কচ্ছপ ব্যাটিংয়ে অলক কাপালিকে মনে করালেন সিমন্স

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩৩ পিএম, ২৬ অক্টোবর ২০২১

একের পর এক ছক্কা হাঁকিয়ে মাত্র ৩২ বলে ফিফটি করেন এভিন লুইস। কিন্তু ১০ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ দেখা যায় বিনা উইকেটে মাত্র ৬৫ রান। এর পেছনে লুইসের কোনো দায় নেই। পুরোটাই নিতে হবে তার উদ্বোধনী জুটির সঙ্গী লেন্ডল সিমন্সকে।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আজ যেন টেস্ট মেজাজ নিয়েই ব্যাট করতে নেমেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডানহাতি ওপেনার সিমন্স। ইনিংসের ১৩.২ ওভার পর্যন্ত উইকেটে থেকেও কোনো বাউন্ডারিই হাঁকাতে পারেননি তিনি।

দলের তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরার আগে ৩৫ বল খেলে মাত্র ১৬ রান করতে সক্ষম হন সিমন্স। তার এই কচ্ছপগতির ব্যাটিংয়ে ফিরে এসেছে বাংলাদেশের সাবেক তারকা ব্যাটার অলক কাপালির স্মৃতি। যিনি প্রায় ১৪ বছর আগে বিশ্বকাপের প্রথম আসরে খেলেছিলেন এমনই এক ইনিংস।

২০০৭ সালের আসরে এই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেই ৩৫ বল খেলে মাত্র ৪০ স্ট্রাইকরেটে ১৪ রান করতে পেরেছিলেন কাপালি। তার ইনিংসেও ছিল না কোনো চার-ছয়ের মার। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে চতুর্থ উইকেট পতনের পর কাপালি মাঠে ছিলেন ১৬তম ওভার পর্যন্ত।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ন্যূনতম ৩০ বল খেলা ইনিংসে এর চেয়ে কম স্ট্রাইকরেট নেই আর কারও। প্রায় ১৪ বছর পর আজ সেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩৫ বলে ১৬ রানের ইনিংসে সিমন্সের স্ট্রাইকরেট ৪৫.৭১; মাত্র ২ রানের জন্য কাপালির বিব্রতকর রেকর্ড থেকে বেঁচে গেলেন ক্যারিবীয় ওপেনার।

তবে অন্য একটি রেকর্ডে ঠিকই কাপালির সঙ্গী হয়েছেন সিমন্স। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি বল খেলে কোনো বাউন্ডারি না হাঁকানোর রেকর্ডটি এতদিন ছিলো কাপালির একার। আজ তার সমান ৩৫ বল খেলেও বাউন্ডারিশূন্য ছিলেন সিমন্স।

এসএএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]