অক্টোবরের মাঝামাঝি যাত্রী নিয়ে মতিঝিল যাবে মেট্রোরেল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৩৬ পিএম, ১৪ আগস্ট ২০২৩
ফাইল ছবি

বর্তমানে উত্তরা উত্তর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলাচল করছে মেট্রোরেল। আর পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রী ছাড়া আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত চলছে মেট্রোরেল। তবে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে মেট্রোরেল যাত্রী নিয়ে মতিঝিল যাবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (১৪ আগস্ট) সেতু বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের দক্ষিণে কাওলা থেকে ফার্মগেট অংশের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিক দেশের বৃহত্তম প্রকল্প। প্রকল্পটি হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরের দক্ষিণে কাওলা হতে শুরু হয়ে কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-মালিবাগ-খিলগাঁও-কমলাপুর হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়করে কুতুবখালী পর্যন্ত যাবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৮ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। প্রকল্পের মূল দৈর্ঘ্য ১৯ তশমিব ৭৩ কিলোমিটার। র‌্যাম্পসহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দগশমিক ৭৩ কিলোমিটার। এ পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৬৫ ভাগ। প্রকল্পটি জুন ২০২৪ তারিখে শেষ হবে।

আরও পড়ুন>> মেট্রোরেলে কারিগরি ত্রুটি, আড়াই ঘণ্টা বন্ধের পর চালু

বর্তমানে প্রকল্পের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের দক্ষিণে কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশ যান চলাচলে জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এ অংশের মেইন লাইনের দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৫ কিলোমিটার এবং র্যাম্পের দৈর্ঘ্য ১১ কিলোমিটার। র্যাম্পসহ মোট দৈর্ঘ্য ২২ দশমিক ৫ কিলোমিটার । কাওলা হতে ফার্মগেট অংশে ওঠা-নামার জন্য মোট ১৫টি র্যাম্প (এয়ারপোর্ট অংশে ২টি, কুড়িল অংশে ৩টি, বনানী অংশে ৪টি, মহাখালী অংশে ৩টি, বিজয় সরণি অংশে ২টি এবং ফার্মগেটরে ১টি) রয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি র্যাম্প যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।

মন্ত্রী আরও জানান, এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা আপাতত ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার। হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের দক্ষিণে কাওলা হতে ফার্মগেট পর্যন্ত যেতে সময় লাগবে ১০ মিনিট। এক্সপ্রেসওয়ের ওপর দিয়ে থ্রি-হুইলার, বাইসাইকেল, পথচারী চলাচল করতে পারবে না। আপাতত মোটরসাইকেলও চলাচল করতে পারবে না।

আরও পড়ুন>> প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের সড়কে ‘নিম্ন’ গ্রেডের বিটুমিন

প্রকল্পটি ঢাকা শহরের উত্তর-দক্ষিণ করিডরের সড়ক পথের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। এছাড়াও প্রকল্পটি ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হলে ঢাকা ইপিজেড ও উত্তরবঙ্গের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের যোগাযোগ সহজতর হবে। এতে করে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনের পাশাপাশি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।

ব্রিফিংয়ে সেতু বিভাগের সচিব মো. মনজুর হোসেন, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এ এইচ এম এস আকতার, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন সড়ক টানেল নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. হারুনুর রশীদ চৌধুরীসহ সেতু বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমওএস/ইএ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।