রূপার পরিবারের পাশে ছাত্রলীগ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে পৈশাচিক নির্যাতন ও হত্যার শিকার সিরাজগঞ্জের তাড়াশের মেধাবী ছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ছাত্রলীগ।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইনের নির্দেশে বুধবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ, তাড়াশ উপজেলা ও তাড়াশ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা রূপার নিজ গ্রাম তাড়াশের আশান বাড়িতে যান।
এ সময় রূপার মা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার মেয়ের হত্যার দ্রুত বিচার দেখতে চান তিনি। ছাত্রলীগ নেতারা তাকে আশ্বস্ত করে বলেন, এ সরকারের আমলে অপরাধীরা পার পাবে না। খুব কম সময়ের মধ্যেই এর বিচার হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি, ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোনায়ের হোসেন জেমস, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাকিব সরকার, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম রিপন, তাড়াশ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনিস প্রধান, তাড়াশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ইকবাল হাসান রুবেল, সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম কবির, উপজেলা ছাত্রলীগের মাহফুজুর রহমান সুমন, নাজমুল হাসান সবুজ, সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান জয়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাসকিন আহমেদ জীবন ও তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের নেতা মানিক রতন প্রমুখ।
ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ রূপার পরিবারকে সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন। তারা বলেন, এই ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। ইতোমধ্যে আসামিরা গ্রেফতার হয়েছে। দ্রুত বিচার টাইব্যুনালে এ ঘটনার বিচার হবে। কেউ রেহাই পাবে না। শেখ হাসিনার সরকার খুনিদের রেহাই দেবে না। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে অবগত রয়েছেন বলেও দাবি করেন ছাত্রনেতারা।
রূপার ভাই হাফিজুর রহমান তার বোন রূপার হত্যার বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রলীগকে তাদের পাশে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ যেভাবে তাদের পাশে রয়েছে সেজন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পরে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে রূপার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি।
ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এএম/জেআইএম