ওষুধ প্রশাসন ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দ্বন্দ্ব কোথায়?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৩৪ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২০

কন্ট্রাক্ট রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (সিআরও) মাধ্যমে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত করোনা শনাক্তের কিট পরীক্ষা করতে যত টাকা লাগবে, তা দেয়ার প্রস্তাব করেছে সুচিন্তা ফাউন্ডেশন। এমিনেন্স কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামে একটি সিআরও প্রতিষ্ঠানও বিনা পয়সায় কিট পরীক্ষা করে দেয়ার প্রস্তাব করেছে।

তবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র বলছে, মধ্যস্বত্বভোগী সিআরও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তারা কিট পরীক্ষা করবে না। কেবল সরকারি প্রতিষ্ঠানে কিট পরীক্ষা করাবে। যেহেতু সরকারি প্রতিষ্ঠানে তারা কিট পরীক্ষা করবে, তাই সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের অর্থ এবং এমিনেস কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বিনা পয়সায় পরীক্ষার সহযোগিতা কাজে লাগছে না। তবে তাদের এগিয়ে আসার এ মানসিকতার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

এদিকে, বুধবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের উদ্ভাবিত করোনা শনাক্তের কিটের সক্ষমতা পরীক্ষা করতে চায় সিডিসি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে জাগো নিউজকে এসব তথ্য জানান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। স্বাভাবিকভাবেই তার কাছে প্রশ্ন, মধ্যস্বত্বভোগী সিআরও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কারণেই কী কিট পরীক্ষায় বিলম্ব?

jagonews24

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত করোনা শনাক্তের কিট যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিডিসির কাছে হস্তান্তর

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর জবাব, দেশে আটটি সিআরও প্রতিষ্ঠান আছে। তারা সবাই বেসরকারি। সিআরও করে এমন আরেকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হলো আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি)। এরা সবাই হলো মিডল ম্যান বা মধ্যস্বত্বভোগী প্রতিষ্ঠান। তারা পরীক্ষা করতে বড় অঙ্কের অর্থ নেয়। মধ্যস্বত্বভোগী এসব প্রতিষ্ঠান দিয়ে কিট পরীক্ষা করতে বলছে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর।

‘কেবল বেসরকারি সংস্থা দিয়ে কিট পরীক্ষা করব কেন? আমাদের সরকারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) এত বড় সক্ষমতা আছে, তারাও করতে চাচ্ছে। তাদের দেয়া হচ্ছে না কেন? তাছাড়া সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর), আর্মি প্যাথলজি বা শিশু হাসপাতাল করতে পারে। সরকারের এসব প্রতিষ্ঠানের কিট পরীক্ষার সক্ষমতা আছে। আমরা সরকারের এসব প্রতিষ্ঠান দিয়েই করাতে চাই। কিন্তু ওষুধ প্রশাসন তা দিচ্ছে না। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষা করছে ওষুধ প্রশাসন।’

তার যুক্তি, ‘সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলো কিট পরীক্ষা করলে তাদের সক্ষমতা, কার্যক্ষমতা বাড়বে। আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের দেশের নাম হবে। ওইসব সিআরও মধ্যস্বত্বভোগী প্রতিষ্ঠান আমাদের জাতীয় প্রতিষ্ঠানকে উঠতে দিচ্ছে না। এসব কারণে আমরা সরকারি প্রতিষ্ঠানে করতে চেয়েছি।’

jagonews24

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত করোনা শনাক্তের কিট

‘একটা চিঠি দিতে হবে ওষুধ প্রশাসন থেকে। তারা আমাদের বলবে, ওমুক জায়গায় স্যাম্পল দিয়ে আসেন, আমরা দিয়ে আসব। আর উনারা (ওষুধ প্রশাসন) বলতেছে, নিয়ম মানতেছি না। ভাই, নিয়মটা কী মানতেছি না’— প্রশ্ন রাখেন ডা. জাফরুল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, ‘এখন আমি চিঠি লিখেছি। আমি বিএসএমএমইউকেও চিঠি লিখেছি, ওষুধ প্রশাসনকেও। কোনো জায়গায় যেতে আমাদের আপত্তি নাই। তবে আমি সিআরও-র মাধ্যমে যাব না।’

