করোনাভাইরাসের প্রথম প্রতিষেধক পেল যুক্তরাষ্ট্র!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৩৫ পিএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

রবিন অ্যাডিসনের কাছে গত ২০ জানুয়ারি সোমবার রাতটি অন্যান্য রাতের মতোই ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের এভারেট প্রোভিডেন্স রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারের নিজের কাজ শেষে বাসায় ফিরে পাজামা পরেই বিছানায় যান; ঘুমানোর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। কিন্তু রাত সাড়ে ৮টার দিকে এক সহকর্মী নার্সের টেলিফোন পান তিনি।

তিনি যতদূর মনে করতে পারেন, ফোন করে সারাহ উইলকারসন তাকে বলেন, ‘রবিন, আমি মনে করছি, আমাদের ইউনিট আবার খোলা দরকার।’ ইউনিটটি একটি পপ-আপ বায়োহ্যাজার্ড চেম্বার; যা সংক্রামক রোগে আক্রান্ত কাউকে পৃথকীকরণের (কোয়ারেন্টাইন) জন্য তৈরি করা।

ইবোলা আক্রান্ত রোগীর কথা মাথায় রেখে ২০১৫ সালে খোলা হলেও, গত চার বছর ধরে কখনও সেটি ব্যবহার করা হয়নি। উইলকারসন হলেন হাসপাতালের ইনফেকশন প্রিভেনশন ম্যানেজার। তিনি রবিনকে ব্যাখ্যা করেন, স্থানীয় এক ব্যক্তি নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন; যিনি যুক্তরাষ্ট্রে এই ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম ব্যক্তি।

এমন কথা শোনার পর অ্যাডিসন তার কাঁথা-কম্বল রেখে বিছানা ছেড়ে উঠে পড়েন, তারপর সোজা চলে যান হাসপাতালে। যখন ওয়াশিংটনের স্নোহোমিশ কাউন্টির ওই করোনা আক্রান্ত রোগীর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়; তখন এ ভাইরাস এবং বিস্তার সম্পর্কে সামান্য কিছুই জানা গেছে। এটার কোনও প্রতিষেধক কিংবা টিকাও আবিষ্কার হয়নি।

jagonews24

নতুন করোনাভাইরাস যার আনুষ্ঠানিক নাম সার্স-কভ-২। এ ভাইরাস আক্রান্ত হলে যে রোগ হয় তার নাম কোভিড-১৯। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে ৭১ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ১৭ শতাধিক। যার বেশিরভাগই চীনের নাগরিক। দুই ডজনের বেশি দেশে এখন এ ভাইরাস ছড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ জন

যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম যে ব্যক্তি এ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন, তার নাম প্রকাশ না হলেও বয়স বলা হচ্ছে ৩৫ বছর। তিনি সম্প্রতি চীন সফর করেন। গত ১৫ জানুয়ারি সিয়াটল-টাকোমা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। যুক্তরাষ্ট্রে যে ১১টি বিমানবন্দরে যাত্রীদের ক্লিনিক্যাল স্ক্রিনিং করা হচ্ছে, তার মধ্যে এটি একটি।

তিনি যখন বাড়ি ফিরে আসেন, তখনই তার সামান্য জ্বরের সঙ্গে শুষ্ক কাশি শুরু হয়। করোনাভাইরাস সম্পর্কে জানার পরপরই তিনি জরুরি সেবাদানকারী একটি ক্লিনিকে যান। এরপর স্নোহোমিশ হেলথ ডিস্ট্রিক্ট তার শরীর থেকে পাওয়া নমুন আটলান্টায় রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রে (সিডিসি) পাঠায়; ফলাফল আসে তিনি করোনাভাইরাস পজিটিভ।

তার পরই হাসপাতাল থেকে ডাক আসে অ্যাডিসনের। করোনা আক্রান্ত এই রোগীকে হাসপাতালের ওই ইউনিটে ভর্তি করা হয়, যেখানে এর আগে কোনো রোগী ভর্তি হয়নি। এরপর অ্যাডিসন এবং উইলকারসনসহ হাসপাতালের সবচেয়ে সেরাদের নিয়ে একটি দল গঠন করা হয়। যাতে ঠাঁই হয় বিশেষজ্ঞ সব চিকিৎসকের।

