আমি কি এতটাই খারাপ : প্রশ্ন সাকিবের কেকেআর সতীর্থের

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:০৪ পিএম, ১২ মে ২০২১

আমি কি এতটাই খারাপ? ম্যাচের পর ম্যাচ সাইডবেঞ্চে বসে থেকে নিজের মনের মধ্যেই এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে থাকে কুলদ্বীপ যাদবের। ভারতীয় এই ‘চায়নাম্যান’ স্পিনার জানালেন, খেলার সুযোগ না পাওয়া তার জন্য কতটা মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়েছে।

২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক। তারপর জাতীয় দলে তিন ফরমেটেই খেলেছেন কুলদ্বীপ। তবে গত এক বছর খুব বেশি সুযোগ মেলেনি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রায় দুই বছর পর টেস্ট দলে কামব্যাক করেন বাঁহাতি এই রিস্ট স্পিনার।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফেরার ম্যাচে দুই উইকেট নিলেও পরে আহমেদাবাদের টার্নিং পিচে বাদ দেয়া হয় কুলদ্বীপকে। পুনেতে দুটি ওয়ানডেতে উইকেটশূন্য থাকার পর জায়গা হারান এই ফরমেট থেকেও। টি-টোয়েন্টিতে সর্বশেষ দেশের হয়ে খেলেছিলেন প্রায় ১৪ মাস আগে।

সাইডলাইনে বসে থাকা যে কতটা কষ্টের, সেটা কুলদ্বীপের চেয়ে ভালো বোধ হয় আর কেউ অনুধাবন করতে পারবেন না। ভারতীয় এই স্পিনার বলেন, ‘মাঝেমধ্যে আমার মনে হতো, হচ্ছেটা কী? এটা খুবই কঠিন সময় ছিল। মনের অজান্তেই কখনও বেরিয়ে আসতো-তুমি কি সেই কুলদ্বীপ নেই? এমন সময় আসে যখন আপনি পানি টানাটানি করেও ভালো অনুভব করবেন। আবার কখনও এমন দিন আসে, যখন আপনি সেই জায়গায় থাকতে চাইবেন না।’

কুলদ্বীপের সেই দুঃখ দীর্ঘায়িত হয়েছে এবারের আইপিএলে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে একটি ম্যাচেও সুযোগ মেলেনি। স্পিন ডিপার্টমেন্টে সাকিব আল হাসান, সুনিল নারিন, বরুন চক্রবর্তীদের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলানো হলেও কুলদ্বীপ ছিলেন উপেক্ষিত।

ব্যাপারটা মেনে নেয়া কঠিন ছিল এই স্পিনারের জন্য। তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে যখন আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স একাদশে সুযোগ হচ্ছিল না, আমি অবাক হয়ে ভাবতাম-আমি কি এতটাই খারাপ?’

কুলদ্বীপ যোগ করেন, ‘এটা টিম ম্যানেজম্যান্টের সিদ্ধান্ত। তাদের প্রশ্ন করাটা ঠিক হবে না। কিন্তু আমি চেন্নাইয়ে টার্নিং পিচেও খেলতে পারিনি। আমি স্তম্ভিত হয়ে যাই। কিন্তু কিছুই করার ছিল না।’

এমএমআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]