ওয়ানডেতে রেকর্ড গড়ে টেস্টে ফেরার আশা বেয়ারস্টোর

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:৪৩ পিএম, ০২ আগস্ট ২০২০

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের পুরোটাই মাঠের বাইরে কাটিয়েছেন ইংল্যান্ডের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারস্টো। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে আউট হয়ে যান মাত্র ২ রানে। জমানো ক্ষোভের পুরোটাই যেন উগড়ে দিলেন সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে। আইরিশ বোলারদের মুড়ি-মুড়কি বানিয়ে মাত্র ৪১ বলে খেলেছেন ৮২ রানের ইনিংস।

বেয়ারস্টোর এই ঝড়ো ইনিংসে ভর করে দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ উইকেটে জিতেছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের ফল নির্ধারণী ইনিংসটি খেলার পথে মাত্র ২১ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছিলেন বেয়ারস্টো। যা কি না ইংল্যান্ডের পক্ষে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। বছর দুয়েক আগে তার সমান ২১ বলে ফিফটি করেছিলেন অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যানও।

কিন্তু ওয়ানডেতে রেকর্ড গড়ে আসলে যেন ঠিক তুষ্ট নন বেয়ারস্টো। তার লক্ষ্য টেস্ট দলে জায়গা করে নেয়া। দ্বিতীয় ম্যাচ জেতার পর তিনি সাফ জানিয়েছেন, সাদা বলের ক্রিকেট কখনওই তার মূল মনোযোগের বিষয় নয়। তিনি বরং টেস্ট দলে ফেরার দিকেই বেশি মনোযোগী।

শুধু দ্রুততম ফিফটির রেকর্ডই নয়, ৪১ বলে ৮২ রানের ইনিংস খেলার দিন ইংল্যান্ডের হয়ে দ্রুততম ৩ হাজার ওয়ানডে রানের রেকর্ডও গড়েছেন বেয়ারস্টো। ক্যারিয়ারের ৩ হাজার রান করতে তিনি খেলেছেন ৭২ ইনিংস, সমান ৭২ ইনিংস লেগেছিল টেস্ট অধিনায়ক জো রুটেরও।

তবু ওয়ানডের চেয়ে টেস্ট নিয়েই বেশি ভাবছেন বেয়ারস্টো। তার ভাষ্য, ‘টেস্ট দলে পুনরায় ডাক পাওয়া আমার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। এটি পেতে চাইলে আমাকে রান করতে হবে, যা এই ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই শুরু বলা যায়। আমাকে ধারাবাহিক ভালো করতে হবে। আমি আশা করছি ইয়র্কশায়ারের হয়ে চারদিনের ম্যাচ দুইটিতেও ভাল করব। এভাবেই টেস্টে ফেরার যাত্রাটা শুরু বলা যায়।’

সবশেষ অ্যাশেজের পর মাত্র ১টি টেস্ট খেলেছেন বেয়ারস্টো। গতবছরের বক্সিং ডে টেস্টটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে করেছিলেন মাত্র ১ ও ৯ রান। এরপর থেকেই সাদা পোশাকের ক্রিকেট থেকে দূরে তিনি। তবে বেয়ারস্টোর সব মনোযোগ টেস্ট দলে জায়গা ফিরে পাওয়ার ব্যাপারেই।

তিনি বলেছেন, ‘আমি টেস্ট ক্রিকেট ও লাল বলের খেলা নিয়ে অনেক পরিশ্রম করেছি। এখানে সাদা বলে খেলছি। এরপর আমি ইয়র্কশায়ারে চারদিনের ক্যাম্পে চলে যাবো। নিজের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করতে থাকবো। যাতে করে পুনরায় স্কোয়াডে ঢোকার রাস্তাটা খুলে যায়।’

এসএএস/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]