ঢাকা-১৪

দলবাজির মধ্যে ধর্মকে আনা যাবে না: সানজিদা তুলি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:২১ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
সকালে মিরপুর এলাকায় গণসংযোগ করেন ধানের শীষের প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি/ছবি: জাগো নিউজ

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে শুরু হওয়া ভোটের প্রচারণায় প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকেরা ভোটারদের কাছে গিয়ে নিজ দলের পক্ষে ‘দলবাজি’ করলেও সেখানে যেন ধর্মকে টেনে আনা না হয়, সে অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম তুলি।

বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ হলেও এদেশে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের সহাবস্থানের কথা উল্লেখ করেন ধানের শীষের এ প্রার্থী।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে নিজ নির্বাচনি এলাকা রাজধানীর মিরপুরের মাজার রোডে প্রচারণার সময় তিনি এ অনুরোধ জানান। এসময় তিনি গত এক বছর ধরে দলবাজির মধ্যে ধর্মকে নিয়ে আসা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সানজিদা তুলি বলেন, রাজনীতি লুকিয়ে করার কোনো বিষয় নয়। প্রত্যেক ধর্ম-বর্ণের মানুষ যেন সুন্দরভাবে প্রতিযোগিতাপূর্ণ একটা অবস্থায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় ধানের শীষের বিজয় হবে বলেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

বিএনপির এ নারী প্রার্থী আরও বলেন, ঢাকা-১৪ আসনের এরিয়া অনেক বড়। সে অনুযায়ী হাতে প্রচারণার সময় অনেক কম। তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। ভোটারদের কাছে গিয়ে দেখছি, ধানের শীষের সঙ্গে সাধারণ জনগণের কানেকটিভিটি অনেক বেশি।

তিনি বলেন, রাজনীতি লুকিয়ে করার বিষয় নয়। রাজনীতি জনগণের কল্যাণের জন্য। তবে দলবাজির মধ্যে ধর্মকে আনা যাবে না। আমরা মুসলিম প্রধান দেশ। কিন্তু প্রত্যেক ধর্ম-বর্ণের মানুষ যেন খুব ভালোভাবে সহাবস্থান করতে পারে, আমরা ছোটবেলা থেকে সেই কালচারেই বড় হয়েছি।

‘গত এক বছরে দলবাজির মধ্যে ধর্মকে টেনে আনা হয়েছে। এটি আমরা আশা করি না। আমরা চাই- সব মানুষ সুন্দরভাবে প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক’- যোগ করেন সানজিদা তুলি।

এসময় দেশকে গণতন্ত্র ও সুশাসনের ধারায় ফেরাতে ভোটারদের কাছে ধানের শীষে ভোট চান তিনি।

এমকেআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।