‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই সেশনজট, নেই ইমেজ সঙ্কটও’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গাজীপুর
প্রকাশিত: ০৮:১৪ পিএম, ০১ মার্চ ২০২১

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়ের অভিশাপ সেশনজট এখন আর নেই। নেই ইমেজ সঙ্কটও। বলেছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ। সোমবার (১ মার্চ) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি গত আট বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, সাফল্য ও অগ্রগতি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আজ একটি আইটিভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়। শতকরা ৯৫ ভাগ কর্মকাণ্ড অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। একই সঙ্গে প্রশাসন ব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিটি এক একর ভূমির ওপর তিনটি স্থায়ী আঞ্চলিক কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে। সারাদেশে অঞ্চলভিত্তিক আরও ছয়টি স্থায়ী আঞ্চলিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। ক্যাম্পাসে পূর্বে কারও জন্য কোনো আবাসনের ব্যবস্থা ছিল না। এখন ছয়তলাবিশিষ্ট দুটি ভবনসহ (একটি কর্মকর্তা ও একটি জরুরি সার্ভিসে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য) পাঁচটি ভবন নির্মিত হচ্ছে।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন পদ্ধতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ, নতুন নতুন একাডেমিক কোর্স প্রবর্তন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কলেজসমূহ প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কর্মমুখী ও টেকনিক্যাল বিষয়ে শর্ট কোর্স বা ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম চালুর চেষ্টা চলছে।’

এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুনাজ আহমেদ নূর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান, স্নাতকপূর্ব স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. নাসির উদ্দিন, কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর ড. মনিরুজ্জামান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামান, জনসংযোগ দফতরের পরিচালক ফয়জুল করিমসহ বিভিন্ন দফতরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

মো. আমিনুল ইসলাম/আরএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]