অনাবাদি জমি চাষাবাদের আওতায় আনার নির্দেশ ডিসিদের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:০৪ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২৩

দেশের সব অনাবাদি জমি চাষাবাদের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় অধিবেশনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অধিবেশন শেষে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, করোনায় ধান কাটা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল, তখন জেলা প্রশাসকরা অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন। আমাদের সহযোগিতা করেছেন। খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে বিতরণ সব কার্যক্রমে ডিসিদের ভূমিকা থাকে। আমরা বলেছি, আগামী দিনে তারা যেন আমাদের আরও সহযোগিতা করেন।

>> পরিবেশবান্ধব ইট উৎপাদকদের ব্যাংক ঋণ পেতে সহযোগিতা করা হবে

দেশে ভোজ্যতেলের উৎপাদন বাড়াতে সরিষার চাষ বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আগে বিঘায় এক থেকে দুই মণ ভুট্টা হতো। আমাদের বিজ্ঞানীরা নতুন জাত উদ্ভাবন করার পর এখন বিঘাপ্রতি উৎপাদন হচ্ছে ৭ থেকে ১০ মণ। ডিসিদের মাধ্যমে এ প্রযুক্তিগুলো দ্রুত মাঠে কৃষকের কাছে পৌঁছাতে হবে। যেন চাষিরা এসব গ্রহণ করে। উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণসহ সবকিছুতে জেলা প্রশাসকরা যেন ভূমিকা রাখেন এবং আমাদের সহযোগিতা করেন।

>> কচুরিপানার জটে অনাবাদি ১০ হাজার বিঘা জমি

ড. রাজ্জাক আরও বলেন, বরিশালের অনাবাদি জমি আবাদের আওতায় আনা এবং হাওরে বন্যার আগেই যেন ধান কেটে ঘরে তোলা যায়, এমন জাত উদ্ভাবনের প্রস্তাব দিয়েছেন ডিসিরা। এ বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েছি। নতুন নতুন কৃষি গবেষণা কেন্দ্র করার বিষয়ে আমরা উদ্যোগ নেবো।

>> যেসব বিষয়ে ডিসিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

খাদ্য নিয়ে ডিসিরা কোনো আশঙ্কার কথা বলেননি বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী।

এ অধিবেশন নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অধিবেশনে সয়াবিন চাষের উপযোগী এলাকায় সয়াবিন চাষসহ স্বল্প জীবনকালের ধানের জাত উদ্ভাবন এবং হাওর এলাকায় সংরক্ষণের জন্য ধান মাড়াই ও সংরক্ষণের উপযুক্ত থ্রেসিং ফ্লোরসহ শেড নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

>> জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে: ডিসিদের প্রধানমন্ত্রী

এছাড়া রাজশাহী জেলায় পান গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সাতক্ষীরায় আম গবেষণা কেন্দ্র, নীলফামারীতে হর্টিকালচার সেন্টার নির্মাণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। পার্বত্য জেলাগুলোতে কাজুবাদাম, কফি প্রভৃতি ফসল উৎপাদনে উদ্যোগ নিতেও সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে।

যন্ত্রনির্ভর আধুনিক ও বাণিজ্যিক কৃষির সম্প্রসারণ বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

আরএমএম/এমকেআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।