ভেঙে দুই টুকরো জাসওয়ালের বিশ্বসেরার ট্রফি

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৪৩ এএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বাংলাদেশের কাছে ৩ উইকেটে হেরে যুব বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয়েছে ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। তবে ভারতীয় দলের একজন ঠিকই পেয়েছিলেন বিশ্বসেরার ট্রফি, ওপেনার জশস্বি জাসওয়াল। পুরো টুর্নামেন্টের শুরু থেকে শেষ অবধি একবারও ৫০ রানের নিচে আউট হননি এ বাঁহাতি ওপেনার।

সবমিলিয়ে ৬ ইনিংসে ৪ ফিফটি ও ১ সেঞ্চুরিতে ১৩৩.৩৩ গড়ে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ৪০০ রান করেছিলেন জাসওয়াল। যা তাকে পাইয়ে দিয়েছিল বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। ফাইনালের পর দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি পেসার মাখায়া এনটিনির হাত থেকে নিয়েছিলেন সুদৃশ্য ক্রিস্টাল কাঁচের একটি ট্রফি।

কিন্তু সে ট্রফি নিয়ে দেশেও ফিরতে পারেননি জাসওয়াল। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফেরার পথেই মাঝ দিয়ে ভেঙে দুই টুকরো হয়ে গেছে ট্রফিটি। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে যাত্রা শুরু করে দুবাই ট্রানজিট দেয়ার সময় এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

তবে এ নিয়ে কোনো মাথাব্যথাই নেই জাসওয়ালের। তার পিতৃতুল্য কোচ জ্বলা সিং জানিয়েছেন, ট্রফির চেয়ে বড় রান নিয়েই ভাবছেন জাসওয়াল। জ্বলা বলেন, ‘এমন কিছু এবারই প্রথম নয়। তবে ও (জাসওয়াল) মূলত ট্রফির চেয়ে বেশি চিন্তা করে নিজের রানের ব্যাপারে। অন্যকিছু ওর কাছে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়।’

জাসওয়াল নিজেও তার ব্যাটিংয়ের বাইরে কিছু ভাবতে রাজি নন। ফাইনাল ম্যাচে অন্য ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার ভিড়ে ঠিকই উজ্জ্বল ছিলো তার ব্যাট। দলের প্রায় অর্ধেক রান (১২১ বলে ৮৮) একাই করেছিলেন জাসওয়াল। তবু দলকে লড়াকু পুঁজি এনে দিতে না পারার আক্ষেপই শোনা গেছে তার মুখে। তবে এতে তার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে বলে মানতে নারাজ এ যুবা ক্রিকেটার।

তিনি বলেন, ‘আমি ফাইনালে একটা বাজে শট খেলেছি, ওই সময়ে দরকার ছিল না। আমি যতটা আশা করেছিলাম, তার চেয়ে দ্রুত ছিল বলটা। আগের বলটা এর চেয়ে অনেক ধীর ছিল। ফাইনাল আমাদের পক্ষে যায়নি। অবশ্য আমার জন্য কিছুই বদলায়নি। আমরা জিতলে খুব ভালো হতো। কিন্তু না হওয়াতে সবকিছু শেষও হয়ে যায়নি।’

এদিকে জাসওয়ালের জন্য ভালো খবর দেয়া হয়েছে টিম ম্যানেজম্যান্টের পক্ষ থেকে। তার বিশ্বসেরার ট্রফিটি ভেঙে গেলেও ফের জোড়া লাগানো হয়েছে সেটি। সূত্র জানিয়েছে, ‘ট্রানজিটের সময় ট্রফিটা ভেঙেছিল, তবে আমরা এখন সেটি ঠিক করে ফেলেছি। লম্বা যাত্রায় মাঝেমধ্যে এমন হয়ে থাকে।’

এসএএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]