মধ্যস্বত্বভোগী এসব প্রতিষ্ঠানের সমস্যা কোথায় তা তুলে ধরে জাফরুল্লাহ বলেন, ‘যত বেশি মধ্যস্বত্বভোগী বা মধ্যস্বত্বভোগী থাকবে, তত বেশি অকারণে জটিলতা বাড়ে, জিনিসের দাম বাড়ে। আমরা সিআরও পদ্ধতির বিরুদ্ধে। এটা তৃতীয় বিশ্বের স্বার্থবিরোধী। যেমন- কৃষক ধান উৎপাদন করে। আর ফড়িয়ারা ঢাকায় এনে তা বেশি দামে বিক্রি করে। যে ব্যবহারকারী, সেও ক্ষতিগ্রস্ত এবং যে উৎপাদন করছে, সেও ক্ষতিগ্রস্ত। লাভবান হলো মধ্যস্বত্বভোগী। সিআরও হলো একটা মধ্যস্বত্বভোগী প্রতিষ্ঠান। তারা বিভিন্নজনকে খুশি করে বিভিন্নভাবে। শেষপর্যায়ে খরচটা তো জনগণের ওপরই যায়।’

‘মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য তো আমরা দেখতেই পাচ্ছি আমাদের জীবনযাত্রায়। এ নিয়ম বদলানো দরকার। মানুষের স্বার্থবিরোধী নিয়ম আমি গ্রহণ করতে চাই না।’

সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের কিট পরীক্ষার টাকা দেয়ার বিষয়ে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘তারা কিট পরীক্ষার টাকা দিতে চায়। এটা তার (সুচিন্তা ফাউন্ডেশন) গুড ইনটেনশন (ভালো প্রবণতা)। তারা একটা ভালো কাজের অংশীদার হতে চেয়েছে, এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ, ধন্যবাদ জানাই। সরকারি ফি আমিও দিতে পারব। তাই সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের অর্থটা আপাতত প্রয়োজন পড়ছে না, যেহেতু আমরা সরকারি প্রতিষ্ঠানে করাতে চাই। ফলে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের অর্থটাও খরচ হচ্ছে না।’

jagonews24

ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর

এমিনেন্সের বিষয়ে তিনি বলেন, “এমিনেন্স বলে একটা মধ্যস্বত্বভোগী প্রতিষ্ঠান আছে, যারা সিআরও করে। তারাও এখন বিনা পয়সায় করতে রাজি আছে। আমি জিজ্ঞাসা করেছি, তোমরা যে বিনা পয়সায় করবা, চলবা কী কইরা? তারা বলে, ‘আমাকে অন্য কেউ পয়সা দেবে।’ তাদেরও ধন্যবাদ। তবে আমি তাদের না করে দিয়েছি। আমার কথা হলো, কোনো মধ্যস্বত্বভোগী প্রতিষ্ঠানে যাব না।’

বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলেও (বিএমআরসি) কিট জমা দিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। এ বিষয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘বিএমআরসির কাছে জমা দিয়েছি। তারা বলেছে, পরীক্ষা করে খুব সত্বর তাদের মতামত দেবে।’

ক্ষোভের সঙ্গে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘এগুলো সফল হলে সরকার গ্রহণ করবে কি-না, সেটা সরকারের ওষুধ প্রশাসনের ব্যাপার। আমার কাজ আমি করে দিচ্ছি। বাংলাদেশের মানুষ যদি নিজের স্বার্থ না বোঝে, আমি কী করব?’

