দৌলতদিয়ায় এক লাখ ২০ হাজার টাকায় কিশোরী বিক্রি
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে মাত্র এক লাখ ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে জোরপূর্বক দেহব্যবসা করাতে পল্লীর এক বাড়িওয়ালার কাছে (১৩) বছরের এক কিশোরীকে বিক্রি করা হয়।
তবে বিক্রির দুই মাস যেতে না যেতেই র্যাবের অভিযানে উদ্ধার করা হয় ওই কিশোরীকে এবং আটক হয় বিক্রির ঘটনার সঙ্গে জড়িত লিটন সরকার (৩৩)।
উদ্ধারকৃত কিশোরী যশোরের পাইকগাছা এলাকার বাসিন্দা ও আটক লিটন সরদার রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া শাহ ব্যাপারী পাড়ার শাহউদ্দিন সরদারের ছেলে বলে জানা গেছে।
র্যাব-৮ সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ বছর আগে ওই কিশোরী তার মায়ের সঙ্গে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে আসে। তখন থেকেই সে তার মা’র সঙ্গে এখানেই বসবাস করে। দুই মাস আগে ওই কিশোরীর মা ও তার বন্ধু লিটন সরদার মিলে পল্লীর এক বাড়িওয়ার কাছে এক লাখ ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেয় মেয়েকে এবং একই সঙ্গে অপ্রাপ্ত বয়সে জোর করে দেহব্যবসা করানো হচ্ছে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ফরিদপুর র্যাব-৮ ক্যাম্পের সদস্যরা গত শনিবার দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে অভিযান পরিচালনা করে ওই কিশোরীকে উদ্ধার ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত লিটন সরদারকে আটক করে।
এসময় উদ্ধারকৃত কিশোরী মানবপাচার আইনে গোয়ালন্দঘাট থানায় একটি মামলা করে। আটক আসামি ও উদ্ধার করা কিশোরীকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
ফরিদপুর র্যাব-৮ এর ২নং কোম্পানির অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইছ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
রুবেলুর রহমান/এমএএস/জেআইএম