫৬৯ ১১২ ৩০১
৩৭ পেরু ৫,২৫৬ ১৩৮ ১,৪৩৮
৩৮ রোমানিয়া ৫,২০২ ২৪৮ ৬৪৭
৩৯ জাপান ৪,৯৭৯ ৯৯ ৬৮৫
৪০ ইকুয়েডর ৪,৯৬৫ ২৭২ ৩৩৯
৪১ পাকিস্তান ৪,৪৮৯ ৬৫ ৫৭২
৪২ মালয়েশিয়া ৪,২২৮ ৬৭ ১,৬০৮
৪৩ ফিলিপাইন ৪,০৭৬ ২০৩ ১২৪
৪৪ মেক্সিকো ৩,৪৪১ ১৯৪ ৬৩৩
৪৫ ইন্দোনেশিয়া ৩,২৯৩ ২৮০ ২৫২
৪৬ সৌদি আরব ৩,২৮৭ ৪৪ ৬৬৬
৪৭ লুক্সেমবার্গ ৩,১১৫ ৫২ ৫০০
৪৮ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২,৯৯০ ১৪ ২৬৮
৪৯ সার্বিয়া ২,৮৬৭ ৬৬ ১১৮
৫০ পানামা ২,৭৫২ ৬৬ ১৬
৫১ ফিনল্যাণ্ড ২,৬০৫ ৪২ ৩০০
৫২ থাইল্যান্ড ২,৪২৩ ৩২ ৯৪০
৫৩ কাতার ২,৩৭৬ ২০৬
৫৪ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,৩৪৯ ১১৮ ৮০
৫৫ কলম্বিয়া ২,২২৩ ৬৯ ১৭৪
৫৬ গ্রীস ১,৯৫৫ ৮৭ ২৬৯
৫৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৯৩৪ ১৮ ৯৫
৫৮ সিঙ্গাপুর ১,৯১০ ৪৬০
৫৯ আর্জেন্টিনা ১,৮৯৪ ৭৯ ৩৬৫
৬০ ইউক্রেন ১,৮৯২ ৫৭ ৪৫
৬১ মিসর ১,৬৯৯ ১১৮ ৩৪৮
৬২ আলজেরিয়া ১,৬৬৬ ২৩৫ ৩৪৭
৬৩ আইসল্যান্ড ১,৬৪৮ ৬৮৮
৬৪ বেলারুশ ১,৪৮৬ ১৬ ১৩৯
৬৫ ক্রোয়েশিয়া ১,৪০৭ ২০ ২১৯
৬৬ মরক্কো ১,৩৭৪ ৯৭ ১০৯
৬৭ মলদোভা ১,২৮৯ ২৯ ৫০
৬৮ নিউজিল্যান্ড ১,২৮৩ ৩৭৩
৬৯ ইরাক ১,২৩২ ৬৯ ৪৯৬
৭০ এস্তোনিয়া ১,২০৭ ২৪ ৮৩
৭১ স্লোভেনিয়া ১,১২৪ ৪৩ ১২৮
৭২ হাঙ্গেরি ৯৮০ ৬৬ ৯৬
৭৩ হংকং ৯৭৪ ২৯৩
৭৪ লিথুনিয়া ৯৫৫ ১৬
৭৫ আজারবাইজান ৯২৬ ১০১
৭৬ আর্মেনিয়া ৯২১ ১০ ১৩৮
৭৭ কুয়েত ৯১০ ১১১
৭৮ বাহরাইন ৮৮৭ ৫১৯
৭৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৮৫৮ ৩৫ ১০১
৮০ ক্যামেরুন ৮০৩ ১২ ৬১
৮১ কাজাখস্তান ৭৮১ ৬০
৮৩ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১১ ৬১৯
৮৪ স্লোভাকিয়া ৭০১ ২৩
৮৫ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬৬৩ ৩০ ৩৭
৮৬ তিউনিশিয়া ৬৪৩ ২৫ ২৫
৮৭ বুলগেরিয়া ৬১৮ ২৪ ৪৮
৮৮ লাটভিয়া ৫৮৯ ১৬
৮৯ এনডোরা ৫৮৩ ২৫ ৫৮
৯০ লেবানন ৫৮২ ১৯ ৬৭
৯১ উজবেকিস্তান ৫৮২ ৩৮
৯২ সাইপ্রাস ৫৬৪ ১০ ৫৩
৯৩ কোস্টারিকা ৫৩৯ ৩০
৯৪ কিউবা ৫১৫ ১৫ ২৮
৯৫ আফগানিস্তান ৪৮৪ ১৫ ৩২
৯৬ উরুগুয়ে ৪৭৩ ২০৬
৯৭ ওমান ৪৫৭ ১০৯
৯৮ আইভরি কোস্ট ৪৪৪ ৫২
৯৯ বুর্কিনা ফাঁসো ৪৪৩ ২৪ ১৪৬
১০০ নাইজার ৪১০ ১১ ৪০
১০১ আলবেনিয়া ৪০৯ ২৩ ১৬৫
১০২ তাইওয়ান ৩৮০ ৮০
১০৩ ঘানা ৩৭৮ ৩৪
১০৪ জর্ডান ৩৭২ ১৬১
১০৫ রিইউনিয়ন ৩৬২ ৪০
১০৬ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩৬১ ৪০
১০৭ হন্ডুরাস ৩৪৩ ২৩
১০৮ মালটা ৩৩৭ ১৬
১০৯ সান ম্যারিনো ৩৩৩ ৩৪ ৪৯
১১০ মরিশাস ৩১৪ ২৩
১১১ নাইজেরিয়া ২৮৮ ৫১
১১২ কিরগিজস্তান ২৮০ ৩৫
১১৩ বলিভিয়া ২৬৮ ১৯
১১৪ ফিলিস্তিন ২৬৩ ৪৪
১১৫ ভিয়েতনাম ২৫৫ ১২৮
১১৬ মন্টিনিগ্রো ২৫২
১১৭ সেনেগাল ২৫০ ১২৩
১১৮ জর্জিয়া ২১৮ ৫১
১১৯ গিনি ১৯৪ ১১
১২০ শ্রীলংকা ১৯০ ৪৯
১২১ আইল অফ ম্যান ১৯০ ৯২
১২২ ফারে আইল্যান্ড ১৮৪ ১৩৬
১২৩ মায়োত্তে ১৮৪ ২৬
১২৪ কেনিয়া ১৮৪ ১২
১২৫ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১৮০ ১৮
১২৬ ভেনেজুয়েলা ১৭১ ৮৪
১২৭ মার্টিনিক ১৫৪ ৫০
১২৮ গুয়াদেলৌপ ১৪৩ ৬৭
১২৯ জিবুতি ১৪০ ২৮
১৩০ ব্রুনাই ১৩৫ ৯২
১৩১ প্যারাগুয়ে ১২৯ ১৮
১৩২ গুয়াতেমালা ১২৬ ১৭
১৩৩ জিব্রাল্টার ১২৩ ৬০
১৩৪ কম্বোডিয়া ১১৯ ৬৩
১৩৫ রুয়ান্ডা ১১৩
১৩৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১০৯
১৩৭ এল সালভাদর ১০৩ ১৪
১৩৮ মাদাগাস্কার ৯৩ ১১
১৩৯ মোনাকো ৮৪
১৪০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৮৩ ৪৩
১৪১ আরুবা ৮২ ২০
১৪২ লিচেনস্টেইন ৭৮ ৫৫
১৪৩ মালি ৭৪ ২২
১৪৪ টোগো ৭৩ ২৪
১৪৫ বার্বাডোস ৬৬ ১১
১৪৬ জ্যামাইকা ৬৩ ১৩
১৪৭ কঙ্গো ৬০
১৪৮ ইথিওপিয়া ৫৬
১৪৯ উগান্ডা ৫৩
১৫০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৫১
১৫১ বারমুডা ৪৮ ২৫
১৫২ ম্যাকাও ৪৫ ১০
১৫৩ কেম্যান আইল্যান্ড ৪৫
১৫৪ গ্যাবন ৪৪
১৫৫ সিন্ট মার্টেন ৪৩
১৫৬ বাহামা ৪১
১৫৭ জাম্বিয়া ৩৯ ২৪
১৫৮ গায়ানা ৩৭
১৫৯ গিনি বিসাউ ৩৬
১৬০ ইরিত্রিয়া ৩৩
১৬১ সেন্ট মার্টিন ৩২
১৬২ লাইবেরিয়া ৩১
১৬৩ হাইতি ৩০
১৬৪ মায়ানমার ২৭
১৬৫ বেনিন ২৬
১৬৬ তানজানিয়া ২৫
১৬৭ লিবিয়া ২৪
১৬৮ মালদ্বীপ ১৯ ১৩
১৬৯ সিরিয়া ১৯
১৭০ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৯
১৭১ অ্যাঙ্গোলা ১৯
১৭২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮
১৭৩ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৮
১৭৪ মোজাম্বিক ১৭
১৭৫ ডোমিনিকা ১৬
১৭৬ মঙ্গোলিয়া ১৬
১৭৭ নামিবিয়া ১৬
১৭৮ লাওস ১৬
১৭৯ ফিজি ১৬
১৮০ সুদান ১৫
১৮১ সেন্ট লুসিয়া ১৪
১৮২ কিউরাসাও ১৪
১৮৩ বতসোয়ানা ১৩
১৮৪ গ্রেনাডা ১২
১৮৫ ইসওয়াতিনি ১২
১৮৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১২
১৮৭ সোমালিয়া ১২
১৮৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১১ ১১
১৮৯ সিসিলি ১১
১৯০ জিম্বাবুয়ে ১১
১৯১ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১১
১৯২ চাদ ১১
১৯৩ সুরিনাম ১০
১৯৪ জান্ডাম (জাহাজ)
১৯৫ নেপাল
১৯৬ মন্টসেরাট
১৯৭ বেলিজ
১৯৮ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক
১৯৯ ভ্যাটিকান সিটি
২০০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড
২০১ মালাউই
২০২ কেপ ভার্দে
২০৩ মৌরিতানিয়া
২০৪ নিকারাগুয়া
২০৫ সিয়েরা লিওন
২০৬ সেন্ট বারথেলিমি
২০৭ ভুটান
২০৮ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড
২০৯ গাম্বিয়া
২১০ পশ্চিম সাহারা
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ
২১৪ বুরুন্ডি
২১৫ দক্ষিণ সুদান
২১৬ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১৭ পাপুয়া নিউ গিনি
২১৮ পূর্ব তিমুর
২১৯ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।

টাইমলাইন