উইলকারসনের কাছ থেকে অ্যাডিসন ফোন পাওয়ার ঘণ্টা দুয়েক পর বায়োহ্যাজার্ড টিম আইসোলেশন ইউনিট তৈরি করে। করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তিকে সেখানে স্থানান্তর করা হয়। সরানো যেতে পারে এমন দেয়াল দেয়া হয় সেখানে। পাশাপাশি যাতে বাতাস কোনোভাবে ভেতর থেকে বাইরে যেতে না পারে সে ব্যবস্থাও করা হয়।

হাসপাতালে রোগীকে ভর্তি করার পর ওই বিভাগের প্রধান দিয়াজ পাশের কক্ষ থেকে ‘টেলি-হেলথ সিস্টেম’ ব্যবহার করে তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন। মূলত ভিডিও কলের মাধ্যমে রোগীর সঙ্গে কথা বলা ও রোগীকে দেখার মাধ্যমে এ কাজ করেন তিনি।

jagonews24

পরে সেখান থেকে রুটিনমাফিক অনেক কাজ করা হয়। তিনজন চিকিৎসক আর হাসপাতালের সবদিক থেকে নার্স নিয়ে ২০ সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়; যারা পালাক্রমে ওই রোগীর দেখাশোনা করেন। রোগীর গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সর্বশেষ অবস্থার খোঁজ রাখেন তারা। এছাড়া তাকে নিয়মিত ইন্ট্রাভেনাস থেরাপি (আইভি) দেন।

কিন্তু মেডিকেল টিমকে এ কাজে সুরক্ষার জন্য যা পরতে হচ্ছিল; তাতে তাদের কাজ কঠিন হয়ে যায়। তাদের রেসপিরেটরি হেলমেট পরতে হয়, যাতে ছিল প্লাস্টিকের সেফগার্ড। তারা দ্বিগুণ গ্লাভস পরা শুরু করেন। এতে এমন এক পরিস্থিতির তৈরি হয়; যাতে একজন নার্সের পক্ষে চার ঘণ্টার বেশি ডিউটি করা সম্ভব হয় না।

অ্যাডিসন বলেন, ‘ইন্ট্রাভেনাসের থেরাপি দেয়ার মতো আমরা প্রতিদিন যা যা করছিলাম তাতে মনে হচ্ছিল যে, অবস্থা বেশ জটিল। আমাদের দুই জোড়া গ্লাভস পরতে হচ্ছিল। এটা তো ছিল ভিন্ন ভিন্ন দক্ষতাসম্পন্ন মানুষের কাজ। কিন্তু আমাদের সব করতে হচ্ছিল। এমন সুরক্ষিত পোশাক-পরিচ্ছদ আমাদের শিরাগুলোকেও মুক্তি দিচ্ছিল না।’

এর পাঁচদিন পর করোনা আক্রান্ত ওই রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকে। ষষ্ঠ দিন তাকে অক্সিজেন দেয়ার প্রয়োজন পড়ে এবং তার ফুসফুসের এক্স-রে করা হয়। দেখা যায়, রোগীর শরীরে নিউমোনিয়া বাসা বাঁধতে শুরু করেছে। এই নিউমোনিয়া হলো করোনাভাইরাসের অন্যতম উপসর্গ

রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের চিকিৎসকদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করে ওই বিভাগের প্রধান যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় ওষুধ প্রশাসনের কাছ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ‘রেমডেসিভির’ অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ প্রয়োগের অনুমোদন পান। ইবোলা আক্রান্ত রোগীর জন্য তৈরি করা এ পদ্ধতি নিরাপদ প্রমাণিত হলেও ভাইরাস নির্মূলে ফলপ্রসূ হয়নি।

তবে গবেষকরা মার্স-করোনাভাইরাস হয়েছে এমন বানরের ওপর প্রয়োগের পর সফলতা পেয়েছেন। চীনও কোভিড-১৯ রোগের জন্য দায়ী নতুন এই করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে পরীক্ষামূলকভাবে একটি অ্যান্টিভাইরালের ব্যবহার শুরু করেছে, যেটি ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক গিলিড ফার্মাসিটিউক্যালসের তৈরি।