‘মধ্যস্বত্বভোগী’ সিআরও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহর অভিযোগ প্রসঙ্গে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের শীর্ষপর্যায়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, ‘উনার (ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী) মনের মতো তো হবে না, আমাদের যে নিয়ম আছে, সেই নিয়ম অনুযায়ী করতে হবে। সিআরও-এর মাধ্যমেই তো করতে হবে।’

‘উনি বললেন যে, আইইডিসিআরে করবেন, কিন্তু সেখানে তিনি কীভাবে করবেন? সেখানে তো একটা প্রোটোকল ডেভেলপ করতে হবে, সেটা পাস করতে হবে, এ কাজগুলো কে করবে? এ কাজগুলো করার জন্য অ্যাসাইনড (দায়িত্বপ্রাপ্ত) প্রতিষ্ঠান লাগে, তা না হলে তো হয় না।’

এদিকে শুরু থেকেই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র দাবি করে আসছে, তাদের তৈরি কিটের মাধ্যমে দ্রুত এবং স্বল্প খরচে করোনা শনাক্ত করা সম্ভব। গত ২৬ এপ্রিল ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ‘কিট আসুক না আসুক, কাউকে ঘুষ দেবে না গণস্বাস্থ্য’— এমনটি উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র যে কিট উদ্ভাবন করেছে, সেটা সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর নেয়নি। তিনি সেসময় বলেন, ‘সরকারের ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ব্যবসায়িক স্বার্থে জাতীয় স্বার্থের বিপক্ষে কাজ করছে। তারা নানা অজুহাত দেখিয়ে গণস্বাস্থ্যের কিট গ্রহণ করেনি। আমরা জনগণের স্বার্থে শুধু সরকারের মাধ্যমে পরীক্ষা করে কিটটি কার্যকর কি-না, তা দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সরকারিভাবে প্রতি পদে পদে পায়ে শিকল দেয়ার চেষ্টা হয়েছে।’

jagonews24

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর এমন অভিযোগের পরদিন (২৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘তারা ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দিলেন, এখন বলছেন সহযোগিতা করছি না?’

তিনি বলেন, ওনারা একটা টেস্ট ডেভেলপ করেছেন। আমাদের দিক থেকে, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের দিক থেকে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত ছিলাম এবং এখনও আছি। আমরা যে সহযোগিতা করেছি এর প্রমাণ আমি বলি। ওনাদেরই চিঠি। একটি চিঠি তুলে ধরে ডিজি বলেন, এটা গণস্বাস্থ্যের চিঠি। এখানে ওনারা লিখেছেন, ‘দেশে এই অস্বাভাবিক অবস্থা ও সার্বিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আপনারা দ্রুত আমাদের অনুরোধে সাড়া দিয়ে ৭ এপ্রিল ফ্যাক্টরি ভিজিট করা এবং আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’ এই চিঠি তাদের।

আরও একটি চিঠি তুলে ধরে মহাপরিচালক বলেন, এটাও গণস্বাস্থ্যের চিঠি, আমাদের কাছ থেকে নিতে পারেন। ওখানে ওনারা বলেছেন, ‘কিট তৈরি ও বিপণন অনুমোদনের জন্য আপনারা আমাদের কারখানা সরেজমিনে যৌথভাবে পরিদর্শন করার নিমিত্তে একটি কমিটি গঠন করে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছেন। আপনাদের এই দ্রুত সিদ্ধান্তের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’ এটি কিন্তু তাদের ২২ মার্চের চিঠি।

jagonews24

‘ওনারা তাহলে কীভাবে মনে রাখছেন। ওনারা যে বলছেন সহযোগিতা আমরা করছি না। তাহলে ওনারা কীভাবে বলতে পারেন, আমরা সহযোগিতা করছি না। আমরা তাদের বলেছি, এটা উদ্ভাবন হয়েছে, সেই উদ্ভাবন আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী যেভাবে এটিকে ভ্যালিডেটেড করতে হয়, সেটি করতে হবে’— বলেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের ডিজি।

গত ২৫ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে করোনাভাইরাস পরীক্ষার কিট ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট’ হস্তান্তর করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

