‘ছেড়া প্যান্ট পরবো না’ মর্মে মুচলেকা নিয়ে কলেজে ভর্তি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:২৮ পিএম, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
ছবি: সংগৃহীত

ফের পোশাক বিতর্কে কলকাতার আচার্য জগদীশচন্দ্র বোস কলেজ। গতবারের মতো পোশাক-বিধি নিয়ে আবারও কড়া অবস্থান নিলো এ কলেজ। এবার ভর্তির আগেই কার্যত ছেঁড়া জিন্স পরে কলেজে আসা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। এমনকি, ভর্তির সময় ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের এ বিষয়ে মুচলেকা দিতে হচ্ছে।

আর্চায জগদীশচন্দ্র বসু কলেজের ওয়েবসাইটে পোস্ট করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ছেঁড়া জিন্স বা ‘অশালীন’ পোশাক পরে কলেজে প্রবেশ করা যাবে না। তবে শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মীদের জন্যও এই নির্দেশ প্রযোজ্য হবে। আর সেই বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতেই পড়ুয়াদের দিতে হচ্ছে মুচলেকা, যেখানে স্বাক্ষর থাকছে অভিভাবকদেরও।

আচার্য জগদীশচন্দ্র বোস কলেজে পোশাক নিয়ে কড়াকড়ি নতুন নয়। গত বছরও তারা ছেঁড়া জিন্স পরে কলেজে প্রবেশের বিষয়ে নির্দেশ জারি করেছিল। সেসময় সাবালক শিক্ষার্থীদের পোশাক পরার অধিকারে কলেজের হস্তক্ষেপ নিয়ে তুমুল বিতর্ক হলেও, নির্দেশ প্রত্যাহার করেননি অধ্যক্ষ। আর এবার কলেজে ভর্তির প্রাথমিক শর্ত হিসেবেই ছেড়া জিন্স না পরার শর্তে মুচলেকা দিতে হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছে শিক্ষামহল।

স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কলেজে ভর্তি হওয়া ছাত্রছাত্রীরা বয়সের মাপকাঠিতে অধিকাংশই সাবালক। সেই পরিপ্রেক্ষিতে নিজের পছন্দ অনুযায়ী পোশাক পরার স্বাধীনতা রয়েছে তাদের। কিন্তু এবারও নিজেদের অবস্থানে অনড় এ কলেজ।

এ প্রসঙ্গে কলেজের অধ্যক্ষ ড. পূর্ণচন্দ্র মাইতির বক্তব্য, গত বছর নোটিস দেওয়ার পরও দেখা গেছে, দুই-একজন ছেঁড়া জিন্স পরে কলেজে চলে আসছে। আমি এমন অশালীন পোশাক পরে কলেজে প্রবেশর অনুমতি কোনোভাবেই দেব না। তাই আরও কড়া অবস্থান নিতে, ভর্তি হওয়ার সময়ই হলফনামা ফর্মে সই করিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এ ধরণের পদক্ষেপ কি ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ নয়- এমন প্রশ্রের জবাবে অধ্যক্ষ বলেন, কোনো শিক্ষার্থী নিজের পছন্দ মতো পোশাক পরতেই পারে, তবে তা কলেজের বাইরে। কলেজে ঢুকলে আমার নিয়ম, আমার শৃঙ্খলা।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

এসএএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।