‘বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র বিকল্প উপায়ে চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর
প্রকাশিত: ০৬:৫২ পিএম, ২৭ জুলাই ২০১৮

বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র বিকল্প উপায়ে চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

শুক্রবার দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু হেনা মো. রহমতুল মুনিম, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ ও পিডিবি’র চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ।

বড়পুকুরিয়া খনিতে কয়লা চুরি ও কয়লার অভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় সকালে উচ্চ পর্যায়ের ওই চার সদস্য বড়পুকুরিয়া পরিদর্শনে আসেন।

এ সময় তারা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রশাসনিক এলাকায় কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন। এরপর বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি পরিদর্শন করেন।

বৈঠক ও পরিদর্শন শেষে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমদ কায়কাউস জানান, বাংলাদেশের যা চাহিদা তা পূরণ করার মত দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন রয়েছে। তবে দূরবর্তী হওয়ার কারণে ভোল্টেজ ব্যালেন্স সমস্যা হচ্ছে। ৮টি জেলায় ১০০ থেকে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে। তাই এক থেকে দেড় ঘণ্টা করে লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া সিরাজগঞ্জে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি করে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কমানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ জানান, যারা এই ঘটনায় জড়িত তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কয়লা ঘাপলা করে যারা কষ্টের সম্মুখীন করেছেন তাদের বিষয়টি কোনোভাবেই হালকা করে দেখার উপায় নেই।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু হেনা মো. রহমতুল মুনিম জানান, খনিতে কয়লা ঘাটতির ব্যাপারে কর্মকর্তারা কি বলছেন এবং বাস্তবে কয়লার বিষয়টি দেখার জন্য এই পরিদর্শন। তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে চাহিদা মোতাবেক কয়লা সরবরাহ কবে নাগাদ দেয়া সম্ভব এবং কয়লা খনির উৎপাদন কবে শুরু করা সম্ভব সেটিও পরিদর্শনের বিষয় ছিল। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। দুদক বিষয়টি তদন্ত করছে। সত্যিকার অর্থে কয়লা ঘাটতি হলে তার দায়-দায়িত্ব কর্মকর্তাদের এবং তাদেরকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে।

আরএআর/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :