ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ঘোষণার পরও চলছে আরেক তলা নির্মাণ


প্রকাশিত: ১২:০৩ পিএম, ১৬ আগস্ট ২০১৬

টাঙ্গাইল পুরাতন বাসস্ট্যান্ড পৌর সুপার মার্কেট ভবন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের রিপোর্টে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ঘোষিত হওয়া সত্ত্বেও সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র ভবনটির ছাদ ভাড়া দিয়েছেন। সেখান চলছে দুই ও তিনতলা ভবন নির্মাণের কাজ।

বর্তমান মেয়র ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেও তা মানছেন না ভাড়াটিয়া প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ছাদ ভাড়া দেয়াকে কেন্দ্র করে কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল পৌর পরিষদের পাবলিক মার্কেট বরাদ্দ কমিটির সভায় মার্কেটের দুই তলার ছাদের ১৮ হাজার ৩০ বর্গফুট জায়গা ভাড়া দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

পৌর পরিষদের এ ধরনের ভাড়া দেয়ার ক্ষমতা না থাকলেও সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র সেটি ভাড়া দেন। আট লাখ ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে পৌরসভার পক্ষে সচিব ও ভাড়াটিয়ার পক্ষে রজনীগন্ধা কনসোর্টিয়ামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম শিবলী সাদিক চুক্তিপত্রে সই করেন।

তবে চুক্তিপত্র করলেও ভবন নির্মাণের কোনো নকশা অনুমোদন না করেই দুইতলা ও তিনতলা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন ভাড়াটিয়ারা। তাদের দাবি, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মির্জা আরিফ ও সহকারী প্রকৌশলী শিব্বির আহমেদ আজমী স্বাক্ষ্যরিত অনুমোদিত নকশা রয়েছে। তবে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেছেন তারা লে-আউটের অনুমোদন দিয়েছেন।

এদিকে বর্তমান মেয়র জামিলুর রহমান মিরন রজনীগন্ধা কনসোর্টিয়ামকে নির্মাণ কাজ বন্ধসহ বরাদ্দ বাতিল করে চিঠি দেন। চিঠিতে তিনি ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রাণঘাতি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে দুইতলা ও তিনতলা ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়। এছাড়া বিশেষজ্ঞ কমিটির মতামত না পাওয়া পর্যন্ত নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার জন্য জনস্বার্থে নির্দেশ দেয়া হয়।

এদিকে পৌর মেয়রের কয়েক দফা চিঠিতে ভবনের সম্প্রসারণ কাজ বন্ধের নির্দেশ উপেক্ষা করে নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখায় পৌর পরিষদ ও পৌরবাসী হতভম্ব হয়েছে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরন বলেন, এটি অবৈধ স্থাপনা। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে অবহিত করে খুব শিগগিরই এ ভবন ভেঙে ফেলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরিফ উর রহমান টগর/এএম/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।