বিএনপি-জামায়াত জঙ্গিবাদকে উৎসাহিত করছে : নাসিম


প্রকাশিত: ১১:৫৫ এএম, ১১ ডিসেম্বর ২০১৪

বিএনপি-জামায়াত তাদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে জঙ্গিবাদকে উৎসাহিত করেছে বলে অভিযোগ করেছে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বৃহষ্পতিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা’র ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, অতীতে বিএনপি জঙ্গিবাদ ও জামায়াতকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছে। তাদের কারনেই জঙ্গিচক্র বিদেশে বসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করার সাহস পাচ্ছে।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বিএনপি-জামায়াত যে কথাগুলো বলেন, তাতে মনে হয় বর্ধমান বিস্ফোরণের চক্রান্তকারীদের সঙ্গে তাদের সূত্র পোতা রয়েছে। বিএনপি-জামায়াত এখন হত্যা ও চক্রান্তের পথে হাঁটছে।

তিনি বলেন, দেশে নয় বিদেশেও প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার ষড়যন্ত্র চলছে। প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করে তারা দেশে একটি শক্তিকে ক্ষমতায় আনতে তারা এ ষড়যন্ত্র করেছে। গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও আন্দোলনে ব্যার্থ হয়েই তারা ওই পথে হাঁটছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর এ সদস্য বলেন, আমরা উদ্বিগ্ন হয়েছি যখন ভারতের বর্ধমান চক্রান্তের কথা শুনেছি। পার্শবর্তী দেশে কিছু জঙ্গী ও হত্যাকারী প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার চক্রান্ত করেছিল। তাদের বিষয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

বিএনপি জামায়ত জোটের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনগনের সামনে তুলে ধরতে আগামী ১৫ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশ ব্যাপী উপজেলা পর্যায়ের সমাবেশ করবে ১৪ দল।

বিএনপি-জামায়াত জোটের ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় ১৪ দলের করনীয় ঠিক করতেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি এমপি, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, বাসদের আহবায়ক রেজাউর রশিদ খান, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়া, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট একরামূল হক, গণতন্ত্রি পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুর রহমান সেলিম, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য কামরুল হাসান, তরিকত ফেডারেশনের নজিবুল বাশার মাইজ ভান্ডারী, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সুজিত রায় নন্দী ও এস এম কামাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

১৪ দলের কর্মসূচী
বিভিন্ন টিমে ভাগ হয়ে ১৪ দলের নেতারা বিভিন্ন উপজেলায় গিয়ে এই সমাবেশে যোগদান করবেন। এ ছাড়া আগামী ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরোস্থানে এবং ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচী ঘোষনা করা হয়। এছাড়াও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের পক্ষ্য থেকে ঢাকা একটি সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।