নারীদের আগামীতে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা আছে: জামায়াত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:০৫ পিএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

আগামীতে নারীদের প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা আছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি বলেছেন, জামায়াতে নারী কর্মীদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয় না। এটা তাদের সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। আগামীতে নারীদের প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

নারীদের কেন প্রার্থী করা হয়নি? এমন প্রশ্নের জবাবে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জামায়াতে ৪০ শতাংশই নারী কর্মী; যা অন্য কোনো দলে নেই। এই দলে নিজ থেকে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশের কোনো সুযোগ নেই। মাঠ থেকে যেসব প্রস্তাবনা আসবে সে আলোকেই প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়। তবে পুরুষের ক্ষেত্রে দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হয়। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে তাদের নিজেদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। কারণ তাদের সামগ্রিক বাস্তব পরিস্থিতির ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়।

নির্বাচনি প্রচারণার সময় বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলা, হেনস্তা ও নাজেহাল করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

তিনি বলেন, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন যদি সঠিক ভূমিকা পালন করে তাহলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত সম্ভব। যদি এসব নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, তাহলে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

বৈঠকে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। আর জামায়াতের প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য অলিউল্লাহ নোমান।

জামায়াতের এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, নির্বাচনি প্রচারণায় বিভিন্ন স্থানে আমাদের নারী কর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে। গায়ে পড়ে এসব হামলা করা হচ্ছে। আমরা মনে করি যে গত চারদিনে যা হয়েছে তাতে আমরা উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠার মধ্যে আছি।

সার্বিক অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, যেখানে দেশের মোট ভোটারের অর্ধেক হচ্ছেন নারী সেখানে নারীরা স্বাভাবিকভাবে নারীদের পক্ষ থেকে কথা বললে কমফোর্ট ফিল করেন। এটা ভালো দিক যে নারীরা রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন। তারা ভোটের এই আয়োজনে ভূমিকা রাখছেন।

দলের নির্দেশে নারী কর্মীরা এনআইডি কার্ড নিচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে জুবায়ের বলেন, এ ধরনের কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই যে আমাদের কোনো নারী এটা করেছেন। আমাদের কোনো এই ধরনের নির্দেশনা নেই যে তাদের কাছে কোনো বাসায় গিয়ে কোনো বাড়ি গিয়ে আইডি নম্বর চাইবেন বা বিকাশ নম্বর চাইবেন। এটা কেন চাইবে? তিনি বলেন, যেহেতু জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে এখন নারীদের অসাধারণ সমর্থন আমরা দেখতে পাচ্ছি গ্রাম অঞ্চল থেকে শুরু করে সব দেশে নারীদের এবং বিশেষ করে তরুণ-যুবক-যুবতীদের ছাত্র-ছাত্রীদের এটা বিরাট সমর্থন। আমাদের ধারণা এটার কারণেই একটি বড় দল এই আচরণ করছে।

এমওএস/এমআইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।