চবি উপ-উপাচার্য

ভারত ফারাক্কাকে ব্যবহার করে আধিপত্যবাদ জিইয়ে রেখেছে

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক চবি
প্রকাশিত: ০৯:২৯ পিএম, ১৮ মে ২০২৬
চবিতে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেছেন, ফারাক্কা আপাত দৃষ্টিতে একটি বাঁধ আর পানির ইস্যু মনে হলেও আসলে এটি একটি বড় ভূ-রাজনৈতিক প্রশ্ন। ভারত এটিকে ব্যবহার করে আধিপত্যবাদ জিইয়ে রেখেছে।

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরি অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) উদ্যোগে ‌‘ফারাক্কা বাঁধ: আধিপত্যবাদের নির্মম গ্রাসে বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপ-উপাচার্য বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমরা অসম সম্পর্কের মধ্যে রয়েছি। রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক না হয়ে সরকারের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক হয়েছে বলেই এই বৈষম্য তৈরি হয়েছে। যখন আমাদের পানি দরকার, তখন আমরা তা পাই না; আবার প্রয়োজন না থাকলে পানি উপচে পড়ে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারত কলোনিয়াল মানসিকতা পোষণ করে। পানি থেকে শুরু করে বিভিন্ন উপায়ে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে চায়। বাংলাদেশকে নিজস্ব স্বার্থে আরও কার্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করতে হবে।’

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী বলেন, ‘ফারাক্কার ইস্যুটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আমাদের ইতিহাস চর্চা করতে হবে। ভারতের আগ্রাসী মনোভাব অনেক আগ থেকেই আমাদের ওপর শুরু হয়েছে। যে কারণে তারা ফারাক্কা ইস্যুসহ নানাভাবে আধিপত্য দেখাতে চায়। এ ফারাক্কা নিয়ে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কথা বলেছিলেন। আজকে উনার মতো নেতা প্রয়োজন।’

চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব।

সভা সঞ্চালনা করেন চাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক মোনায়েম শরীফ। এসময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং চাকসুর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মোস্তাফিজুর রহমান/এসআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।