ফেরার পথেও দুর্ভোগ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ঢাকামুখী মানুষ ও যানবাহনের চাপে দীর্ঘ চার কিলোমিটার এলাকা যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে আবারো চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ঢাকামুখী যাত্রী ও যানবাহনের চালকরা।
এর আগে ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথেও একই রকম দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের। এসময় নাদী পারাপারের অপেক্ষায় অাটকা পড়ে শত শত যানবাহন। ঢাকায় ফেরার পথেও এমন দুর্ভোগে পড়ে ক্ষুব্ধ এ রুটের যাত্রীরা।
শনিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঘাট সমস্যা ও ফেরি পারাপারে সময় বেশি লাগায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে বাস থেকে নেমে ফেরিঘাটের দিকে হেঁটেই রওনা দিচ্ছেন।
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকার বাইপাস সড়কে ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি ও মহাসড়কে শত শত যাত্রীবাহী পরিবহন (বাস) সিরিয়ালে থাকতে দেখা যায়। নদী পারাপারের অপেক্ষায় রোদ গরমে শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এদিকে, দৌলতদিয়া প্রান্তের চারটি ঘাটের ১, ৩ ও ৪ নম্বর ঘাট দিয়ে চলছে পারাপার। রাস্তার ফাটলের কারণে ৪ নম্বর ঘাটের সংযোগ সড়ক রয়েছে হুমকির মুখে। সড়কটি রক্ষার্থে পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করছে। নদীর স্রােতে ভাঙনের কারণে বন্ধ ২ নম্বর ফেরিঘাট।
যানজট নিরসনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করতে দেখা গেছে।
যাত্রীবাহী বাসচালক ও যাত্রীরা জানান, মাসের পর মাস এ সমস্যা হচ্ছে কিন্তু কোনো সমাধান আমরা দেখতে পাচ্ছি না। শুনছি কাজ করছে, কাজ করলে যানজট কী কারণে হচ্ছে। নদীর স্রোতে ঘাট ভেঙে যাচ্ছে তাহলে অন্য জায়গায় ঘাট স্থাপন করলেই হয়। 
বিআইডব্লিউটিএর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম জানান, চারটি ঘাটের তিনটি ঘাট সচল রয়েছে। গতকাল ৪ নম্বর ফেরি ঘাটটিতে সমস্যা হলেও তাৎক্ষণিক কাজ করে সেটি সচল করা হয়েছে। চারটি ঘাটের ৯টি পকেটের ৮টি পকেটে ফেরি ভিড়তে পারছে। এভাবে থাকলে ফেরি চলাচল ও গাড়ি ওঠানামায় কোনো সমস্যা হবে না।
তবে নদীতে ভাঙন অব্যাহত আছে, সকালে এক রকম আবার বিকেলে আরেক রকম। ৪ নম্বর ঘাটের সড়কটিও অনেকটা হুমকির মুখে। ১ নম্বর ঘাটে স্রোতের পরিমাণ কম। ২ ও ৩ নম্বরে একটু বেশি স্রােত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
রুবেলুর রহমান/এফএ/এমএস