পরিবার নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণ, ফেরার পথে ইয়াবার চালান
বিভিন্ন সময় ভ্রমণের ছলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কক্সবাজার যাওয়া। এরপর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ। অনেক সময় যাওয়ার আগেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগের কাজটা সেরে নেয়া হয়। তারপর ইয়াবার বড় বড় চালান নিয়ে নিজ এলাকা বগুড়ায় ফেরে মাদক বিক্রেতা শহিদুল ইসলাম।
এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা তাকে ধরতে জাল ফেলে অপেক্ষায় থাকে। এ জন্য অবশ্য বেশি দিন অপেক্ষা করতে হয়নি।
সোমবার কক্সবাজার থেকে চালান নিয়ে ফেরার পথে শহিদুল ইসলামসহ তার পরিবারের তিনজনকে গ্রেফতার করে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি বিশেষ দল। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়ার পুলিশ সুপার (সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত অ্যাডিশনাল ডিআইজি) আসাদুজ্জামান এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, বর্তমানে বগুড়ায় মাদক সেবন ও ব্যবসায়ীদের ধরতে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। বগুড়া থেকে মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত মাদক বিক্রেতা, সরবরাহকারী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে চলমান এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় ইয়াবার চালান নিয়ে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সদর উপজেলার শশীবদনী পূর্বপাড়ার আব্দুস সাত্তার আকন্দের ছেলে শহিদুল ইসলাম (২৭), ভাই কামরুল হাসান (১৯) ও শহিদুল ইসলামের স্ত্রী মুক্তা বেগম ওরফে খুকি (২২)।
এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে অভিযান চালিয়ে কাহালু উপজেলার মহেশপুর পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় কাহালু থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
জানা গেছে, চলতি মাসে এ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোট ৩০ হাজার ৪৩৫ পিস ইয়াবা ও ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধ ৭০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সদস্যরা।
এসব ঘটনায় ৩০টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি মামলার আসামি বগুড়া পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতি ব্রাজিল, সিরাজুলসহ মোট ৪৩ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়।
এএম/আইআই