কিট হস্তান্তরের সময় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী অভিযোগ করেন, আমন্ত্রণ জানানোর পরও মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার্স ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) ছাড়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত এ কিট গ্রহণের জন্য যায়নি সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান। ফলে প্রতিনিধি না থাকায় স্বাস্থ্য অধিদফতরকে কিট দেয়া যায়নি। আমাদের সিডিসি কনফার্ম করেছিল আসবে, একমাত্র তারাই এসেছে। সিডিসিকেই আমরা দিয়ে দেব। বাকিদের আমরা কালকে সরকারিভাবে প্রত্যেকের অফিসে পৌঁছে দেব। আমাদের দুঃখ, আপনাদের সামনে হস্তান্তর করতে পারছি না।’

পিডি/এমএআর/এমএস

বেসরকারি নয় সরকারি প্রতিষ্ঠান দিয়ে কিট পরীক্ষা করাব। কিন্তু ওষুধ প্রশাসন তা দিচ্ছে না। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষা করছে ওষুধ প্রশাসন…

উনার (ডা. জাফরুল্লাহ) মনের মতো তো হবে না, আমাদের যে নিয়ম আছে, সেই নিয়ম অনুযায়ী করতে হবে। সিআরও-এর মাধ্যমেই তো করতে হবে…

মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য তো আমরা দেখতেই পাচ্ছি আমাদের জীবনযাত্রায়। এ নিয়ম বদলানো দরকার। মানুষের স্বার্থবিরোধী নিয়ম আমি গ্রহণ করতে চাই না…

