ভৈরবে প্রবাসীর স্ত্রী ও কলেজছাত্রী অপহরণ

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক ভৈরব
প্রকাশিত: ১১:৩৯ এএম, ১৬ অক্টোবর ২০১৭

ভৈরবে দুই সন্তানের জননী ও কলেজ ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ এনে সোমবার দুপুরে ৬ জনকে আসািমি করে থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। উভয় পরিবারের অভিযোগ তাদেরকে অপহরণ করা হয়েছে।

অপহৃতরা হলেন, পৌর এলাকার ঘোড়াকান্দা গ্রামের হারুন মোল­ার মেয়ে মদীনা বেগম ( ২৭)। তার সুইডেন প্রবাসী স্বামীর নাম মোবারক হোসেন এবং তাদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। অপর অপহৃত কলেজছাত্রীর নাম পূজারানী দাস ( ২৩)। তার বাবার নাম গিরিজ শংকর দাস। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ওরাইল গ্রামে হলেও তার বাবা ভৈরব বাজারে ব্যবসার সুযোগে তিনি শহরে বাসা করে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মদীনা বেগমের স্বামী মোবারক হোসেন দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত সুইডেন প্রবাসী। তার বাড়ি ভৈরবের বাশঁগাড়ি গ্রামে। তিনি প্রবাসী হলেও তার স্ত্রী সন্তান শ্বশুর বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতেন। গত বুধবার সন্ধায় একই গ্রামের বাসিন্দা মশার কয়েল কোম্পানির শ্রমিক কালা মিয়া মদীনাকে বাসা থেকে অপহরণ করে বলে অভিযোগ এনে তার মা নাজমা বেগম সোমবার থানায় একটি মামলা করে।

মামলায় ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরা হলেন, কালা মিয়া, তার বাবা মো. ইসমাইল মিয়া ও মা মমতা বেগম এবং পৌর এলাকার ভৈরব পুর দক্ষিণপাড়া এলাকার লতিফ মিয়ার ছেলে ফয়েজ মিয়া।

এদিকে অপহৃতের স্বামী মোবারক হোসেন দেশে এসে এ খবর শুনে দুই সন্তান নিয়ে হন্য হয়ে খুজঁছে তার স্ত্রীকে। কিন্ত তাকে না পেয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছে বলে তিনি জানান।

অপর মামলার অভিযোগে জানা যায়, ভৈরবের রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজের অর্নাসের ২য় বর্ষের ছাত্রী পূজারানী দাসকে গত বুধবার দুপুরে শহরের বাসিন্দা ইলেক্ট্রিক ব্যবসায়ী আবুবকর মিয়ার ছেলে ইয়াসিন অপহরণ করে। অপহরণকারী ভৈরব বাজারে একটি দোকানের কর্মচারী। এই ঘটনায় অপহৃত পূজারানীর বাবা গিরিজ শংকর দাস বাদী হয়ে ইয়াসিন ও তার বাবা আবুবকরকে আসামি করে সোমবার দুপুরে ভৈরব থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে।

ভৈরব থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোখলেসুর রহমান জানান, দুটি ঘটনাই গত বুধবার ঘটেছে। ঘটনার পর দুজনের পক্ষ থেকে থানায় জিডি করার পর পুলিশ অপহরণকারীদেরকে ধরতে তাদের বাড়িসহ বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়েছে।

ফারুক/এমএএস/আইআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।