ছবি তোলা নিয়ে বিএনপি নেতাদের মারামারি
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার প্রতিবাদে বগুড়া জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশস্থলে ছবি তোলা নিয়ে দুই যুগ্ম সম্পাদকের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
এ সময় শারিরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহা উদ্দিন নাইন। সোমবার দুপুরে শহরের নবাববাড়ি সড়কে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন এবং শহর বিএনপির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বকুল সেখানে ছিলেন। কিন্তু তারাও মারামারি থামাতে ব্যর্থ হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ উপলক্ষে দুপুর ১২টার পর থেকে নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন। এর আগেই পুলিশ নবাববাড়ি সড়কে অফিসের সামনে ব্যারিকেড দিয়ে সমাবেশের স্থান নির্ধারণ করে দেয়।
দুপুর ১টার দিকে সমাবেশ শুরু হলে ছবি তোলার জন্য সামনের লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর পরিমল চন্দ্র দাসের সঙ্গে অপর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহা উদ্দিন নাইনের ধাক্কাধাক্কি হয়। এরা দুইজনই ছবি তোলার সময় লাইনের সামনে থেকে নিজের চেহারা দেখাতে উদগ্রীব ছিলেন।
ফটোসেশন শেষ হলে পরিমল ও নাইনের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। একজন-আরেকজনের শার্টের কলার ধরে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন। এই দৃশ্য দেখে উভয় পক্ষের কর্মীরা মারামারিতে যোগ দেন।

একপর্যায়ে পরিমলের কিছু সমর্থক তাহা উদ্দিন নাইনকে কিল-ঘুষি মারেন। এরপর তাহা উদ্দিন নাইন সমাবেশস্থল ত্যাগ করে চলে যান। পরে পুলিশ ও বিএনপির সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
এ ব্যাপারে জেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর পরিমল চন্দ্র দাস বলেন, কিছু কর্মী উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেছেন। পরে বিষয়টি সমাধানও হয়েছে। উভয়ের মধ্যে আর কোনো সমস্যা নেই।
অপর যুগ্ম সম্পাদক তাহা উদ্দিন নাইন বলেন, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমার ওপর হামলা করা হয়েছে। ঘটনাটি সম্পর্কে জেলার অন্যান্য নেতা অবগত আছেন।
এ ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পদক জয়নাল আবেদীন চাঁনের মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।
তবে জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম বলেন, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। বিষয়টি তাৎক্ষণিক সমাধান করে দেয়া হয়েছে।
লিমন বাসার/এএম/এমএস