ডাকসু সদস্য সর্বমিত্রকে ঢাবি প্রশাসনের শোকজ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৩১ পিএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে কিশোরদের কান ধরে উঠবস করানোর ঘটনায় ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমাকে শোকজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)  প্রক্টর অফিস থেকে তাকে এ নোটিশ প্রদান করা হয়। এর আগেরদিন ঢাবি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রক্টরের কাছে এ বিষয়ে একটি অভিযোগপত্র জমা দেন।

চিঠিতে তাকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  

এই বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমার কাছে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে।  তার বিতর্কিত আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ও ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করেছে। এ বিষয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই বিষয়ে সর্বমিত্র ফেইসবুক পোস্টে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেহেতু শোকজের নোটিশ দিয়েছে, এ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে শিক্ষার্থীদের যত সাইকেল হারিয়েছে এবং সেন্ট্রাল ফিল্ডে যত মানিব্যাগ, সাইকেল, মোবাইল হারিয়েছে, এ ব্যাপারে এতদিন কেন প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়নি, কেন দেয়াল সংস্কার করেনি, কেন শারীরিক শিক্ষা ভবনে মদ্যপানরত অবস্থায় হাতেনাতে কর্মচারীদের ধরার পরও বহাল তবিয়তে রেখেছে তার জবাব আমি লিখিতভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে চাইবো।

বিস্তারিত জানতে চাইলে সর্বমিত্র চাকমা জাগোনিউজকে বলেন, তার নামে ইস্যু করা শোকজ নোটিশটি তার নিজ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। তবে ওই নোটিশটি পাঠানোর কথা ছিল ডাকসু কার্যালয়ে। এ কারণে তিনি স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছেন না-শোকজটি তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে দেওয়া হয়েছে, নাকি ডাকসুর একজন কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে।

তিনি আরও জানান, শোকজ নোটিশের জবাব দেওয়ার আগে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা চাইবেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সংঘটিত চুরির ঘটনা সম্পর্কে একাধিকবার প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও কেন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে তিনি জানতে চান। পাশাপাশি, যে দেয়াল টপকে বহিরাগতরা সেন্ট্রাল ফিল্ডে প্রবেশ করে-সে দেয়াল সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ফাইল ট্রেজারি অফিসে পাঠানো হলেও কেন তা ফেরত দেওয়া হয়েছে, সেটিও তিনি জানতে চান।

পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখনও আমার সিদ্ধান্তে অনড় আছি। আমি ঢাকার বাইরে আছি। ঢাকায় এসে আমি আমি পদত্যাগ করবো। তবে তার আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এসমস্ত বিষয়ে জবাব দিতে হবে।

এফএআর/কেএইচকে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।