জমি নিয়ে বিরোধে শ্বাসরোধে ছোট ভাইকে খুন

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশিত: ১০:৩১ পিএম, ১১ জুলাই ২০২১

যশোরের শার্শায় জমি নিয়ে বিরোধে ছোট ভাই জসিম উদ্দিনকে (৩০) শ্বাসরোধে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বড় ভাই আব্দুর রউফ, ভাবী লিপি বেগম ও ভাতিজি সাদিয়া খাতুনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১০ জুলাই) রাত ১১টার দিকে উপজেলার জিরানগাছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রোববার (১১ জুলাই) ঘটনাটি জানাজানি হলে সন্ধ্যায় বড় ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের আটক করে পুলিশ।

নিহত জসিমউদ্দিন একই গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, জসিম কৃষিকাজ করতেন। দীর্ঘদিন ধরে তার বড় ভাই আব্দুর রউফ বিদেশে ছিলেন। সম্প্রতি দেশে ফেরার পর পাকা বাড়ি নির্মাণ করেন তিনি। জসিম বড় ভায়ের সঙ্গে একই বাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি বড় ভাইয়ের কাছে জমির ভাগ চাইলে এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাগ-বিতণ্ডা হয়। এরই জেরে শনিবার রাতে আব্দুর রউফ তার স্ত্রী লিপিকে নিয়ে মধ্যরাতে জসিমকে মারধর করেন। এরপর শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করেন।

সকাল বেলা বিষয়টি জানাজানি হলে তারা স্থানীয়দের জানান, বাথরুমে যাওয়ার সময় পড়ে জসিমের মৃত্যু হয়েছে। তবে মরদেহের নাকে, মুখে ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানান স্থানীয়রা। এছাড়া তারা রোববার বিকেলে তড়িঘড়ি করে মরদেহ দাফন করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বড় ভাই আব্দুর রউফ বলেন, ‘শনিবার রাতে দোকান থেকে বাড়ি এসে বাথরুমে যাওয়ার সময় জসিম বাঁশের কঞ্চির ওপরে পড়ে যায়। এতে তার নাকে, মুখে ও গলায় দাগ পড়ে।’

ওই গ্রামের ইউপি মেম্বার কে এম হাসান আলী বলেন, কিছুদিন ধরে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাগ-বিতণ্ডা চলছিল। জসিম আমার কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন। রোববার এটি মীমাংসা করার কথা ছিল। কিন্তু সেটি আর হলো না। সকালে শুনতে পাই জসিম মারা গেছেন।

নাভারন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জুয়েল ইমরান ও শার্শা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তরিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এই মুহূর্তে কোনো কিছু বলা যাচ্ছে না। তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের পর সব কিছু জানাতে পারবো।

জামাল হোসেন/এসএমএম/এমকেএইচ/এসআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।