জাতীয় ফুটবল কোচ
শেষ মুহূর্তে ভেস্তে গেলো কোলম্যানের নিয়োগ, বিকল্প খুঁজছে বাফুফে
ওয়েলসের সাবেক কোচ ক্রিস কোলম্যানকে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ মুহূর্তে ভেস্তে গেছে। কোচের এজেন্ট বাফুফের কাছে ফি দাবি করায় প্রথম পছন্দ থেকে সরে আসতে হয়েছে। এখন কোচের সংক্ষিপ্ত তালিকার অন্যদের মধ্যে থেকে কাউকে বেছে নেওয়া প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাফুফে। সভাপতি তাবিথ আউয়াল সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এজেন্টের কারণে কোলম্যানকে নিয়োগ দিতে পারেনি বাফুফে। সভাপতি বলেছেন, প্রশ্ন উঠতে পারে এজেন্ট ফি আমরা দিবো না কেন? এ বিষয়ে বাফুফে সভাপতি বলেছেন, ‘এজেন্ট ফি নিয়ে এর আগে কোনো কথা হয় নাই। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পরিষ্কার ছিল যে, আমরা শুধু কোচের স্যালারি এবং রিলেটেড ব্যয় বহন করবো। আগে এটা নিয়ে কোনো কথা হয় নাই।’
কোচ নিয়োগে এজেন্টের বিষয়ে আন্তর্জাতিক নিয়মের উদাহরণ টেনে বাফুফে সভাপতি বলেছেন, ‘ফিফারও একটা এজেন্টস গাইডলাইন্স আছে। ফিফার এজেন্ট গাইডলাইন্স সেকশন ৩৪-এ পরিস্কার বলা আছে, যে যার যে এজেন্ট বা যার যে উকিল, সে ওদের পেমেন্ট করবে। এটা হলো ট্রান্সপারেন্ট আর এটা হলো একটা লিগ্যাল ম্যাটার। তাই আমরা যে, আমরা যথাযথভাবে চেষ্টা করছি ট্রান্সপারেন্ট থাকতে। আপনারা জানেন, গত বছরের আমরা কিন্তু ফিফার ফাইনান্সিয়াল রেস্ট্রিকশন থেকে বের হয়ে এসেছি। কারণ, আমরা ট্রান্সপারেন্ট, আমরা কমপ্লায়েন্ট। তাই সেই জায়গা থেকে আমরা নড়তে পারি নাই। তাই কোলম্যানের সাথে আলোচনা এখানেই শেষ হয়ে যায়।’
তাহলে বাফুফে এখন বিকল্প কাকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করবে? তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘এখন আমাদের প্রক্রিয়া চলছে। আরেকজন কোচের সাথে চূড়ান্ত আলোচনা করবো। সেই কোচের সাথে আমি আশাবাদী আজকে বা কালকে একটা এগ্রিমেন্ট সাইন হয়ে যাবে। যদি এগ্রিমেন্টটা সাইন হয়, তাৎক্ষণিক আপনাদেরকে আমরা জানিয়ে দেবো। তবে চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত নাম বলতে চাই না।’
বাফুফে সভাপতি নাম না বললেও তাদের দ্বিতীয় পছন্দ জার্মানির বার্নড স্ট্রর্ক। একই দেশের আরেকজন টমাস ডুলি। এই দুই কোচের যে কোনো জনকেই শেষ পর্যন্ত নিয়োগ দিতে পারে বাফুফে।
কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বাফুফের দক্ষতার ঘাটতি দেখছেন অনেকে। তাবিথ আউয়াল এ বিষয়ে বলেছেন, ‘আমাদের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। আমরা আগেও বলেছি, প্রথমবারের জন্য এই প্রক্রিয়াতে নেমেছি। তো প্রথমবার যে কাজ করতে যায়, কিছু ভুলত্রুটি থাকতেই পারে, কিছু ল্যাকিংস থাকতেই পারে। আমরা মানুষ, আমরা কোনো কিছুর ঊর্ধ্বে নই। তবে, আমাদের নীতি এবং আমাদের লক্ষ্যমাত্রা এখনো ভালোর দিকেই আছে।’
আরআই/এমএমআর