মেসিদের হারানো সৌদিকে সাফে আমন্ত্রণ
ভালো দলের সাথে ৪-৫ গোল খেলেও সমস্যা নেই: সালাউদ্দিন
আগামী জুন-জুলাইয়ে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিতব্য সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে এ অঞ্চলের বাইরের এক বা দুটি দল খেলবে, সে খবর পুরনো। গত শুক্রবার সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভার পর সাফের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক হেলাল বলেছিলেন, জুনের সাফে বাইরের দল খেলবে।
তবে কোন কোন দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হবে, তা ঠিক হয়নি। যে দলকেই নেওয়া হোক তারা সাফের দলগুলোর চেয়ে শক্তিশালী হবে। আশিয়ান ও পশ্চিম এশিয়ার একটি দল থাকবে বলে জানিয়েছিলেন আনোয়ারুল হক হেলাল।
এবার বাইরের কোন দুটি দেশ খেলতে পারে তার ইঙ্গিত দিয়েছেন সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ও বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন। জাতীয় নারী ফুটবল দলকে মিয়ানমার না পাঠানোর ব্যাখ্যা দিতে সোমবার সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিলেন তিনি। তখনই তিনি বলেছেন, সাফে কোন দুটি অতিথি দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
‘আমরা সবসময় চাই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক খেলা। যে কারণে এবার আমি সিদ্ধান্ত দিয়েছি সাফের বাইরের দল অন্তর্ভুক্ত করতে। আমরা সৌদি আরব ও মালয়েশিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করতে চাচ্ছি। কারণ, আমাদের এখানে ৭টি দল। একটা দল ফিফার নিষেধাজ্ঞায় আছে, যেটা হলো শ্রীলঙ্কা। আমরা ৮টা দল নিয়ে টুর্নামেন্ট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যে কারণে সৌদি আরব ও মালয়েশিয়াকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি’-বলেছেন কাজী মো. সালাউদ্দিন।
তিনি যোগ করেন, ‘ভালো দলের সাথে খেলে ৪-৫ গোল খেলেও কোনো সমস্যা নেই। এটা কোনো ব্যাপারই নয়। ওই ভয় আমি পাই না। বাংলাদেশ বড় ব্যবধানে হেরেছে অনেকবার। আগেও হেরেছে, আমি খেলার সময়ও হেরেছে। এটাতে ভয়ের কিছু নেই। খেলতে খেলতেই জিতবে।’
সৌদি আরব ও মালয়েশিয়া শেষ পর্যন্ত খেললে সাফে অনেক শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে, এটা নিশ্চিত। আসলে সাফের দলগুলোর অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের।
সৌদি আরব গত কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল। বিশ্বকাপে মেসিদের হারানো একটি দল যদি সাফে খেলে, তা নিয়ে সবার আগ্রহ বাড়বে নিশ্চয়ই।
আরআই/এমএমআর/এএসএম