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬২,৬২,৪২২
আক্রান্ত

৩,৭৩,৮৪৮
মৃত

২৮,৪৬,৪৭৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৭,১৫৩ ৬৫০ ৯,৭৮১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮,৩৭,১৭০ ১,০৬,১৯৫ ৫,৯৯,৮৬৭
ব্রাজিল ৫,১৪,৮৪৯ ২৯,৩১৪ ২,০৬,৫৫৫
রাশিয়া ৪,০৫,৮৪৩ ৪,৬৯৩ ১,৭১,৮৮৩
স্পেন ২,৮৬,৫০৯ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৭৪,৭৬২ ৩৮,৪৮৯ ৩৪৪
ইতালি ২,৩৩,০১৯ ৩৩,৪১৫ ১,৫৭,৫০৭
ভারত ১,৯০,৬০৯ ৫,৪০৮ ৯১,৮৫২
ফ্রান্স ১,৮৮,৮৮২ ২৮,৮০২ ৬৮,৩৫৫
১০ জার্মানি ১,৮৩,৪৯৪ ৮,৬০৫ ১,৬৫,২০০
১১ পেরু ১,৬৪,৪৭৬ ৪,৫০৬ ৬৭,২০৮
১২ তুরস্ক ১,৬৩,৯৪২ ৪,৫৪০ ১,২৭,৯৭৩
১৩ ইরান ১,৫১,৪৬৬ ৭,৭৯৭ ১,১৮,৮৪৮
১৪ চিলি ৯৯,৬৮৮ ১,০৫৪ ৪২,৭২৭
১৫ কানাডা ৯০,৯৪৭ ৭,২৯৫ ৪৮,৮৭৯
১৬ মেক্সিকো ৯০,৬৬৪ ৯,৯৩০ ৬৪,৩২৬
১৭ সৌদি আরব ৮৫,২৬১ ৫০৩ ৬২,৪৪২
১৮ চীন ৮৩,০১৭ ৪,৬৩৪ ৭৮,৩০৭
১৯ পাকিস্তান ৬৯,৪৯৬ ১,৪৮৩ ২৫,২৭১
২০ বেলজিয়াম ৫৮,৩৮১ ৯,৪৬৭ ১৫,৮৮৭
২১ কাতার ৫৬,৯১০ ৩৮ ৩০,২৯০
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৬,৪৪২ ৫,৯৫৬ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৪২,৫৫৬ ২৩৫ ১৮,৫১৪
২৪ ইকুয়েডর ৩৯,০৯৮ ৩,৩৫৮ ১৯,৫৯২
২৫ সুইডেন ৩৭,৫৪২ ৪,৩৯৫ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩৪,৮৮৪ ২৩ ২১,৬৯৯
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩৪,৫৫৭ ২৬৪ ১৭,৯৩২
২৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২,৬৮৩ ৬৮৩ ১৬,৮০৯
২৯ পর্তুগাল ৩২,৫০০ ১,৪১০ ১৯,৪০৯
৩০ সুইজারল্যান্ড ৩০,৮৬২ ১,৯২০ ২৮,৫০০
৩১ কলম্বিয়া ২৯,৩৮৩ ৯৩৯ ৮,৫৪৩
৩২ কুয়েত ২৭,০৪৩ ২১২ ১১,৩৮৬
৩৩ ইন্দোনেশিয়া ২৬,৪৭৩ ১,৬১৩ ৭,৩০৮
৩৪ আয়ারল্যান্ড ২৪,৯৯০ ১,৬৫২ ২২,০৮৯
৩৫ মিসর ২৪,৯৮৫ ৯৫৯ ৬,৮১০
৩৬ পোল্যান্ড ২৩,৭৮৬ ১,০৬৪ ১১,২৭১
৩৭ ইউক্রেন ২৩,৬৭২ ৭০৮ ৯,৫৩৮
৩৮ রোমানিয়া ১৯,২৫৭ ১,২৬৬ ১৩,২৫৬
৩৯ ফিলিপাইন ১৮,০৮৬ ৯৫৭ ৩,৯০৯
৪০ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৭,২৮৫ ৫০২ ১০,৫৫৯
৪১ ইসরায়েল ১৭,০৭১ ২৮৫ ১৪,৮১২
৪২ জাপান ১৬,৮৫১ ৮৯১ ১৪,৪৫৯
৪৩ আর্জেন্টিনা ১৬,৮৫১ ৫৩৯ ৫,৩৩৬
৪৪ অস্ট্রিয়া ১৬,৭৩১ ৬৬৮ ১৫,৫৯৩
৪৫ আফগানিস্তান ১৫,২০৫ ২৫৭ ১,৩২৮
৪৬ পানামা ১৩,৪৬৩ ৩৩৬ ৯,৫১৪
৪৭ ডেনমার্ক ১১,৬৬৯ ৫৭৪ ১০,৩৬২
৪৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৪৬৮ ২৭০ ১০,৪০৫
৪৯ ওমান ১১,৪৩৭ ৪৯ ২,৬৮২
৫০ সার্বিয়া ১১,৪১২ ২৪৩ ৬,৬৯৮
৫১ বাহরাইন ১১,৩৯৮ ১৯ ৬,৬৭৩
৫২ কাজাখস্তান ১০,৮৫৮ ৪৮৯ ৫,৪০৪
৫৩ নাইজেরিয়া ১০,১৬২ ২৮৭ ৩,০০৭
৫৪ বলিভিয়া ৯,৫৯২ ৩১০ ৮৮৯
৫৫ আলজেরিয়া ৯,৩৯৪ ৬৫৩ ৫,৭৪৮
৫৬ আর্মেনিয়া ৯,২৮২ ১৩১ ৩,৩৮৬
৫৭ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,২৬৮ ৩২০ ৬,৫৫৮
৫৮ নরওয়ে ৮,৪৪০ ২৩৬ ৭,৭২৭
৫৯ মলদোভা ৮,২৫১ ২৯৫ ৪,৫৮১
৬০ ঘানা ৭,৮৮১ ৩৬ ২,৮৪১
৬১ মালয়েশিয়া ৭,৮১৯ ১১৫ ৬,৩৫৩
৬২ মরক্কো ৭,৮০৭ ২০৫ ৫,৪৫৯
৬৩ অস্ট্রেলিয়া ৭,১৯৫ ১০৩ ৬,৬১৪
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৮৫৯ ৩২০ ৫,৫০০
৬৫ ইরাক ৬,৪৩৯ ২০৫ ৩,১৫৬
৬৬ ক্যামেরুন ৫,৯০৪ ১৯১ ৩,৫৬৮
৬৭ আজারবাইজান ৫,৪৯৪ ৬৩ ৩,৪২৮
৬৮ হন্ডুরাস ৫,০৯৪ ২০১ ৫৩৬
৬৯ সুদান ৫,০২৬ ২৮৬ ১,৪২৩
৭০ গুয়াতেমালা ৪,৭৩৯ ১০২ ৭০৬
৭১ লুক্সেমবার্গ ৪,০১৮ ১১০ ৩,৮৩৩
৭২ তাজিকিস্তান ৩,৯৩০ ৪৭ ২,০০৪
৭৩ হাঙ্গেরি ৩,৮৭৬ ৫২৬ ২,১৪৭
৭৪ গিনি ৩,৭০৬ ২৩ ২,০৩০
৭৫ সেনেগাল ৩,৬৪৫ ৪২ ১,৮০১
৭৬ উজবেকিস্তান ৩,৬২৩ ১৫ ২,৮৩৭
৭৭ জিবুতি ৩,৩৫৪ ২৪ ১,৫০৪
৭৮ থাইল্যান্ড ৩,০৮১ ৫৭ ২,৯৬৩
৭৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩,০৭০ ৭২ ৪৪৮
৮০ গ্রীস ২,৯১৭ ১৭৫ ১,৩৭৪
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৮৩৩ ৩৩ ১,৪৩৫
৮২ গ্যাবন ২,৬৫৫ ১৭ ৭২২
৮৩ এল সালভাদর ২,৫১৭ ৪৬ ১,০৪০
৮৪ বুলগেরিয়া ২,৫১৩ ১৪০ ১,০৭৪
৮৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৫১০ ১৫৩ ১,৮৬২
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৬ ১০৩ ২,০৭২
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,২২৬ ১৩৩ ১,৫৫২
৮৮ কিউবা ২,০৪৫ ৮৩ ১,৮০৯
৮৯ সোমালিয়া ১,৯৭৬ ৭৮ ৩৪৮
৯০ কেনিয়া ১,৯৬২ ৬৪ ৪৭৮
৯১ এস্তোনিয়া ১,৮৬৯ ৬৮ ১,৬২৪
৯২ হাইতি ১,৮৬৫ ৪১ ২৯
৯৩ আইসল্যান্ড ১,৮০৬ ১০ ১,৭৯৪
৯৪ মালদ্বীপ ১,৭৭৩ ৪৫৩
৯৫ কিরগিজস্তান ১,৭৪৮ ১৬ ১,১৭০
৯৬ মায়োত্তে ১,৬৯৯ ২১ ১,৩৮৫
৯৭ লিথুনিয়া ১,৬৭৫ ৭০ ১,২৩৬
৯৮ শ্রীলংকা ১,৬৩৩ ১০ ৮০১
৯৯ নেপাল ১,৫৭২ ২২০
১০০ স্লোভাকিয়া ১,৫২১ ২৮ ১,৩৬৬
১০১ ভেনেজুয়েলা ১,৫১০ ১৬ ৩০২
১০২ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৮১
১০৩ স্লোভেনিয়া ১,৪৭৩ ১০৮ ১,৩৫৮
১০৪ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,৩০৬ ১২ ২০০
১০৫ মালি ১,২৬৫ ৭৭ ৭১৬
১০৬ গিনি বিসাউ ১,২৫৬ ৪২
১০৭ লেবানন ১,২২০ ২৭ ৭১২
১০৮ ইথিওপিয়া ১,১৭২ ১১ ২০৯
১০৯ আলবেনিয়া ১,১৩৭ ৩৩ ৮৭২
১১০ হংকং ১,০৮৫ ১,০৩৭
১১১ তিউনিশিয়া ১,০৭৭ ৪৮ ৯৬০
১১২ লাটভিয়া ১,০৬৬ ২৪ ৭৪৫
১১৩ জাম্বিয়া ১,০৫৭ ৭৭৯
১১৪ কোস্টারিকা ১,০৫৬ ১০ ৬৬৯
১১৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১,০১১ ২৩
১১৬ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১১৭ প্যারাগুয়ে ৯৮৬ ১১ ৪৭৭
১১৮ নাইজার ৯৫৮ ৬৪ ৮৩৯
১১৯ সাইপ্রাস ৯৪৪ ১৭ ৭৯০
১২০ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬৮৫
১২১ সিয়েরা লিওন ৮৬১ ৪৬ ৪৫৪
১২২ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৪৭ ৫৩ ৭২০
১২৩ জর্জিয়া ৭৮৩ ১২ ৬০৫
১২৪ চাদ ৭৭৮ ৬৫ ৪৯১
১২৫ মাদাগাস্কার ৭৭১ ১৬৮
১২৬ এনডোরা ৭৬৪ ৫১ ৬৯৪
১২৭ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২৮ জর্ডান ৭৩৯ ৫৮৬
১২৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৩০ সান ম্যারিনো ৬৭১ ৪২ ৩৫৭
১৩১ মালটা ৬১৮ ৫৩৪
১৩২ কঙ্গো ৬১১ ২০ ১৭৯
১৩৩ জ্যামাইকা ৫৮৬ ৩১১
