কপোতাক্ষ তীরে পানি সেচে বোরো রোপণ


প্রকাশিত: ০১:৫২ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০১৭

কপোতাক্ষের নাব্যতা হারানোর সঙ্গে সঙ্গে ভাগ্য বদলেছে এ উপকূলীয় মানুষের। পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় সাতক্ষীরার তালা উপজেলার অধিকাংশ খাল-বিল বছরের অর্ধেক সময়ই থাকে জলাবদ্ধ। আবার বিকল্প পথে পানি নিষ্কাশন করতে অনেক সময় লেগে যায়।

তবে কপোতাক্ষের যাই হোক জীবন-জীবিকার তাগিদে এসব অঞ্চলের কৃষকরা চালিয়ে যাচ্ছেন বেঁচে থাকার সংগ্রাম। জলাবদ্ধতায় আমন ধান করতে না পারলেও পানি সেচের মাধ্যমে বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত কৃষক।

তালা উপজেলার ইসলামকাটি এলাকায় সেচের মাধ্যমে ২০টি বিলের পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা চলছে। চলিশার বিল, ভবানীপুর, ঘোনা, পারঘোনা, ডেমসাখোলা, বারাত, মোহনা, কলিয়া, দেওয়ানীপাড়া, শুভাষিনী, লক্ষ্মীপুর, মির্জাপুর, কেসমতঘোনা ও কাজীডাঙ্গা বিলের পানি নিষ্কাশন করতে পারলে প্রায় ৫ হাজার বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ সম্ভব হবে।

ইসলামকাটির কাজিডাঙ্গা এলাকার কৃষক আতিয়ার রহমান জানান, কপোতাক্ষ দিয়ে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় বছরের অর্ধেক সময়ই পানি নিমজ্জিত থাকে বিল এলাকা। যার কারণে আমন ধান করা সম্ভব হয়নি। তবে পানি নিষ্কাশন করতে পারলে বোরো ধান করতে পারবো। আমন ধানের ক্ষতি বোরো ধান চাষ করতে কিছুটা পুষিয়ে উঠা সম্ভব হবে।

তবে অপর এক কৃষক তালার শিবপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ সরদার কৃষকদের ক্ষতিপূরণের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

বোরো ধান চাষাবাদের বিষয়ে তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সামসুল আলম জাগো নিউজকে জানান, ২০টি বিলের জমির মালিকরা নিজেদের উদ্যোগে পানি সেচ করছেন। এক্ষেত্রে কৃষকদের খরচ বেশি পড়লেও ধারণা করছি ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে। তাছাড়া এ বছর উপজেলায় ১৭ হাজার ৪শ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিলগুলোতে চাষাবাদ হলে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।

আকরামুল ইসলাম/এআরএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।