রংপুরের হ্যাটট্রিক হার, মর্মাহত হেড কোচ আর্থার

ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক সিলেট থেকে
প্রকাশিত: ০৭:১৬ পিএম, ১২ জানুয়ারি ২০২৬

চলতি বিপিএলের অন্যতম হট ফেভারিট রংপুর রাইডার্স। সেই তারাই হেরেছে টানা ৩ ম্যাচ। ৮ ম্যাচে জয় পেয়েছে ৪টি, নেমে গেছে পয়েন্ট টেবিলের ৪ নম্বরে। সর্বশেষ সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে ১৫ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে হেরেছে নুরুল হাসান সোহানের দল।

ক্রিকেটাররা পরস্থিতি অনুযায়ী খেলতে না পারায় প্রচণ্ড হতাশ রংপুরের হেড কোচ মিকি আর্থার। একই সঙ্গে ব্যাটাররা বড় ইনিংস খেলতে না পারায় মর্মাহত এই অস্ট্রেলিয়ান কোচ।

সোমবার ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন আর্থার। সেখানে রংপুরের টানা তিন হারের প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা খুবই বাজে ছিলাম মাঠে। আমরা যথেষ্ট ভালো খেলিনি সেজন্য হেরেছি। তবে ক্রিকেটারদের বেসিকে ঘাটতি ও পরিস্থিতি বুঝতে খেলতে না পারা আমাকে সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছে। যদিও আমাদের কিছু দুর্দান্ত খেলোয়াড় আছে। এখন এই টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত বা আসল লড়াইয়ের জন্য তাদের সেরা ফর্মে ফিরিয়ে আনাটা আমার দায়িত্ব। কারণ আমি জানি যে, যখন আমাদের ছেলেরা ফর্মে থাকে এবং সবাই নিজেদের সেরাটা দেয়, তখন আমরা দুর্দান্ত দল হয়ে উঠি। কিন্তু এখন আমাদের সেই সামর্থ্য বা সম্ভাবনাকে সরাসরি মাঠের পারফরম্যান্সে রূপান্তর করতে হবে।’

রংপুরের ব্যাটাররা কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারছেন না। সবশেষ ম্যাচে ৯৭ রান করেছেন তাওহীদ হৃদয়। তিনিও আজ ব্যর্থ হয়েছেন। আর্থার বলেন, ‘হ্যাঁ, একদম ঠিক। এটা থেকেই বোঝা যায়, আসলে কী হচ্ছে। ওপরের সারির প্রথম তিন বা চারজন ব্যাটারের লম্বা ইনিংস খেলা জরুরী। বিশেষ করে এই ধরনের কন্ডিশনে। কারণ আমি খেলোয়াড়দের সবসময় বলি যে, (বোর্ডের) স্কোরের সাথে সবসময় মনে মনে বাড়তি দুটি উইকেট ধরে রাখতে হবে, কারণ এখানে নতুন করে ব্যাটিং শুরু করাটা বেশ কঠিন। তাই যখন একজন খেলোয়াড় ক্রিজে আসে, শুরুতে তার জন্য কষ্টকর হয়; কিন্তু একবার সেট হয়ে গেলে তাকেই খেলার নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে। আমাদের হয়ে ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত টেনে নেওয়ার দায়িত্বটা তাকেই পালন করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের কেউ সেটা করতে পারেনি এবং এই মুহূর্তে এটা আমার জন্য সত্যিই খুব হতাশাজনক। আমি বিষয়টি নিয়ে বেশ মর্মাহত। আমাদের ভালো খেলতে হবে, আমাদের পারফরম্যান্স আরও উন্নত করতে হবে।’

টানা তিন ম্যাচ হারের পর মনে হচ্ছে রংপুর ম্যাচ জিততে পারে না। আর্থার মনে করেন, আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। রংপুরের এই অস্ট্রেলিয়ান কোচ বলেন, ‘পুরোটাই আত্মবিশ্বাসের ব্যাপার। এই খেলায় আত্মবিশ্বাস অনেক বড় একটা জিনিস। আপনি জানেন, প্রথম পাঁচ ম্যাচে আমরা দারুণ ছন্দে ছিলাম এবং সবাই বেশ ফুরফুরে মেজাজে ছিল। কিন্তু যখনই আপনি কয়েকটা ম্যাচ হারবেন, আপনি চাপের মুখে পড়ে যাবেন; আর তখন আপনাকে সেই চাপ কাটিয়ে ওঠার এবং জেতার পথ খুঁজে বের করতে হবে। আমরা সেটা করতে পারিনি, এটাই আসলে খুব হতাশাজনক।’

এসকেডি/এমএমআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।