কুবির হলের ডাইনিং নিয়ে ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক কুবি
প্রকাশিত: ০২:৩৮ পিএম, ২৫ নভেম্বর ২০২১

প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৫ বছর পরও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক হলগুলোর ডাইনিংয়ের জন্য ভর্তুকির ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন। এতে হলগুলোতে তৈরি পুষ্টিহীন খাবার নয়তো বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন হোটেলগুলো থেকে বেশি দামে খাবার খেতে বাধ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হলে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে প্রতি মাসে দায়িত্ব দিয়ে ডাইনিংগুলো পরিচালিত হয়। মাসের মাঝামাঝিতে এসেও অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ হয়ে যায় এসব ডাইনিং।

এদিকে গত ২৭ অক্টোবর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো খোলা হলেও কাজী নজরুল ইসলাম হলে চালু হয়নি ডাইনিং। এ হলে প্রভোস্ট না থাকায় ডাইনিংয়ের প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারছে না হলটি। ফলে আরও বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন এ হলের শিক্ষার্থীরা।

হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ডাইনিংগুলোতে নামমাত্র খাবার দেওয়া হয়। একই ধরনের খাবার প্রায় প্রতিদিন নিয়ম মাফিক চলতে থাকে। এসব খাবারে থাকে না তেমন পুষ্টিগুণ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন হোটেলগুলোতে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া হয় খাবারের দাম। ফলে শিক্ষার্থীদের খাবারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিভিন্ন হোটেলের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

এরআগে জাগোনিউজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ক্যাফেটেরিয়া বন্ধ থাকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলেও এখন পর্যন্ত এ নিয়ে প্রশাসনের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।

কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন বলেন, ২৭ অক্টোবর থেকে হল খুললেও খোলেনি হলের ডাইনিং। বাইরে থেকে এভাবে প্রতিদিন খাওয়া-দাওয়া করা অনেক ভোগান্তির।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, ভর্তুকি বাবদ সরকার বা ইউজিসি থেকে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়কে কোনো রকম বাজেট দেওয়া হয় না। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের অতিরিক্ত আয় থেকে হলের ডাইনিংগুলোতে এ ভর্তুকি প্রদান করে যেখানে আমাদের নিজস্ব কোনো আয় নেই।

তিনি আরও বলেন, অন্যসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের দোকানপাট বা শপিংগুলো থেকে যে আয় হয় তা থেকেই হলের ডাইনিংয়ে ভর্তুকি দেওয়া হয়। এসব আয় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। ভবিষ্যতে কুবির ২০০ একরের ক্যাম্পাসে এমন আয় আসতে পারে।

আরএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]