শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে রাজবাড়ীতে পশুর হাট


প্রকাশিত: ০১:০১ পিএম, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজবাড়ী জেলার ৩৫টি হাটে দেশি ষাঁড়, বলদ, গাভী, মহিষ, ভেড়া ও ছাগল কেনা-বেচায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাটে প্রচুর পশু ও ক্রেতার আমদানি থাকলেও ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে দাম নিয়ে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তবে দেশি গরুর প্রতি চাদিহা বেশি ক্রেতাদের। কুরবানির পশুর হাটে পশু ও ক্রেতার পদচারণায় খুশি হাট ইজারাদাররা।

জেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের পক্ষ থেকে পশু হাটে জরুরি চিকিৎসা সেবা স্টেররেড-হরমোন ব্যবহার প্রতিরোধে ২৪টি ভেটেরিনারি টিম পশু দেখাশুনা ও সেবা দেয়ার দায়িত্বে রয়েছে।

RAJBARI

পৌর পশুর হাটে সর্বোচ্চ এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা দাম উঠেছে একটি গরুর। সেই সঙ্গে ৪২ হাজার টাকা দাম উঠে একটি খাসির। কিন্তু এই দামেও গরু ও খাসির মালিক বিক্রি করতে রাজি হয়নি। তারা গরুর দাম হাঁকিয়েছেন দুই লাখ ও খাসির দাম ৬০ হাজার টাকা।

জেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের তথ্য অনুযায়ী রাজবাড়ীতে এবার ১৯ হাজার ৪৮০টি পশু কুরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ষাঁড়, বলদ, গাভী মিলে ১০ হাজার  ৩০০। তার মধ্যে ছাগল ৮ হাজার ৩২০টি, ভেড়া ৭২০টি ও মহিষ ১৪০টি।

ক্রেতা মো. মোস্তাফিজুর রহমান মিনু, মঞ্জুরুলে ইসলাম ও সায়েম হোসেন বলেন, গরু কিনতে আসলেও দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে। তবে বাজারে দেশি গরু অনেক, যেহেতু বাজারে এসেছি দাম বেশি-কম যাই হোক কিনবো।

RAJBARI

গরু বিক্রেতা হারুন অর রশিদ বলেন, একটি গরুও বিক্রি করতে পারিনি। যে দাম উঠছে তাতে কেনা টাকার কাছেও কেউ যাচ্ছে না। দুটি গরু বাজারে এনেছি। যে খরচ হয়েছে তাও বলছে না ক্রেতারা।

খাসির হাট ইজারাদার শরিফুর রহমান বলেন, হাট জমে উঠেছে। অনেক ছাগল উঠেছে হাটে। কিন্তু ক্রেতা কম। আগামী হাটে আমাদের বেচা-কেনা আরো ভালো হবে।

গরুর হাট ইজাদার সৈকত ইয়ান সবুজ জানান, বাজারে অনেক ক্রেতা-বিক্রেতা আসছে। গরুও অনেক উঠেছে। কেনা-বেচা সবার সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে। সুন্দরভাবে হাট চলছে। বেচা-কেনাও ভালো।

রুবেলুর রহমান/এএম/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।