বিপর্যয়ের মুখে দল থেকে যে বার্তা পেয়েছিলেন লিটন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:১৪ পিএম, ১৬ মে ২০২৬

স্কোরবোর্ডে ১১৬ রান যোগ হতেই নেই ৬ উইকেট। এরপর একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই শুরু করেন লিটন কুমার দাস। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার শুরু হওয়া দ্বিতীয় টেস্টে লিটনের সেঞ্চুরিতেই প্রথম ইনিংসে মান বাঁচে বাংলাদেশের। অমন ক্রাইসিস পরিস্থিতিতে টেল-এন্ডারদের সঙ্গে লম্বা পার্টনারশিপ গড়ে বাংলাদেশকে বড় স্কোরে নিয়ে যাওয়ার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ব্যাটার লিটন দাস।

ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তার পরিকল্পনা, সিদ্ধান্ত এবং ড্রেসিংরুমের বার্তা নিয়েই ছিল মূল আলোচনা।

দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, ‘আমার রোলটা একটু ডিফারেন্ট। আমি যখন টেস্ট ক্রিকেটে খেলি, ব্যাটিং করা লাগে মুশফিক ভাইয়ের সঙ্গে, মিরাজের সঙ্গে। যখন ব্যাটসম্যান থাকে মাইন্ডসেটআপটা টোটালি আলাদা থাকে কারণ আপনি জানেন সিঙ্গেল হয়ে গেলে সিঙ্গেল হয়ে যাবে। বাট আমাদের টেলগুলা তো খুব একটা স্ট্রং না যাদেরকে আমি প্রতি ওভারে চার-পাঁচ বল খেলার সুযোগ করে দেব। আমাদের টেল যদি আরও ভালো ব্যাটিং করে ভবিষ্যতে তাহলে এই অপরচুনিটিগুলা থাকবে যে আমি ফাস্ট বলে এক নিলেও তারা খেলতে পারবে।'

লিটন আরও বলেন, ‘সবচেয়ে বড় জিনিস যে এই পার্টিকুলার ইনিংসটাতে সেঞ্চুরির থেকে বড় জিনিস যে আমাদের টেলের যারাই ব্যাটিং করছে তাইজুল ভাই, তাসকিন, শরিফুল। এই তিনজন ব্যাটসম্যানই অনেকগুলা বল খেলেছে যেটা একটা বিগ টোটাল। স্বাভাবিক তারা তো রান করবে না, রান তো আমাকেই করতে হবে ব্যাটসম্যান হিসেবে রান করার দায়িত্বটা আমারই। কিন্তু ওরা যখন উইকেটে থাকে জটা সহজ হয়ে যায় আমার জন্য।’

এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০২২ সালে ২৪ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর মুশফিককে নিয়ে ২৭২ রানের জুটি গড়েছিলেন লিটন। ওই জুটি নিয়ে লিটন বলেন, ‘শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে যে ইনিংসটা ছিল ওটা টোটালি ডিফারেন্ট কারণ মুশফিক ভাইয়ের সাথে পার্টনারশিপ ছিল। আপনার পার্টনার একটা ব্যাটসম্যান থাকবে তো মাইন্ডসেটআপটা ক্লিয়ার থাকে। রাওয়ালপিন্ডিতেও সেম ছিল যে মিরাজ ব্যাটসম্যান, ৮০ রানের মতো করছিল।’

তবে আজকের সেঞ্চুরি আর জুটি লিটনের কাছে একদমই আলাদা, ‘আজকেরটা টোটালি ডিফারেন্ট। আমি মনে হয় যখন দুই বা তিন রানে তখন তাইজুল ভাই স্ট্রাইকে আসে। সেঞ্চুরি এটা মানুষ বলে কয়ে করতে পারে না আর আমি এটা নিয়ে খুব একটা চিন্তিতও না যে সেঞ্চুরি করা লাগবে। আমার টার্গেট ছিল যে রানটা কীভাবে বোর্ডে আসে। কারণ যে সময়টাতে তাইজুল ভাই আসছে আমাদের বোর্ডে রান মাত্র ১১৬। আমার লক্ষ্য ছিল যে কীভাবে টিমকে একটা ২০০ রান পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যায়। টার্গেটটা আমাকেই ফিলাপ করতে হবে। আমার টেল তো রান করবে না রান আমাকেই করতে হবে। তো আমি একটা তথ্য পাঠিয়েছিলাম যে আমরা কি অ্যাটাকিংয়ে যাব কি না। দল থেকে বলা হয়েছিল রানের জন্য খেলতে। চেষ্টা করেছি রান করার।’

এসকেডি/আইএন

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।