ইবির বাজেটে গবেষণা বরাদ্দ ১৫ লাখ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হলো গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষার নতুন নতুন পথ উদ্ভাবন করা। কিন্তু ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য পাস হওয়া বিশাল বাজেটে গবেষণা খাতে নেই পর্যাপ্ত বরাদ্দ।

এবারের ১৩৬ কোটি ৫০ লাখ মোট বাজেট থেকে মাত্র ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে গবেষণা খাতে। যা শিক্ষকদের গবেষণা খাতে প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিনিয়র শিক্ষক বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়ন করতে চাইলে গবেষণা বাড়াতে হবে। আর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণা খাতে এ ক্ষুদ্র পরিমাণ বাজেট কীভাবে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে তা আমার বোধগম্য নয়। প্রশাসনের উচিত এই খাতে শিক্ষকদের চাহিদা অনুযায়ী আরও পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেয়ার ব্যবস্থা করা।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের রিভিউ ও ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের বাজেট পাস হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় নতুন বাজেটের কপি ভিসি ড. রাশিদ আসকারীর কাছে হস্তান্তর করেন ট্রেজারার ড. সেলিম তোহা।

ট্রেজারার অফিস সূত্রে জানা যায়, আগামী ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ইউজিসির কাছে ২০২ কোটি ৪৬ লাখ টাকার বাজেট প্রস্তাব করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ব্যয়ের খাত এবং নিজস্ব আয়সহ এবছর ১২৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে ইউজিসি।

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা আয়সহ মোট বাজেটের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩৬ কোটি ৫০ লাখ। গত অর্থ বছরে নিজস্ব ১০ কোটি আয়সহ যা ছিল ১১৪ কোটি ২ লাখ টাকা। একই সঙ্গে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের রিভাইজ বাজেটে অতিরিক্ত ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে ইউজিসি।

এদিকে, গত ১৯৯৫-৯৬ থেকে ২২টি অর্থ বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৭ কোটি টাকা। সম্প্রতি পরীক্ষার পারিশ্রমিক দ্বিগুণ করায় ঘাটতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা বলেন, ইউজিসিতে আমাদের নতুন অর্গানোগ্রাম পাস হওয়ার পথে। এতে অনুমোদনহীন ১২৩ জনের স্থায়ীকরণ হয়ে যাবে। আমাদের স্কুল আত্মীকরণের কার্যক্রম প্রায় সম্পন্ন। ঘাটতি মোকাবেলা করতে আমাদের সবার সচেষ্ট হতে হবে।

ফেরদাউসুর রহমান সোহাগ/এএম/পিআর

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com

আপনার মতামত লিখুন :