ফ্যাপিলাভির নামে আরেকটি অ্যান্টিভাইরাল নভেল করোনাভাইরাসের চিকিৎসা করতে সক্ষম বলে তা বাজারজাতকরণের অনুমতি দিয়েছে চীনের ঝেঝিয়াং প্রদেশের সরকার। চীনে এটাই প্রথম অ্যান্টি-নভেল করোনাভাইরাস প্রতিষেধক; যা চীনের ন্যাশনাল মেডিকেল প্রোডাক্টস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনেরও অনুমোদন পেয়েছে।

হাসপাতালটির যে বিভাগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা চলছিল তার প্রধান দিয়াজ বলেন, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের অনুমোদন পাওয়ার পর তিনি যে অ্যান্টিভাইরাল ব্যবহারের অনুমোদন পান তা ওই রোগীর ওপর প্রয়োগের কয়েক দিন পর তার জ্বর কমতে শুরু করে এবং তিনি সুস্থ বোধ করেন।

পরে রোগীকে হাসপাতাল থেকে কত দিন পর ছেড়ে দেয়া যাবে সে ব্যাপারে আলোচনার জন্য দিয়াজ সিডিসির চিকিৎসকদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে শুরু করেন। ছেড়ে দেয়ার পর কীভাবে তাকে পর্যবেক্ষণ করা হবে; তা নিয়েও ভাবতে শুরু করেন তারা। গত জানুয়ারি ৩১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ওই রোগী বাড়ি ফেরেন।

তিনি জানান, এ চিকিৎসা পদ্ধতি অন্যদের ক্ষেত্রে কতটা ভালোভাবে কাজ করবে তা নিয়ে আগাম কিছু বলার সময় এখনও আসেনি। তবে এর ফল খুবই আশা জাগানিয়া। মার্কিন এ চিকিৎসক বলেন, ‘এটাই করোনাভাইরাসের চিকিৎসা হিসেবে প্রথম এবং একমাত্র সফলতা হলেও এ পদ্ধতি যে কাজ করছে তা বেশ ভালোই বোঝা যাচ্ছে।’

সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট, চায়না ডেইলি।

এসএ/এসআইএস/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,৮৩,৬৯৪
আক্রান্ত

৩২,১৫৫
মৃত

১,৪৬,৩৯৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৮ ১৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,২৩,৮২৮ ২,২৩১ ৩,২৩৮
ইতালি ৯২,৪৭২ ১০,০২৩ ১২,৩৮৪
চীন ৮১,৪৩৯ ৩,৩০০ ৭৫,৪৪৮
স্পেন ৭৮,৭৯৭ ৬,৫২৮ ১৪,৭০৯
জার্মানি ৫৮,২৪৭ ৪৫৫ ৮,৪৮১
ইরান ৩৮,৩০৯ ২,৬৪০ ১২,৩৯১
ফ্রান্স ৩৭,৫৭৫ ২,৩১৪ ৫,৭০০
যুক্তরাজ্য ১৯,৫২২ ১,২৩৫ ১৩৫
১০ সুইজারল্যান্ড ১৪,৫৯৩ ২৯০ ১,৫৯৫
১১ নেদারল্যান্ডস ১০,৮৬৬ ৭৭১
১২ বেলজিয়াম ১০,৮৩৬ ৪৩১ ১,৩৫৯
১৩ দক্ষিণ কোরিয়া ৯,৫৮৩ ১৫২ ৫,০৩৩
১৪ অস্ট্রিয়া ৮,৫৩৬ ৮৬ ৪৭৯
১৫ তুরস্ক ৭,৪০২ ১০৮ ৭০
১৬ পর্তুগাল ৫,৯৬২ ১১৯ ৪৩
১৭ কানাডা ৫,৬৫৫ ৬১ ৫০৮
১৮ নরওয়ে ৪,২৩৫ ২৫
১৯ অস্ট্রেলিয়া ৩,৯৬৯ ১৬ ২২৬
২০ ব্রাজিল ৩,৯০৪ ১১৭
২১ ইসরায়েল ৩,৮৬৫ ১৪ ৮৯
২২ সুইডেন ৩,৭০০ ১১০ ১৬
২৩ মালয়েশিয়া ২,৪৭০ ৩৪ ৩৮৮
২৪ আয়ারল্যান্ড ২,৪১৫ ৩৬
২৫ ডেনমার্ক ২,৩৯৫ ৭২
২৬ চিলি ১,৯০৯ ৬১
২৭ লুক্সেমবার্গ ১,৮৩১ ১৮ ৪০
২৮ ইকুয়েডর ১,৮২৩ ৪৮
২৯ পোল্যান্ড ১,৭৭১ ২০
৩০ রোমানিয়া ১,৭৬০ ৪০ ১৬৯
৩১ জাপান ১,৬৯৩ ৫২ ৪২৪
৩২ রাশিয়া ১,৫৩৪ ৬৪
৩৩ পাকিস্তান ১,৫২৬ ১৩ ২৯
৩৪ ফিলিপাইন ১,৪১৮ ৭১ ৪২
৩৫ থাইল্যান্ড ১,৩৮৮ ৯৭
৩৬ সৌদি আরব ১,২৯৯ ৬৬
৩৭ ইন্দোনেশিয়া ১,২৮৫ ১১৪ ৬৪
৩৮ ফিনল্যাণ্ড ১,২৩৯ ১১ ১০
৩৯ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,১৮৭ ৩১
৪০ গ্রীস ১,০৬১ ৩৭ ৫২
৪১ আইসল্যান্ড ১,০২০ ১১৪
৪২ ভারত ৯৮৭ ২৫ ৮৭
৪৩ পানামা ৯০১ ১৭
৪৪ মেক্সিকো ৮৪৮ ১৬
৪৫ সিঙ্গাপুর ৮৪৪ ২১২
৪৬ আর্জেন্টিনা ৭৪৫ ১৯ ৭২
৪৭ সার্বিয়া ৭৪১ ১৩ ৪২
৪৮ স্লোভেনিয়া ৭৩০ ১১ ১০
৪৯ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৭১৯ ২৮
৫০ ক্রোয়েশিয়া ৭১৩ ৫২
৫১ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদতরী) ৭১২ ১০ ৫৯৭
৫২ এস্তোনিয়া ৬৭৯ ২০
৫৩ পেরু ৬৭১ ১৬ ১৬
৫৪ হংকং ৬৪১ ১১৮
৫৫ কলম্বিয়া ৬০৮ ১০
৫৬ কলম্বিয়া ৬০৮ ১০
৫৭ কাতার ৫৯০ ৪৫
৫৮ মিসর ৫৭৬ ৩৬ ১২১
৫৯ ইরাক ৫৪৭ ৪২ ১৪৩
৬০ নিউজিল্যান্ড ৫১৪ ৫৬
৬১ বাহরাইন ৪৯৯ ২৭২
৬২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪৬৮ ৫৫
৬৩ চেক রিপাবলিক ৪৬৪
৬৪ আলজেরিয়া ৪৫৪ ২৯ ৩১
৬৫ মরক্কো ৪৫০ ২৬ ১৩
৬৬ লেবানন ৪৩৮ ১০ ৩০
৬৭ লিথুনিয়া ৪৩৭
৬৮ আর্মেনিয়া ৪২৪ ৩০
৬৯ ইউক্রেন ৪১৮
৭০ হাঙ্গেরি ৪০৮ ১৩ ৩৪
৭১ লাটভিয়া ৩৪৭
৭২ বুলগেরিয়া ৩৩৮ ১১
৭৩ এনডোরা ৩৩৪
৭৪ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩২৩
৭৫ স্লোভাকিয়া ৩১৪
৭৬ উরুগুয়ে ৩০৪
৭৭ তাইওয়ান ২৯৮ ৩৯
৭৮ কোস্টারিকা ২৯৫
৭৯ চেক রিপাবলিক ২৯৩
৮০ তিউনিশিয়া ২৭৮
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৫৯
৮২ কুয়েত ২৫৫ ৬৭
৮৩ কাজাখস্তান ২৫১ ১৮
৮৪ জর্ডান ২৪৬ ১৮
৮৫ মলদোভা ২৩১
৮৬ সান ম্যারিনো ২২৪ ২২
৮৭ আলবেনিয়া ২১২ ১০ ৩৩
৮৮ আজারবাইজান ২০৯ ১৫
৮৯ বুর্কিনা ফাঁসো ২০৭ ১১ ২১
৯০ ভিয়েতনাম ১৮৮ ২১
৯১ রিইউনিয়ন ১৮৩
৯২ সাইপ্রাস ১৭৯ ১৫
৯৩ ওমান ১৬৭ ২৩
৯৪ ফারে আইল্যান্ড ১৫৯ ৭০
৯৫ ঘানা ১৫২
৯৬ মালটা ১৫১
৯৭ সেনেগাল ১৪২ ২৭
৯৮ আইভরি কোস্ট ১৪০
৯৯ উজবেকিস্তান ১৩৩
১০০ ব্রুনাই ১২৬ ৩৪
১০১ আফগানিস্তান ১২০
১০২ ভেনেজুয়েলা ১১৯ ৩৯
১০৩ কিউবা ১১৯
১০৪ শ্রীলংকা ১১৫ ১০
১০৫ হন্ডুরাস ১১০
১০৬ ফিলিস্তিন ১০৬ ১৮
১০৭ কম্বোডিয়া ১০৩ ২১
১০৮ গুয়াদেলৌপ ১০২ ১৭
১০৯ নাইজেরিয়া ৯৭
১১০ বেলারুশ ৯৪ ৩২
১১১ মার্টিনিক ৯৩
১১২ ক্যামেরুন ৯১
১১৩ জর্জিয়া ৯০ ১৮
১১৪ মন্টিনিগ্রো ৮৫
১১৫ কিরগিজস্তান ৮৪
১১৬ বলিভিয়া ৮১
১১৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭৬
১১৮ মায়োত্তে ৬৩
১১৯ রুয়ান্ডা ৬০
১২০ লিচেনস্টেইন ৫৬
১২১ প্যারাগুয়ে ৫৬
১২২ জিব্রাল্টার ৫৬ ১৪
১২৩ আরুবা ৪৬
১২৪ মোনাকো ৪৩
১২৫ পুয়ের্তো রিকো ৩৯
১২৬ কেনিয়া ৩৮
১২৭ ম্যাকাও ৩৭ ১০
১২৮ গুয়াতেমালা ৩৪ ১০
১২৯ গুয়াম ৩২
১৩০ জ্যামাইকা ৩২
১৩১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩০
১৩২ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৮
১৩৩ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৮
১৩৪ বার্বাডোস ২৬
১৩৫ টোগো ২৫
১৩৬ কঙ্গো ১৯
১৩৭ ইথিওপিয়া ১৯
১৩৮ নাইজার ১৮
১৩৯ মালদ্বীপ ১৭ ১১
১৪০ গিনি ১৬
১৪১ তানজানিয়া ১৪
১৪২ মঙ্গোলিয়া ১২
১৪৩ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১২
১৪৪ নামিবিয়া ১১
১৪৫ ডোমিনিকা ১১
১৪৬ বাহামা ১০
১৪৭ গ্রীনল্যাণ্ড ১০
১৪৮ সুরিনাম
১৪৯ সিসিলি
১৫০ কেম্যান আইল্যান্ড
১৫১ গায়ানা
১৫২ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৩ গ্যাবন
১৫৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৫ ভ্যাটিকান সিটি
১৫৬ বেনিন
১৫৭ ভ্যাটিকান সিটি
১৫৮ নেপাল
১৫৯ মৌরিতানিয়া
১৬০ সুদান
১৬১ মন্টসেরাট
১৬২ ভুটান
১৬৩ সেন্ট লুসিয়া
১৬৪ তাজিকিস্তান
১৬৫ সেন্ট পিয়ের ও মিকুয়েলন
১৬৬ লাইবেরিয়া
১৬৭ গাম্বিয়া
১৬৮ সোমালিয়া
১৬৯ মার্কিন ভার্জিন আইল্যান্ড
১৭০ ক্রিস্টমাস আইল্যান্ড
১৭১ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
১৭২ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।

টাইমলাইন