১৩৪ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৭২
১৩৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬০ ৪৫ ৫২৮
১৩৬ মৌরিতানিয়া ৫৩০ ২৩ ২৭
১৩৭ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৯৯ ২০০
১৩৯ রিইউনিয়ন ৪৭১ ৪১১
১৪০ তাইওয়ান ৪৪২ ৪২৩
১৪১ টোগো ৪৪২ ১৩ ২১১
১৪২ কেপ ভার্দে ৪৩৫ ১৯৩
১৪৩ উগান্ডা ৪১৭ ৭২
১৪৪ রুয়ান্ডা ৩৭০ ২৫৬
১৪৫ বেনিন ৩৩৯ ১৪৩
১৪৬ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৯
১৪৭ মরিশাস ৩৩৫ ১০ ৩২২
১৪৮ ভিয়েতনাম ৩২৮ ২৭৯
১৪৯ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৫০ ইয়েমেন ৩২৩ ৮০ ১৪
১৫১ লাইবেরিয়া ২৮৮ ২৭ ১৫৭
১৫২ ইসওয়াতিনি ২৮৫ ১৮৯
১৫৩ মালাউই ২৮৪ ৪২
১৫৪ মোজাম্বিক ২৫৪ ৯১
১৫৫ মায়ানমার ২২৪ ১৩৮
১৫৬ মার্টিনিক ২০০ ১৪ ৯৮
১৫৭ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৮ মঙ্গোলিয়া ১৭৯ ৪৪
১৫৯ জিম্বাবুয়ে ১৭৮ ২৯
১৬০ জিব্রাল্টার ১৭০ ১৪৯
১৬১ গুয়াদেলৌপ ১৬২ ১৪ ১৩৮
১৬২ লিবিয়া ১৫৬ ৫২
১৬৩ গায়ানা ১৫৩ ১২ ৭০
১৬৪ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬৫ কেম্যান আইল্যান্ড ১৪১ ৬৮
১৬৬ বারমুডা ১৪০ ৯২
১৬৭ কম্বোডিয়া ১২৫ ১২৩
১৬৮ সিরিয়া ১২২ ৪৬
১৬৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৭ ১০৮
১৭০ কমোরস ১০৬ ২৬
১৭১ বাহামা ১০২ ১১ ৪৮
১৭২ আরুবা ১০১ ৯৮
১৭৩ মোনাকো ৯৯ ৯০
১৭৪ বার্বাডোস ৯২ ৭৬
১৭৫ অ্যাঙ্গোলা ৮৬ ১৮
১৭৬ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৭ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬০
১৭৮ বুরুন্ডি ৬৩ ৩৩
১৭৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৮০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮১ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮২ ভুটান ৪৩
১৮৩ সেন্ট মার্টিন ৪১ ৩৩
১৮৪ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৫ বতসোয়ানা ৩৫ ২০
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৬ ১৯
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৬ ১৫
১৮৮ গাম্বিয়া ২৫ ২০
১৮৯ নামিবিয়া ২৪ ১৪
১৯০ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯১ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯২ সুরিনাম ২৩
১৯৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৯ ১৮
১৯৪ কিউরাসাও ১৯ ১৪
১৯৫ লাওস ১৯ ১৬
১৯৬ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৭ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৮ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৯ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
২০০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০১ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১১
২০২ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১১
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।