ব্যাটেল অব মাইন্ডস চ্যাম্পিয়ন আইবিএ’র জে নে সে কোয়া

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১০:০৩ এএম, ০৮ মে ২০১৮

‘ব্যাটেল অব মাইন্ডস-২০১৮’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) দল জে নে সে কোয়া। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেসনালসের (বিইউপি) দল আন্ডারক্যাটস প্রথম রানার্স-আপ এবং ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) জেড দ্বিতীয় রানার্স আপ হয়েছে।

রোববার বিকেলে রাজধানীর র‌্যাডিসন ব্লু হোটেলে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতার বেশ কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে এ বছর এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের ২০ টিরও বেশি দেশের প্রতিযোগিদের সঙ্গে এখানকার চ্যাম্পিয়ন এবং প্রথম রানার্স আপ দল আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের প্ল্যাটফর্ম ‘ব্যাটেল অব মাইন্ডস’ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এবং কর্পোরেট জগতের অভিজ্ঞতার সেতুবন্ধন তৈরি করে। বাংলাদেশের তরুণদের উৎকর্ষতা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে ‘ব্যাটেল অব মাইন্ডস’ অঙ্গীকারবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এমসিসিআই) প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার নিহাদ কবির। এ সময় বিশিষ্ঠ শিক্ষাবিদ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ এবং গণ্যমাণ্য ব্যক্তি এবং প্রতিযোগিদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বছর দেশের ৪২টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ হাজার ৩০০ শিক্ষার্থী কৃষি, মৃত্তিকা বিজ্ঞান, প্রকৌশল এবং ব্যবসায় বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। সেখান থেকে ১৫০ আবেদনকারী বুটক্যাম্পে অংশগ্রহণ করে। ১২টি দলে ৩৬ জন প্রতিযোগী সেমিফাইনালে পৌঁছে। এরপর ৬টি দল ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

ফাইনালে অংশগ্রহণকারী দলগুলো হচ্ছে, ঢাবি’র আইবিএ’র জে নে সে কোয়া, ফিট স্টিক ও ব্রেইনস অব ক্যাস্টামের, আইইউটির জেড এবং এবং বিইউপি’র দল আন্ডারক্যাটস ও লাস্ট সেকেন্ড।

এবারের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় যে চারটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল সেগুলো হচ্ছে, জুতা শিল্পের রুপান্তর, রিকশার আধুনিকায়ন, গেম অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষাগ্রহণ ও স্মার্ট এবং অভিনব কায়দায় স্বাস্থ্য সমাধান।

সেমিফাইনালের চ্যালেঞ্জে ছিল, নিজের বাছাই করা বিষয়টি বাংলাদেশের বাজারে কীভাবে জায়গা পূরণ করে নেবে এবং দেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সেটি কী ভূমিকা পালন করবে? আর নিজের আইডিয়া বা ধারণাকে একটি নমুনার মাধ্যমে অথবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা প্রত্যক্ষভাবে কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায় এটাই ছিল ফাইনাল চ্যালেঞ্জ।

বিভিন্ন পদক্ষেপে অনলাইন এবং অফলাইনের মধ্য দিয়ে সমস্যার সমাধান এবং সামাজিক কাঠামোতে অবদান রাখার পথ তৈরি করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা গ্র্যান্ড ফিনেলের মধ্য দিয়ে শিল্প বিশেষজ্ঞদের সামনে মূল পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। প্রথমবারের মতো এখানে বিজয়ীরা বৈশ্বিক মঞ্চে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যে লড়বেন।

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, বাংলাদেশ (বিএটি বাংলাদেশ) ২০০৪ সাল থেকে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। এই বছরে ১৫ তম আসরে গত আসরের তুলনায় ১ হাজার বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। পরবর্তীতে চার ধাপের তীব্র প্রতিযোগীতাপূর্ণ লড়াইয়ের মাধ্যমে সেরা শিক্ষার্থীরা চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ পান।

অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিএটি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেহজাদ মুনীম বলেন, ‘বিএটি বাংলাদেশের এই মৌলিক ধারণা এখন বৈশ্বিক পর্যায়ে স্থান করে নিয়েছে, এটা খুবই গর্বের বিষয়। বাংলাদেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের এই মেধাবীদের যত্ন নেয়া এবং তাদের জন্যে আমরা এই প্ল্যাটফর্মটি অব্যাহত রাখবো।’

এমইউ/এমএমজেড/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।