দক্ষিণাঞ্চলে বিপৎসীমার ওপরে ৮ নদীর পানি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বরিশাল
প্রকাশিত: ০৮:৪০ পিএম, ০৫ জুলাই ২০২৩

দক্ষিণাঞ্চলের আটটি নদীর পানি সকাল থেকে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি ও নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

বুধবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. তাজুল ইসলাম।

তিনি জানান, পূর্ণিমা ও উজানের পানির চাপে আটটি নদীর পানি বেড়েছে। তবে দক্ষিণাঞ্চলে এখন পর্যন্ত বন্যার কোনো প্রভাব নেই। নদ-নদীর পানি যে পরিমাণ বেড়েছে তা মৌসুমের স্বাভাবিক পরিস্থিতি। এ অঞ্চলের নদীর গভীরতা ও প্রস্থ বড় হওয়ায় এর পানি ধারণক্ষমতা বেশি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বরিশালের হিজলা উপজেলার ধর্মগঞ্জ নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ১৭ সেন্টিমিটার, বরগুনার বেতাগী উপজেলার বিশখালী নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক শূন্য ৪ সেন্টিমিটার, পাথরঘাটা উপজেলার বিশখালী নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ২৬ সেন্টিমিটার, ভোলার দৌলতখান উপজেলার সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ৩৪ সেন্টিমিটার, তজুমদ্দিন উপজেলার সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ৬৭ সেন্টিমিটার এবং ভোলা খেয়াঘাট সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক শূন্য ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

উমেদপুর কচা নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক শূন্য ৬ সেন্টিমিটার এবং পিরোজপুরের বলেশ্বর নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বরিশালের কীর্তনখোলা, বাকেরগঞ্জের বুড়িশ্বর, গৌরনদী টরকি, বাবুগঞ্জ, ঝালকাঠির বিশখালী, কাইটপাড়া লোহালিয়া, মির্জাগঞ্জের পায়রা, পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি, বরগুনার বিশখালী ও আমতলীর বুড়িশ্বর নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি ও নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, বর্ষা মৌসুমে বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ১৯টি নদীর পানি প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়। বুধবারের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় আটটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বিভাগের নিম্নাঞ্চলের অনেক এলাকা তলিয়ে গেলেও ভাটায় আবার নেমে যাবে।

শাওন খান/এসআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।