হাসপাতালে সবই আছে শুধু জনবল নেই

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ঝালকাঠি
প্রকাশিত: ১১:০০ এএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

১৯৬৩ সালে যাত্রা শুরু হয় ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। কিন্তু চিকিৎসক সংকটসহ সকল ক্ষেত্রে জনবল সংকটে চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে এখানকার চিকিৎসাসেবা। এই সংকট দ্রুত কাটালে সুফল পাবেন এলাকার গরিব অসহায় রোগীরা।

জানা গেছে, হাসপাতালটিতে ২০ জন ডাক্তারের পদ থাকলেও ১০টি, ২৩ জন নার্সের মধ্যে ৬টি ও ওয়ার্ড বয়ের ৩টি পদের ৩টিই শূন্য রয়েছে। এছাড়াও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) ২ জন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওলজি) ১ জন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) ১ জন, ফার্মাসিস্ট ৪ জন না থাকার কারণে প্যাথলজিকাল কোনো পরীক্ষা হাসপাতালে সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া এক্স-রে, আলট্রাসোনগ্রাফিসহ বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা না হওয়ার ফলে যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রতি বছর যে সকল নতুন যন্ত্রপাতি বরাদ্দ হয় তা জনবল না থাকার কারণে ফেরত পাঠানো হয়।

তাছাড়া হাসপাতালে ১ জন করে পরিসংখ্যানবিদ, স্টোর কিপার, জুনিয়র মেকানিক ও অফিস সহকারীর ৩টি পদের ২টিই শূন্য রয়েছে। আবার আয়া ২টি পদের মধ্যে ২টি, কুক (বাবুর্চি) ২টি পদের ২টি, এমএলএসএস ৬টি পদের মধ্যে ৪টি, গার্ড ২টি পদের একটি ও সুইপার ৫টি পদের মধ্যে ৩টি পদ দীর্ঘদিন যাবৎ শূন্য রয়েছে। ফলে রোগীরা হাসপাতালের আশপাশের বেসরকারি ক্লিনিকের উপর নির্ভর হয়ে পড়ছে, যা অনেক ক্ষেত্রেই ব্যয়বহুল।

উপজেলার হেতালবুনিয়া গ্রামের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এতবড় সরকারি হাসপাতালে রোগী দেখা ছাড়া কোনো পরীক্ষা সম্ভব হয় না। অথচ ছোট্ট একটা ক্লিনিকে রোগীর সিজার থেকে সকল পরীক্ষা সম্ভব।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তাপস কুমার তালুকদার বলেন, সেবা শতভাগ দেয়ার ইচ্ছা থাকলেও জনবল না থাকার কারণে সেটা সম্ভব হয় না। জরুরিভাবে বাইরে থেকে লোকজন এনে নিজেদের অর্থায়নে কাজ করে দিন অতিবাহিত করছি। দিনরাত পরিশ্রম করে যতটুকু সম্ভব আমি ও আমার সহকর্মীরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।

আতিকুর রহমান/এফএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]