আইপিএল আয়োজনে ভারত সরকারের অনুমতিও মিলে গেছে

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৫৯ পিএম, ০৩ আগস্ট ২০২০

আইপিএল আয়োজনের সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আনা হলেও এতদিন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি মিলছিল না। আরব আমিরাতের মাটিতে আইপিএলের ১৩তম আসর আয়োজন করার বিষয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশনা কি, সেটাও জানা যাচ্ছিল না।

অবশেষে রোববার আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকেই জানা গেলো, ভারত সরকার অনুমতি দিয়েছে আইপিএল আয়োজনের। অর্থ্যাৎ, আর কোনও বাধা রইল না সৌরভ গাঙ্গুলিদের সামনে। সেই বৈঠকে নির্ধারিত হলো আইপিএল শেষ হবে কবে, তথা ফাইনালের চূড়ান্ত দিনক্ষণও।

১৯ সেপ্টেম্বর থেকে আইপিএল শুরু হচ্ছে, এটা ছিল জানা কথা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আগেই জানিয়ে দিয়েছিল সেটা। করোনার কারণে এবার আমিরাতে টুর্নামেন্ট এবং সে হিসেবেই প্রস্তুতি শুরু করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।

তবে কেন্দ্রের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় ছিল বিসিসিআই। রোববার মোদি সরকারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হলো, মরু দেশে আইপিএল আয়োজনে কোনো আপত্তি নেই সরকারে। একই সঙ্গে প্রথমবার নারীদের আইপিএল আয়োজনের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

নারী আইপিএল খেলবে চারটি দল। অনুষ্ঠিত হবে ১ থেকে ১০ নভেম্বরের মধ্যে। এরপরই ঠিক হলো, আগামী ১০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে আইপিএলের ফাইনাল। এই প্রথম সপ্তাহের মাঝে অনুষ্ঠিত হবে আইপিএলের ফাইনাল। ভারতীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা) থেকে দেখা যাবে আইপিএলের সেই হাইভোল্টেজ ম্যাচ।

মোট দশটি ডাবল হেডার ম্যাচ হবে পুরো টুর্নামেন্টে। অর্থাৎ একই দিনে দুটি করে ম্যাচ হবে। তিনটি ভেন্যুতে হবে টুর্নামেন্ট। শারজা, আবুধাবি এবং দুবাই।

প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ২৪জনের স্কোয়াড নিয়ে যেতে পারবে। ২৬ আগস্ট দুবাই রওনা দেবে তারা। সে সঙ্গে করোনায় পরিবর্তিত নিয়মও বহাল থাকবে আইপিএলে। ইতিমধ্যেই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে ভিসার ব্যবস্থা করতে বলে দেওয়া হয়েছে।

বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা জানান, প্রতিটি ম্যাচের মধ্যে পর্যাপ্ত ব্যবধান রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে এক ভেন্যু থেকে অন্য ভেন্যুতে যেতে সমস্যা না হয়। এছাড়া অন্যসব স্বাস্থ্য বিধি মেনেই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হবে।

সন্ধ্যার সমস্ত ম্যাচ শুরু হবে সাড়ে ৭টা (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা) থেকে। আর বিকেলের ম্যাচ শুরু বিকাল সাড়ে ৩টায় (বাংলাদেশ সময় ৪টা)।

দর্শকশূন্য মাঠেই কি অনুষ্ঠিত হবে খেলা? বোর্ড কর্মকর্তাদের কথায়, ‘সমর্থকরা এলে তো ক্রিকেটাররাও খেলায় অনুপ্রেরণা পান। তবে এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারদের সুরক্ষা। তাই এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) সঙ্গে এসব নিয়ে আলোচনা করে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

তবে ভারতজুড়ে চীনাপণ্য বয়কটের মধ্যেও চীনা স্পনসর ধরে রাখারই সিদ্ধান্ত নিল আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। আগের সমস্ত স্পনসররাই থাকবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেছে নেটিজেনরা। টুইটারে ট্রেন্ডিং হয়ে গিয়েছে #BoycottIPL।

আইএইচএস/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]