মোটরসাইকেলে মালিবাগে যান ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:২৫ এএম, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ | আপডেট: ১২:৪৩ পিএম, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭
এই ট্রাক ছেড়ে তিনি মোটরসাইকেলে ওঠেন

নেতাকর্মীদের ভিড়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আগমগীরকে বহন করা ট্রাক সামনে এগোতে পারছিল না। এরপর পার্টি অফিসের পাশ থেকে একটি মোটরসাইকেল আনা হয়। এতে করে বিজয়নগর থেকে মালিবাগ মোড়ে যান তিনি। এখানেই ১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষে বিএনপির বিজয় র‌্যালিটি শেষ হয়েছে।

র‌্যালিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢল নামে। রোববার বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে এ র‌্যালি শুরু হয়। র‌্যালিটি বিকেল সাড়ে ৩টায় মালিবাগে পৌঁছে। দ্রুত মালিবাগ পৌঁছতে ফখরুল ইসলাম আলমগীর ট্রাক ছেড়ে মোটরসাইকেলে করে সেখানে যান।

জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন হাতে রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে র‌্যালিতে অংশ নেন নেতাকর্মীরা। র‌্যালিতে অংশ নিতে অসংখ্য নেতাকর্মীর উপস্থিতির কারণে নয়াপল্টন এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দুপুর ১টা থেকেই সড়কে অবস্থান নেন দলটির নেতাকর্মীরা। ফলে এ রুটে দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

র‌্যালিতে অসংখ্য নেতাকর্মীর উপস্থিতির কারণে নয়াপল্টন ছাড়াও ফকিরাপুল, নাইটিঙ্গেল ও কাকরাইল মোড়ে দিয়েও যান চলাচল বন্ধ ছিল। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও নেতাকর্মীদের উপচেপড়া ভিড়ে এ এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়ে।

এদিকে গুলিস্তান ও পল্টন মোড় হয়ে কাকরাইল ও মালিবাগসহ বিভিন্ন রুটে নিয়মিত চলাচল করে এমন যানবাহনগুলোও র‌্যালির কারণে ঘণ্টা নাগাদ আটকা পড়ে।

বিজয় র‌্যালি করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কোনো বাধা দিচ্ছেন না জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে র‌্যালির এরিয়া (এলাকা) নয়াপল্টনের পার্টি অফিসের সামনে থেকে মালিবাগ মোড় পর্যন্ত হয়ায় কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাধা দিচ্ছে না, কিন্তু জায়গা তো এইটুক।

শনিবার বিকেল ৪টার দিকে মালিবাগ সিআইডি অফিসের সামনের রাস্তার ফ্লাইওভারের নিচে দাঁড়িয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

এই স্থানটিতে অবস্থান নেন বিএনপির এই নেতা। এরপর ফ্লাইওভারের নিচে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে কর্মীদের উৎসাহ দিতে থাকেন।

এরই এক ফাঁকে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের একটাই দাবি, তা হলো গণতন্ত্র এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন।

নিরপক্ষে সরকারের অধীনে নির্বাচনে ‘জনরায়’ প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশকে একটি কারাগারে পরিণত করা হয়েছে। তাই গণতন্ত্র ও দেশের মানুষকে মুক্ত করতে এ কারাগার ভাঙতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা চাই আগামী প্রজন্ম যাতে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে বেড়ে ওঠে। কারণ বর্তমান সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে একদলীয় শাসন কায়েম করতে প্রক্রিয়া প্রায় সম্পূর্ণ করেছে। তারা আমাদের পদদলিত করতে চায়। দৃঢ়তার সঙ্গে একটি কথা উচ্চারণ করছি, বাংলাদেশের মানুষকে পদদলিত করে দাবিয়ে রাখা যাবে না।

এমএএস/জেডএ/পিআর/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :