হরমুজ প্রণালিতে ‘নতুন নিয়ম’ চূড়ান্ত করার দ্বারপ্রান্তে ইরান
পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিয়ে একটি বিস্তৃত পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি নেতাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে আইনি ও আর্থিক প্রণোদনার প্রস্তাবও প্রকাশ করা হয়েছে।
পার্লামেন্টারি কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি জানান, ‘পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা’ শিরোনামের একটি খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। পার্লামেন্ট পুনরায় অধিবেশনে বসলে এই খসড়া পর্যালোচনা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘সংবিধান পরিষদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে প্রাথমিক সমন্বয় সম্পন্ন হয়েছে এবং সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ থেকেও মতামত নেওয়া হয়েছে।
আজিজি জানান, পরিকল্পনাটি আন্তর্জাতিক আইন মেনে তৈরি করা হয়েছে এবং এতে হরমুজ প্রণালি নিয়ে অন্যান্য দেশের সঙ্গে চুক্তি করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অন্তর্ভুক্ত হরমুজ প্রণালি বিশ্বের ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত চোক-পয়েন্টের একটি এবং এটি একটি অতুলনীয় ভৌগোলিক সম্পদ, যা এতদিন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি।’
ইরান এখন এই সক্ষমতাকে শক্তি উৎপাদন, অর্থনৈতিক কার্যক্রম, প্রতিরক্ষা-নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক সেবায় কাজে লাগাতে চায় বলে উল্লেখ করা হয়।
পরিকল্পনায় শত্রুভাবাপন্ন দেশের জাহাজ এবং যেকোনো অজুহাতে সামরিক জাহাজের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার কথাও বলা হয়েছে। কমিশনের দাবি, সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর এটি ‘ইরানি জাতির জন্য নজিরবিহীন অর্জনের’ প্রতিফলন।
এদিকে, পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার বলেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নতুন আইনের আওতায় নিয়ন্ত্রিত হবে শিগগির আইনসভায় অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।