যশোরে বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের সম্পাদককে কুপিয়ে হত্যা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি যশোর
প্রকাশিত: ০২:০৪ এএম, ১৬ এপ্রিল ২০২০

যশোরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুর্বৃত্তরা বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ রাসেলকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা ও তার ভাই আল-আমিনকে গুরুতর জখম করেছে।

বুধবার মধ্যরাতে যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের বালিয়া ভেকুটিয়া গ্রামের সরদারপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাসেল আরববপুর ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বালিয়া ভেকুটিয়া গ্রামের আবু সালেক মৃধার ছেলে। আহত আল-আমিন রাসেলের ছোটভাই।

আরবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম জানান, বুধবার রাত ১১টার দিকে বালিয়া ভেকুটিয়া গ্রামের সরদারপাড়ায় বাড়ির সামনে চায়ের দোকানে রাসেল ও তার ভাই আল-আমিন অবস্থান করছিল। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বালিয়া ভেকুটিয়া এলাকার পিচ্চি বাবু, শামিনুরসহ ১০/১২ জনের একটি দল পরিকল্পিতভাবে রাসেল ও তার ভাইয়ের ওপর হামলা চালায়। দুর্বৃত্তরা তাদের গুরুতর জখম করে ফেলে রেখে যায়। পরে পরিবারের লোকজন গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক রাসেলকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আল-আমিনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আরবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম আরও বলেন, হামলাকারীরা মাদকব্যবসায়ী। এই দুর্বৃত্তদের অপকর্ম রুখতে তিনি দশদিন আগেও ইউনিয়ন পরিষদের প্যাডে পুলিশ প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন। সেই দুর্বৃত্তরাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটালো।

নিহত রাসেলের বাবা আবু সালেক মৃধার বরাত দিয়ে শাহারুল ইসলাম আরও জানান, আবু সালেক মৃধা দাবি করেছেন, একই এলাকার যুবলীগ নামধারী শহীদ এ সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণ করে। শহীদের নির্দেশে তার বাড়িতে বসে পরিকল্পনা করেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এর আগেও শহীদ কয়েকবার রাসেলের ওপর হমলার চেষ্টা করেছে।

যশোর কোতয়ালী থানা পুলিশের কর্তব্যরত কর্মকর্তা এসআই সেকেন্দার জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পুলিশ জড়িতদের আটকের জন্য অভিযান শুরু করেছে।

মিলন রহমান/এমএএস/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।