মালয়েশিয়ায় ভিজিট পাসের অপব্যবহার রোধে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আহমাদুল কবির
আহমাদুল কবির আহমাদুল কবির , মালয়েশিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:৪২ এএম, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
ভিজিট পাসের অপব্যবহার রোধে কঠোর নির্দেশ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের/ছবি-সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় সামাজিক ভিজিট পাস ব্যবহার করে অবৈধভাবে কাজ করার অভিযোগে ৫৪ হাজারের বেশি বিদেশির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভিজিট পাসের অপব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম।

সরকারি মুখপাত্র ও যোগাযোগমন্ত্রী দাতুক ফাহমি ফাজিল জানান, শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। বৈঠকে সামাজিক ভিজিট পাসে প্রবেশ করে কাজের সঙ্গে জড়িত বিদেশিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত বিভিন্ন প্রয়োগমূলক অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

ফাহমি ফাজিল বলেন, এসব বিদেশি পর্যটন, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ বা সামাজিক উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করলেও পরে তারা অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করে কর্মসংস্থানে যুক্ত হন-যা অভিযানের সময় শনাক্ত করা হয়েছে।

jagonews24

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তাদের প্রবেশের উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক-যেমন ভ্রমণ বা আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করা। কিন্তু অভিযানে দেখা গেছে, তারা কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

তিনি আরও জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সাল থেকে চলতি বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত মোট ৫৪ হাজার ৭৯১ জন বিদেশির বিরুদ্ধে ভিজিট পাসের অপব্যবহারের অভিযোগে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ২০২৫ সালেই ৫১ হাজার ১০০টি মামলা নথিভুক্ত হয় এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারির প্রথমার্ধে আরও ৩ হাজার ৬৯১ জনকে আটক করা হয়।

ফাহমি ফাজিল বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, ভিজিট পাস বা ভিসা শিথিলতার সুযোগ নিয়ে যারা অবৈধভাবে কাজ করছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো আপস ছাড়াই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, সামাজিক ভিজিট পাস বা ভিসার সুবিধা অপব্যবহার করে কর্মসংস্থানে যুক্ত হওয়া বিদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

সরকার অভিবাসন আইন কার্যকর রাখতে এবং ভিসা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে প্রয়োগমূলক অভিযান আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এমআরএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]